শীতকালের গপ্পো

 

এবারে শীতে তূষারপাতের ছোঁয়া এখনও লাগে নি আমাদের ভূর্জবুর্গে [১]।

আমার স্ত্রীকে আজকাল প্রায়ই দেখি জানালা ধরে দাঁড়িয়ে আছে। ওর ঘণ ঘণ ইন্টারনেটে ওয়েদার ফোরকাস্ট দেখা আর তার পরপরই জানালার পাশে গিয়ে মাথা ঘুড়িয়ে ঘুড়িয়ে আশপাশটা “স্ক্যানিং” করা দেখলেই অনুমান করতে কষ্ট হয় না যে অপেক্ষাটা চলছে তুষারপাত দেখার।ইউরোপে আসার পর এখানকার ওয়েদারটা হয়ে যায় আমাদের জন্য সবচেয়ে বিপ্রতীপ অভিজ্ঞতা। প্রথম যেবার তূষারপাত হতে দেখি, বলার অপেক্ষা রাখে না, বিস্ময়ে বিমূঢ় হয়ে পড়ি। তূষারের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ফটোসেশন থেকে শুরু করে হাতের মধ্যে নিয়ে বল বানানো, নাড়াচাড়া করা বা কিছুই না করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকা অবধি – সবকিছুই করেছি বিস্ময়ের ঝোঁক মেটানোর জন্য। এই দৃশ্যে ডয়েচিরা যতোই নির্বিকার থাকুক না কেন, নিজের বিস্ময়টুকু প্রকাশ করতে আমি বিন্দুমাত্র কার্পন্য করিনি।

আমাদের এই বিস্ময়ের সাথে তুলনীয় ওদেরও অনেক বিস্ময় আছে। আমাদের দেশে বেরাতে যাওয়া পশ্চিমা ট্যুরিস্টরা প্রতমতঃ চলন্ত বাসের বাম্পার কিংবা ছাদের মতোন দূর্গম অংশে দাঁড়িয়ে যাত্রী চলাচলের দৃশ্য দেখে বিস্ময়ে “terrible” বলে চিৎকার দিয়ে ওঠে। আবার কোনওরকমের পূর্বপরিচয় ছাড়াই কেবলমাত্র বাবা-মায়ের পছন্দের পাত্র বা পাত্রীকে আমরা অবলীলায় বিয়ে করে ফেলি, এটা শুনলে ওরা এমনভাবে তাকায় যে মনে হয় আমি হয়তো সতীদাহ কিংবা সহমরণের কেচ্ছা বয়ান করছি। অনেকটা “ইনকা” বা “মিশরীয়” সভ্যতার অতি প্রাচীন এবং আশ্চর্য্য কোনও ঘটনার বর্ণনা শুনে আমাদের যেমন অনুভূতি হয়, সেরকম।

যাহোক, একটু টেনেটুনে হলেও আমি শীতকালের গল্পে পোষাক-আষাকের প্রসঙ্গটা আনতে চাই; নইলে লেখার অর্ধেকটা ফোর্সই কমে যাবে। ইউরোপে আসার আগে আমাদের সবাইকে অন্ততঃ একবারের জন্য হলেও বঙ্গবাজারে ঢুঁ মাড়তে হয়েছে। সেখানে যাবার মূল কারণ, বিদেশের উপযোগী কিছু পোষাক-আষাক অল্প দামে কিনে নেওয়া। সারা বছর ধরেই বঙ্গ বাজার এই নিয়ে ব্যস্ত থাকে। মনে আছে, প্রথমবার জার্মানী আসার আগে বাবার সাথে আমার সেখানে যাওয়া পরে। আমরা ২জনই জার্মানী সম্পর্কে সমান অজ্ঞ হলেও গুরুজন হিসেবে বাবার মতামত ছিল অগ্রগণ্য। ফলশ্রুতিতে দেখা গেল, আমার বাবা বাজারের সবচেয়ে ভারী আস্কানটি আমার জন্য খুঁজে বের করলেন। বঙ্গবাজার থেকে ট্রায়াল দেয়া ছাড়া কিছু কেনাটা বোকামী। সুতরাং আমাকেও জ্যাকেটটা পড়ে যথারীতি ট্রায়াল দিতে হলো। সেপ্টেম্বর মাস, শীতের ছিঁটেফোটাও নেই। বাইরে ২৬ ডিগ্রী হলেও বঙ্গবাজারের তাপমাত্রা বছর জুড়েই ৪৫ ডিগ্রী বজায় থাকে! আর হিউমিডিটি থাকে সুপারহাই, কিছু বলতে মুখ হা করলেই জিভে লবনের স্বাদ পাওয়া যায় – মানুষের ঘাম বায়ূ হয়ে ভেসে বেড়ালে যা হয়! যাহোক, ট্রায়ালের জন্য জ্যাকেটটি গায়ে জড়ানোর মুহূর্ত পরেই কানদুটো দপদপ করতে লাগলো। মনে আছে, ছোটবেলায় টিচার কানমলা দেবার পরে কানে ঠিক এইরকম একটা অনুভূতি হতো — ক্ষণিকের জন্য যেন হৃৎপিন্ডটা কানের কাছাকাছি কোথাও উঠে আসে!

পোশাকের বারাবারি পুরুত্বের ফলে পিতা আদমের সাথে বংশগত মিল কমতে কমতে দুই পা আর দুই হাতে গিয়ে ঠেকলো!! গড়িলা আর মানুষের মাঝে সে এক ক্লোজ ফাইট! এই যখন অবস্থা, তখন দোকানী বেটা বিল্টইন টুপীটা ঠেলে মাথার উপর তুলে দিল, “ছার, এইটা তো টুপী শুদ্দা”। একে তো পোষাকের ভারে নিজের পায়ের ওপর নিজেরই সোজা হয়ে দাঁড়ানো মুশকিল। এইবার সাথে টুপী যুক্ত হওয়াতে আমার স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের সবকটা জানালা বন্ধ হয়ে গেলো! অনেকক্ষণ ধরে ভিলেনের আস্তানায় বন্দী থাকার পরে মুক্তি পেয়ে নায়ক যেই ভঙ্গীতে দড়িটড়ি ছিড়ে ফুঁড়ে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করে, অনেকটা সেইভাবে আমি দ্রুত পোশাকটা খোলার জন্য মড়িয়া হয়ে উঠলাম! এমন সময় দেখলাম বাবা যেন কোথা থেকে একজোড়া গ্লভস ম্যানেজ করে ইঙ্গীতে সেটাও পড়তে বললেন আমাকে। টোট্যাল লুকটা কেমন হয় সেটাই হয়তো দেখার কথা ভাবছিলেন তিনি। কিন্তু আমার লালচে এবং ঘর্মাক্ত চেহারা দেখে শেষ পর্যন্ত তিনি অবশ্য ইচ্ছে-ঘোঢ়ার লাগাম টানলেন। আমি বললাম, “এটা পড়ে তো পুরা গড়িলার মতো লাগতেছে!” বাবা সেটা উপেক্ষা করে বললেন, “লেপ কেটে বানাইছে মনে হয়! খুউব ভালো জিনিস! এইটাই নাও”।

অজানা-অদেখা বিদেশ বিভূঁই সম্পর্কে অজ্ঞতা কতোটা হাস্যকর হতে পারে তা এখন আঁচ করতে পারি, কারণ ঐ বিশেষ পোষাক আমার তেমন একটা পড়া লাগে নাই জার্মানীতে। উত্তর মেরুতে বরফ গলছে কিনা সেটা দেখতে গেলে লাগতো হয়তো! কিন্তু এই তথ্যটা পরবর্তীতে বাড়িতে জানিয়েও বিশেষ উপকার হয়নি কারণ, এরপর যখন আমার স্ত্রী এখানে আসে, তখন তার ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হয়নি। আমি মিউনিখ এয়ারপোর্টে তাকে রিসিভ করতে গিয়েই দেখলাম বেচারা প্রকান্ড ভারী একটা ওভার-কোট হাতে করে এনেছে! সেদিনের পরে সেটা আর তেমন একটা পড়তে দেখি না ওকেও। বোঝাই যায় শ্বশুড় মহাশয়ের (আমার পিতৃদেব) জোড়াজুড়িতে কিনেছে সেও।

ইউরোপে গোটা বছরই মোটামুটি শীতকালের রাজত্ব। তাই তূষারপাত না হওয়া পর্যন্ত মনেই হয় না যে, শীতটা (অফিসিয়্যালী) এসেছে। শত বিরম্বনা থাকলেও তার শ্বেতশুভ্র রুপটা সত্যিই অন্যরকম একটা প্রশান্তি এনে দেয়। আমি মনে মনে বিশ্বাস করি, কিন্তু বিব্রত হবার ভয়ে জার্মানদের সামনে কখনোও বলি না যে, শীতকালটাই আমার সবচে’ প্রিয়। শুধু এখানেই নয়, দেশে থাকতেও (বলাবাহুল্য) শীতটাই ছিল প্রিয় ঋতূ।

শুনেছি আমি যেখানটায় থাকি (ভূর্জবুর্গ) সেটা নাকি জার্মানীর অধিকতর গরমপ্রবণ (আপেক্ষিক হিসেবে) এলাকাগুলোর একটা। সুতরাং, এখানে তূষারপাত দেখার সম্ভাবনা কিন্চিত কম। গতবছরও সর্বসাকূল্যে মাত্র ২/৩ দিন হয়েছে তূষারপাত। আবার গবেষণার কাজে আমাকে প্রায়শঃই হামবুর্গে যেতে হয়। সেখানেও জলবায়ূ কিঞ্চিত উষ্ম বলেই বোধ হয়। তবে শুরুর দিকটাতে জার্মানীতে শীতের বারাবারি শরীর সহ্য করতে পারতো না – তখন সব জায়গাই মনে হতো উত্তর মেরু। আমাদের বঙ্গসন্তানদের মধ্যে তাই নাক দিয়ে রক্ত পড়া, কান জ্বালা করা, চোখ জ্বালা করা, মাথার যন্ত্রণা, গলার খুসখুস, মাত্রাতিরিক্ত হলুদ ‘ইয়ে’ ইত্যাদি উপসর্গ লেগেই থাকতো।

শীতপ্রধান দেশে যাবার আগেই ঠান্ডাজনিত এইসকল সমস্যার কথা আমরা দেশে থাকতেই শুনে শুনে হদ্দ। সেগুলোর কতিপয় এখানে উল্লেখ না করে পারবো না কারণ, ২/১ টা উদাহরণ শুনলেই দেখবেন যে, আমরা যখন কাউকে অজানা অদেখা জিনিসের বর্ণনা দেই তখন তারে তাক লাগিয়ে দেয়া বা ভয় পাইয়ে দেয়ার দায়িতটা কতোখানি নিষ্ঠার সাথে পালন করি!

আমার এক বড় ভাই পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করে বহুদিন আগে একদা বিদেশ গমন করলেন। প্রথমবার যখন ফিরলেন তখন অনেক মজার গল্প ফেরী করে আনলেন। যেমন, “নিউইয়র্কে তো ভয়াবহ শীত। থুথু ফেলে দেখি মাটিতে ঠক্কাস করে শব্দ! আমি ভাবলাম কি আবার পড়লো। আরি!!! চেয়ে দেখি মাটিতে পড়তে পড়তেই আমার থুথুটুকু বরফ বনে গেছে!!!” এই জাতীয় কথাবার্তা। আমরা চোখ বড় বড় করে শুনতাম আর ঢোক গিলতাম। অবশ্য এহেন ভয় দেখানো সত্বেও সেই বয়সেই বিদেশে যাবার পাথর-সংকল্প এতোটুকু নড়চর হয় নাই!!

আরেক বড়ভাইয়ের গল্পটা ছিল এরকম: “শোনও, ভুলেও উইন্টারে জিনসের পকেটে হাত ঢুকাবা না, হাত জ্যাকেটের পকেটে রাখবা”। এটার কারণ কি জানতে চাইলে উনি বয়ান করলেন, “হাত তো ঢুকাইলা, বের করার সময় দেখবা মাংস খানিকটা পকেটের মধ্যে রেখে আসছো”!!! আমি অবশ্য এই গল্পে অতোটা ঘাবড়াই নি কারণ, যেকোনও ভুল ধারণা সৃষ্টিশীলভাবে উপস্থাপন করার ক্ষেত্রে ওনার কিছু খ্যাতি আগেই আমার কানে গিয়েছিল। তবে ওনাকে নিরাশ না করে আমি বললাম, বলেন কি বস্? এত্তো খারাপ অবস্থা? উনি গম্ভীরভাবে মাথা ঝোঁকালেন। কথাটা বলে উনি হয়তো ভাবছিলেন গল্পের ভয়াবহতা খানিকটা কমিয়ে দিতে কিছু যোগ করবেন, কিন্তু আমি এবং আরো কয়েকজন নবাগত মফঃ[২] দের বিস্ময় দেখে উনি মজা পেয়ে গেলেন, ফলে কিছু একটা বলতে গিয়েও থেমে গেলেন। এনার মতো আরো কেউ কেউ বলতেন, চোখ নাকি বেশীক্ষণ খোলা রাখলে বিপদ। চোখের পানি জমে যেতে পারে!! প্রাচীন গ্রীসে দেব-দেবীরা কারো প্রতি শাপ নাজেল করলে গোটা বডি বরফ বা পাথর হয়ে যেত। সেখানে এই ভয়ঙ্কর শীতে সামান্য চোখের পানি টিকে কেমনে!!?

আমার যেসব বন্ধু কানাডায় থাকে তারা ওখানে যাবার পরপরই বন্ধুত্বের অপার টানে প্রবাস জীবনের ছবি পাঠাতো। অবশ্য সেগুলো দেখা আর না দেখার মাঝে কোনও পার্থক্য ছিল না। কারণ, কাপড়ের জঞ্জাল এড়িয়ে কারুর চেহারা দেখার বা বোঝার উপায় ছিল না! এতদসত্বেও ছবি পাঠানোর সময় শীতকালের ছবিই পাঠানো চাই। কারণটা সম্ভবতঃ ঐ ভয় পাইয়ে দেওয়া। শীতপ্রধান দেশের সামারের সৌন্দর্য্যটা অসাধারণ! কিন্তু সেগুলো বন্ধুদের পাঠানো ছবির বিষয়বস্তু হতে অনেক সময় লেগে যায়। ফলে, প্রবাসী বন্ধুদের পাঠানো “pics”-লেখা ই-মেইল খোলার আগেই বুঝতাম ‘বিরামহীন সাদার মাঝে দশমোণী একটা মানুষের আপাদমস্তক কাপড়ে মোড়া বডি’দেখতে হবে! সেই তুলনায় দুবাই প্রবাসী বন্ধুদের ছবিগুলো অনেক ব্রাইট হতো। তবে ওদের ছবিগুলোতে সমস্যা ছিল যে, কেউ ওয়াইডভাবে তাকাতো না, সবগুলো ছবিতেই চোখ কুঁচকানো। অতিরিক্ত সূর্য বা অতিরিক্ত তুষার কোনোটাই আসলে ছবির পক্ষে ভালো না।

এতো গেল ছবির কথা। শীতকালের বড় একটা সুবিধার কথা তো বলি নি এখনও। আমরা যারা ছোট্ট ফ্রীজারের কারণে সারাবছর আত্মা ভরে কাঁচা মাছ-মাংস কিনতে পারতাম না, তারা বছরের এই সময়টা প্রচুর কাঁচা মাছ-মাংস স্টক করতাম। কারণ, রুমের জানালা খুলে কার্ণিশের ওপরে সেগুলো সহজেই সংরক্ষণ করা যেত। ঘন্টাখানেকের মধ্যেই জমে যেত! আর আরোও কিছু পরে তুষারের নীচে একদম ঢাকা। এমনই ঢাকা পড়তো যে মাঝে মাঝে সেটার কথা বেমালুম ভুলে যেতাম। আমার ক্ষেত্রে এমন হতো প্রায়শঃই। পরের গ্রীষ্মে পঁচে গন্ধ বেরোলেই কেবল সেটা সরানো হতো। একবার সেটাও করি নাই! কারণ আমি অনেকদিন যাবত জানালা খুলি নি কোনওকারণে (সম্ভবতঃ থিসিসের চাপে বাকি জীবন স্থির হয়ে ছিল)। পরবর্তিতে কোনও প্রকৃতি-প্রেমী বন্ধু আবিষ্কার করলো যে, আমার জানালার বাইরে একটা পাখী নাকি মড়ে কঙ্কাল হয়ে গেছে!!

যাইহোক, আমার মনে হয়, শীতকালের অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য এতোটাই ব্যাপক যে একটা প্রবন্ধে সবটা শেষ করা যাবে না। আমার এই গল্পগুলো শুনে দেশে আমার বাবা কোনও কারণে খুউব আনন্দ পান। বাসায় যখন ফোনে কথাবার্তা হতো আমি বুঝতাম আমাদের এখানকার এই মাত্রাতিরিক্ত ঠান্ডা আমার বাবার কাছে একটা ভালো গর্বের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফোন করলেই আমাকে বাবা আগ্রহ নিয়ে জিগ্ঞেস করেন, “টেম্পারেচার কতো? মাইনাস কতো?” মাইনাসটা বাবা নিজেই যুক্ত করে দেন, আমাকে শুধু ডিজিটটা উল্লেখ করা লাগে। আর আমি যদি বলি, এখনোও মাইনাস হয় নাই তবে ৪/৫ ডিগ্রি থাকে, তাহলে বাবা বলবেন, “ওহ তাইলে তো গরম!!” আমি জানি, আত্মীয়স্বজনদের কাছে বাবার ‘আমি সংক্রান্ত’গল্পের অন্যতম উপাদানও হচ্ছে এখানকার এই ভয়াবহ ঠান্ডা এবং কিভাবে সেই ঠান্ডার মোকাবেলায় তাঁর কিনে দেয়া জ্যাকেটখানা আমাকে সহযোগীতা করে যাচ্ছে, তারই ইতিবৃত্ত। বাবা জানেন না, আমি যখন চাকরী নিয়ে আরেক শহরে চলে আসি, তখন সেই ঐতিহাসিক জ্যাকেটখানা এক বন্ধুকে দিয়ে আসি, কারণ আগেই বলেছি, জ্যাকেটটা আমার কখোনই পড়া লাগে নাই। সেই বন্ধুটি আমার চে কমপক্ষে ২ হাত বেশী লম্বা। তারপরেও সে যখন ওটা গায়ে জড়ালো, দেখলাম জ্যাকেটটি আসলে ভয়ঙ্কর নয়। বরং তাকে ভালোই মানিয়েছে! আমার চে দেড়গুণ লম্বা কারো গায়ে যেটা সুন্দর ফিট হয়, সেটা যে আমার গায়ে জড়ালে গড়িলা-ফিটিং হবে এটা বলাইবাহুল্য।

[সমাপ্ত]

==============
ডঃ লুৎফুল আরেফীন

Print Friendly