• Home »
  • VISA »
  • ভিসা ইন্টারভিউ অভিজ্ঞতা বনাম কালো রাত………

ভিসা ইন্টারভিউ অভিজ্ঞতা বনাম কালো রাত………

 

আমি খন্দকার রিয়াদুল ইসলাম, ভিসা ইন্টারভিউ অভিজ্ঞতার আর্টিকেল পড়তে পড়তে নিজের ভিতর একটা দুঃস্বপ্নকে পোষছিলাম, যে কেমন হবে আমার বেলায়, কি প্রশ্ন করবে আমাকে, কতটা না কঠিন প্রশ্ন করে আমাকে, আমার কি IELTS লাগবে, লাগলে কত পয়েন্ট লাগবে, জর্মান ভাষা কতটুকু লাগবে, বাসস্থান এর জন্য কি শুধু বুকিং কাগজটা দিলে হবে কি, প্রশ্ন কি ইংরেজী, জার্মান না বাংলায় (যেটা দুঃস্বপ্ন) করবে। এসব চিন্তায় ভিসার সম্মুখীন এর আগের রাতকে কালো রাত করে ফেলেছিলাম। তাই শিরোনাম এরকম ভাবে দেওয়া হয়েছে। আসলে সকল দুশ্চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন মাথা থেকে, কারণ অভিজ্ঞতা বলছে, কালো রাতের দিন আর এখন নেই। এম্বাসি যে এতটা শিথিল হবে, তা আমার চিন্তারও বাহিরে ছিল। কিন্তু যত শিথিল হল আমার জন্য তত খারাপ হল। কারণ আমি ভেবেছিলাম একরকম, হয়েগিয়েছে আরেকরকম। সেই ইতিহাসই আজ আপনাদের সাথে ভাগাভাগি করবে।

আসলে এম্বাসীর নমনীয়তা এতটা বৃদ্ধি পাবে তা আমি ভাবতেও পারি নাই। আমি এতদিন জানতাম এই কাগজ, সেই কাগজ, মামুর কাগজ, কাকুর কাগজ, অনেক কিছু লাগে। সেই কারণে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে, স্বেচ্ছাসেবীর অভিজ্ঞতার যত সনদ আছে সব নিয়ে গিয়েছিলাম, যেন নিজেকে কাগজ টুকানো টুকাই বানিয়ে ফেলেছিলাম। আর গিয়ে দেখলাম এম্বাসি এখন শুধু মাত্র নিচের দেওয়া কাগজপত্র ছাড়া আর কিছুই জমা নিচ্ছেনা…

১. ভিসা আবেদন ফর্ম ( ২ সেট, ২ কপি ছবি সহ )
২. অফার লেটার (১ টা অরজিনাল আর ২ সেট ফটোকপি/তবে অরজিনাল যে হার্ডকপি হতে হবে এমন কোন কথা নেই)
৩. জার্মান ভাষা শিক্ষার অফার লেটার [যদি থাকে] (১ টা অরজিনাল আর ২ সেট ফটোকপি)
৪. ব্যাংক কনফারমেশন লেটার (১ টা অরজিনাল আর ২ সেট ফটোকপি)
৫. হেলথ ইনসুরেন্স (১ টা অরজিনাল আর ২ সেট ফটোকপি)
৬. S.S.C ও H.S.C এর শুধু সার্টিফিকেট এবং মার্কশীট। রেজিষ্ট্রেশন কার্ড বা এডমিট কার্ড না। (১ টা অরজিনাল আর ২ সেট ফটোকপি)
৭. Bachelor এর শুধু সার্টিফিকেট আর মার্কশীট। (১ টা অরজিনাল আর ২ সেট ফটোকপি)
৮. Masters এর যদি থাকে শুধু সার্টিফিকেট আর মার্কশীট। (১ টা অরজিনাল আর ২ সেট ফটোকপি)
৯. IELTS (১ টা অরজিনাল আর ২ সেট ফটোকপি)
১০. পাসপোর্ট (অরজিনাল টার সাথে এক কপি ছবি, আর ২ সেট ফটোকপি)

এই ক্রম অনুযায়ী কাগজগুলো জমা নিচ্ছে।

এখন শুনুন আমার ঘটনা, কথায় আছে না অতি চালাকের গলায় দড়ি। বেশী পাকামীর ফল আজকে আমাকে হারে হারে টের পেতে হয়েছে। আর জানি না এই পাকামীর জন্য কি ফল আল্লাহ আমাকে দেয়।
toon-1061

৩১.০৮.১৫ সকাল ৫ ঘটিকা উঠেই দৌড়ঝাপ শুরু তৈরি হওয়ার জন্য এবং যাবার জন্য। রিতিমত ৬ ঘটিকার মধ্যে বের হলাম এবং এম্বাসীতে ৭টা দিকে এ গিয়ে পৌছালাম। গিয়ে দেখি আরো ২ জন আছে। একজন দ্বিতীয়বারের জন্য মাস্টার্স, আর একজন ইন্টারনি এবং আমি প্রথমবারের জন্য মাস্টার্স। যাই হোক হাতে যেহেতু অনেক সময় আছে, এক বন্ধুকে সাথে করে নিয়ে গিয়েছিলাম এবং সাথে কিছু প্রশ্নের ধরণ উত্তর সহ বানিয়ে নিয়ে গিয়েছিলাম। বন্ধুকে বললাম, প্রশ্ন গুলোকে আমাকে ধরতে, মানে কিছুক্ষন প্রশিক্ষন নিয়ে নেই, যাতে জড়তাটা কাটে এবং তাই করলাম ঠিক ৮.১৫ বা ১০ এ আমাদের ঢুকালো। এক সিকিউরিটি মহিলা বলল টেবিলের উপর কাগজপত্র কিভাবে ক্রম অনুযায়ী সাজাতে হবে তার একটা লিষ্ট আছে, সেই লিষ্ট অনুযায়ী ৫ মিনিটের মধ্যে সাজিয়ে তার কাছে জমা দিতে। আর বলল ওই লিষ্টের বাহিরে কোন কাগজ যেন জমা না দেই, তাহলে কাগজ তারা গ্রহণ করিবে না। আর কি করার আছে সাজালাম লিষ্ট অনুযায় কাগজপত্র এবং তার কাছে জমা দিলাম। সে বলল অপেক্ষা করতে ডাকা হবে, অপেক্ষা করা শুরু করলাম। আমি ছিলাম দ্বিতীয়, মানে আমার আগে একজনে ডাকা হল। কিছুটা আফসা আফসা ভাবে তার ইন্টারভিউ শুনছিলাম, মনে হচ্ছে তার উপর প্রশ্নের মেশিনগান চালানে হচ্ছিল, তা শুনে কিঞ্চিৎ হৃদ ক্রিয়া আমার বন্ধ হয়ে গেল এবং মনে করতে শুরু করলাম যে ওনার উপর যদি মেশিনগান চালানো হয়ে থাকে, তাহলে নির্ঘাত আমার উপর AK47। চুপ করে বসে আল্লাহর নাম পড়ছিলাম। কিছুক্ষন পর ডাক এলো খন্দকার রিয়াদুল ইসলাম কাউন্টার নম্বর ২। চলে গেলাম, গিয়ে দেখি এক সুন্দরী অল্প বয়সী রমনী আমর VO । গেটের সামনে অনুমতি নিলাম ভিতরে ঢুকার জন্য, অনুমতি শুধু হাতের ঈশারায় দিয়েই বলতে শুরু করলো।

VO: আপানার কাগজপত্র গ্রহণযোগ্য না, তারপরও আমি আপনার ভিসা আবেদন ফর্মটা রাখছি, আর বাকি কাগজ পত্রগুলো আপনি অতি সত্ত্বর আবার ফটোকপি করে জমা দিন। (ইংরেজীতে বলেছে)

মানে আমি তো রিতীমত হতভম্ব, এই কি ব্যাপার এই বুঝি ইন্টারভিউ তারিখ নতুন করে নিতে হবে নাকি। যখন সে বলল আজকেই জমা দেন, তখন নিঃশ্বাস এল প্রাণে। সে কারণদশালো এই বলে, যে আমি একটু পাকনামী করেছি, সেটা হল বাসায় প্রিন্টার মেশীনের কুফলে আমি সব কাগজ পত্র রঙিন প্রিন্ট করে তারপর জমা দিয়েছিলাম। তারা নাকি রঙিন কিছু গ্রহণ করে না। মানে পুরো সাদাকালো ফটোকপি। ওই যে কথায় আছে না চকচক করলেই সোনা হয় না। সেটা আমি আজকে হারে হারে টের পেয়েছি। আর একটা কারণ হল আমার শিক্ষাগত সকল কাগজপত্র এর ফটোকপি ছিল সত্যায়িত করা শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে এবং পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে, তারা বলল এগুলোও তারা গ্রহণ করে না। আমি একটা কথাও বললাম না চুপ করে দাড়িয়ে রইলাম আর ভাবলাম চালাকী করায় এখন কি গলায় দড়ি পড়ে গেল নি। সাথে সাথে VO বলল..

VO: আঙ্গুলের ছাপ দিন। (ইংরেজীতে বলেছে)
আমি তো আরো অবাক। কি ব্যাপার আমাকে কোন প্রশ্ন না করেই, প্রথমেই আঙ্গুলের ছাপ দিতে বলল। আমি তো শুনেছিলাম আগে কিছুক্ষন প্রশ্ন করে তারপর আঙ্গুলের ছাপ নেয়। এখন তো দেখছি উল্টো হল। যাই হোক দিলাম। দিয়ে আবার চুপ। এবার শুরু হল AK47 চালানো।

VO: আচ্ছা আপনার S.S.C ও H.S.C পাশের সাল কত? (ইংরেজীতে বলেছে)
আমি দিলাম উত্তর আমার ভাঙ্গা ইরেজী দিয়ে। আল্লাহ জানে সে বুঝছে কিনা। কারণ তার চেহারা ছিল ঠিক মেঘলা আকাশের মত যেন বিজলী আমার বুকের উপর এসে পড়ল। তারপর দ্বিতীয় প্রশ্ন

VO: ব্যাচেলর এর বিষয় কি ছিল? (ইংরেজীতে)
আমি বললাম Bachelor of Science in Computer Science and Engineering । সে বলল CSE মানে সংক্ষিপ্ত ভাবে। আমি বললাম হ্যা। দাতভাঙ্গা ইংরেজী দিয়ে। তারপরের প্রশ্ন

VO: ব্যাচেলর এ আপনার CGPA কত ছিল?(ইংরেজীতে)
আমি সোজাসোজি বললাম, জানি না গ্রামার ঠিক হয়েছে কিনা। এরপরের গুলির বেগ যেন আরো বেড়ে গেল..

VO:মাস্টার্স এর বিষয় কি? সেমিষ্টার কয়টা? দ্বিতীয় সেমিষ্টারের বিষয়গুলো কি কি ? আপনার কি ওখানে জার্মান কোর্স করতে হবে? (ইংরেজীতে)
আমার একটা প্রশ্নের উত্তর শেষ না করায় আরেকটা প্রশ্ন জুড়ে দিচ্ছিল এই প্রশ্ন গুলোর জন্য কোন সময়ই পাচ্ছিলাম না, পর পর করছিল। যাইহোক কোনমত দিলাম। এরপর আবার ব্যাচেলর নিয়ে প্রশ্ন করল আমার মার্কশীট দেখে..

VO: আচ্ছা আপনি কয়টা কোর্স করছেন ব্যাচেলরে? (ইংরেজীতে)
আর এখানেই আমি খটকা লাগায়া দিলাম। আমি ক্রেডিট বলে ফেলছিলাম সে আবারও একই প্রশ্ন করল। তখন আমি বুঝতে পারলাম সে জানতে চাচ্ছে আমি কতগুলো কোর্স করেছি কত ক্রেডিট সেটা না। তারপর বুঝার পর কিছু কিছু বললাম যে আমি ইলেক্টিভ কোর্স করেছি এই কয়টা, সাধারণ কোর্স এই কয়টা ইত্যাদি। তারপর সে আমার মার্কশীট ভাল করে দেখতে থাকলে এবং একটা সাবজেক্ট বের করল Digital Logic

VO: Digital Logic কি আমাকে একটু Overall বুঝান তো? (ইংরেজীতে)
এই নে পড়লাম নি প্যারায়, এই সাবজেক্ট সেই প্রথম সেমিষ্টারে পড়েছিলাম এইটা এখন তারে কিভাবে Overall বলি। আর কি করার বলতে হবেই, ওই Binary আর Octen এবং Decimal এই নিয়ে ২ লাইনে একটু বললাম। আমি তো রিতীমতে শেষ যে আমি কি বললাম আল্লাহ জানে, ইংরেজী কি ঠিক হল না কি ভুল হল কিছুই বুঝতে পারলাম না চিন্তার কারণে। যাইহোক AK47 বন্ধ হল। সে এবার আমাকে বলল

VO: এই নিন পেমেন্ট সিলিপ এটার মাধ্যমে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে আপনার কাগজগুলো আবার ফটোকপি করে অতিসত্তর নিয়ে আসুন। (বাংলায় বলল[আমি তো ভীত হয়ে গেলাম এই বলে যে ম্যাডাম মনে হয় আমার ইংরেজী শুনে পছন্দ করে নাই, তাই সে আমার সাথে বাংলায় কথা বলল])

আমি তাড়াতাড়ি করে প্রথমে গেলাম ফটোকপি করতে, তারপর বুথ থেকে টাকা উঠিয়ে জমা দিলাম। এবং কাগজপত্র গুলো আবার ক্রম অনুযায়ী সাজিয়ে জমা দিলাম। সে কাজ করতেছিল। আমি বসলাম, কাজ শেষে সে আমাকে ডাকলো। আমি ভিতরে ঢুকলাম, সে রীতিমত আমার সাথে আবার আরেকধাপ ইন্টারভিউ নিল, কিন্তু এবার সে সব প্রশ্ন বাংলায় করল।

VO: আপনি মাস্টার্স করার পর কি করবেন? (বাংলায় বলল)
আমি বললাম আমি চলে আসবো (ইংরেজীতে বললাম)

VO: আপনার ভবিষ্যৎ চিন্তা কি? (বাংলায় বলল)
আমি বললাম একটা…..কোম্পানী গঠন করবো?(ইংরেজীতে বললাম)

VO: সে বলল এটা কি এত সহজ?(বাংলায় বলল)
আমি বললাম সমস্যা নেই। আমার বাবা আমাকে টাকা দিয়ে সাহায্য করবে।(ইংরেজীতে বললাম)

VO: সে বলল আপনার বাবা কি করে?(বাংলায় বলল)
আমি বললাম সে ব্যবসা করে?(ইংরেজীতে বললাম)

VO: সে বলল কিসের ব্যবসা?(বাংলায় বলল)
আমি বললাম সে….. ব্যবসা করে(ইংরেজীতে বললাম)

VO: আমাকে একটা ডেলিভারি স্লিপ দিল এবং বলল একমাসের ভিতর আপনি রেজাল্ট পেয়ে যাবেন, যদি না পান তখন অপেক্ষা করবেন।

আমি এখন তাকে বাংলায় বললাম আমার এনরোলমেন্ট এর তারিখতো ১ তারিখ। সে বলল সমস্যা নাই এর মধ্যে হয়ে যাবে যদি না হয় তাহলে অপেক্ষা করবেন। এই বলে স্লিপ নিয়ে ইংরেজীতে Thank you বলে চলে আসলাম।

এখানেই শেষ না, তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে করে ফেললাম এক অঘটন এবং তা হচ্ছে আমি ফটোকপি করার সময় আমার জার্মান সাটিফিকেট B1 করি নাই। এবং সেটা ঠিক ভাবে চেক না করে জমা দিয়ে দিয়েছিলাম। অবশ্য পরের বার VO আমার কাগজ চেক করে নাই। বাসায় এসে যখন দেখলাম B1 আমি জমা দেয়নি সাথে সাথে আবার চলে গেলাম এম্বাসিতে। বললাম আমি সকালে ইন্টারভিউ দিয়ে গিয়েছিলাম একটা ডকুমেন্ট ভুলবশত জমা দিতে পারি নি। এখন কি নিবেন, উনারা বলল VO তো চেক করছেই, যদি কোন কাগজ লাগে তখন আপনাকে ফোন দিবে, তখন এসে জমা করে যাবেন। মানে নিবে না। পরে কাউন্টারে মানে গ্লাসের সামনে গিয়ে বললাম, কারণ মনতো মান ছিল না, তারা বলল একটা খামে করে আপনার ফাইল না্ম্বার, মোবাইল নম্বর, পাসপোট নম্বর এবং খামের উপরের Missing Document লিখে জমা দিন। বাস আর দেরী না করে সাথে সাথে একটা খাম কিনে জমা দিয়ে আসি। এই ছিল আমার ভিসা ইন্টারভিউ অভিজ্ঞতা। এখন বাকিটা আল্লাহ জানে কি হয়।

এখানে উল্লেখ্য বিষয় এই যে, আমি এখানে উপরের প্রশ্নগুলোকে যে AK47 বলেছিলাম আসলে এগুলো খেলনা বন্ধুক। কারণ প্রশ্নগুলো এতই সোজা যে আমার উচিত ছিল আরো সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা। যাইহোক আলহামদুলিল্লাহ যা বলেছি আল্লাহর কাছে তার জন্য হাজারো শুকরিয়া। আর দ্বিতীয়ত VO আমার সাথে বাংলা বলল, সেটা আমি এখনও কোন কারণ খুজে পাচ্ছি না, সেকি আমার উপর রাগ হয়ে বলল নাকি অন্য কোন কারণে সেটা বুঝতে পারছি না। আর সবচেয়ে আশ্চর্য বিষয় হল এই যে, সে দেখলে আমার জার্মান ভাষার কোর্স সে একবারও আমার সাথে জার্মান ভাষা কথা বলল না এমনকি আমাকে Guten Morgen টাও বলল না। আমাকে যদি ইংরেজীতে প্রশ্ন না করে জার্মান ভাষা করতো, আমি ইংরেজী থেকে কিছুটা ভাল উত্তর দিতে পারতাম। আমি বুঝতে পারলাম না যে জার্মান ভাষার কোন সাটিফিকেট লাগে নাকি কারণ তারা লিস্টে কোন জার্মান ভাষার সাটিফিকেট চায় নি। শুধু IELTS চেযেছে। আর তৃতীয়ত আমার IELTS এর পয়েন্ট ছিল ৫.৫ আমাকে এই বিষয়ও কোন কথা জিজ্ঞেস করল না। এসবকারণে আমার কাছে মনে হল এই যে, এম্বাসি এখন অনেকটা শিথিল হয়ে গিয়েছে।

আর পরিশেষে আমি আর কি পরামর্শ দিতে পারি, তবে এতটুকু বলবো। আমাকে এরকম প্রশ্ন করেছে বলে আপনাকেও একই প্রশ্ন করবে সেটা ভিত্তীহীন। তাই আপনারা সকল তথ্য সহকারেই ভিসা ইন্টারভিউ এর সম্মুখীন হবেন। বিশেষ করে মাস্টার্স করতে গেলে এর কোর্স সম্পর্কে ভাল করে জেনে যাবেন আর সাথে সঙ্গী করবেন ব্যাচেলর এর তথ্য গুলো।

সবশেষে এটা বলব আমার যে কি হয় আল্লাহ জানে। আমার জন্য সবাই দোআ করবেন।

Print Friendly