• Home »
  • VISA »
  • জার্মানি ভিসার অভিজ্ঞতা, ২০১৫ঃ প্রতিটি ধাপের বিস্তারিত বিবরণ

জার্মানি ভিসার অভিজ্ঞতা, ২০১৫ঃ প্রতিটি ধাপের বিস্তারিত বিবরণ

 

আমি ইউনিভার্সিটি অফ হ্যানোভার থেকে অ্যাডমিশন কনফার্মেশন পাই নভেম্বর এর ২৪ তারিখ। তখন প্রথমেই জার্মান এম্ব্যাসীর সাইটটা ভিজিট করি এবং বেশ ভালোই ডিরেকশন পাই কিভাবে ভিসার কাজ করতে হবে। সবকিছু ক্লিয়ার ছিল না কিন্তু ভিসার জন্য আবেদন করতে বিশাল হেল্প পাওয়া গিয়েছে ফেসবুকে জার্মান স্টুডেন্টদের গ্রুপ থেকে। আমি এখানে আমার অভিজ্ঞতা, গ্রুপের কিছু ভাইটাল অবজারভেশন এবং টাইমলাইন সবকিছুই লেখার চেষ্টা করছি। মনে রাখবেন, আপনার অভিজ্ঞতা আমার সাথে নাও মিলতে পারে কারণ আমি ২০১৫ -সামার  সেমিস্টার। টাইমলাইনে সব লিখছি, যেটা আপনার সময়ের সাথে ভিন্ন হলেও হতে পারে……

অফার লেটারঃ

আমি কনফারমেশন পেয়েছিলাম ২৪  নভেম্বর (ইমেইলে)। এর ১ মাস পরে বাসার ঠিকানায় ভার্সিটির অফার লেটারের হার্ডকপি এসে পৌঁছায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখলাম যে মেইলে কনফার্মেশন পাওয়ার ১ মাস পরে হার্ডকপি বাসায় আসছে। কোন কোন ভার্সিটি বেশী ভালো, তারা মেইলে কনফার্মেশন পাঠানোর সময় অফার লেটারের সফট কপিটাও সাথে অ্যাটাচ করে দেয় আবার হার্ডকপিটাও ডাকযোগে বাসায় পাঠায়। যদি আপনি মেইলে কোন রেজাল্ট না পান কিন্তু একই ভার্সিটিতে অন্য কেউ মেইল পেয়ে থাকে তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে ভার্সিটির সাথে মেইলে যোগাযোগ করুন, প্রয়োজন হলে ফোন দিন। অনেককেই দেখলাম একমাস পরে অ্যাডমিশন স্ট্যাটাসের জন্য মেইল করে জেনেছে যে তার অ্যাডমিশন হয়েছে, এমন জটিলতা এড়ানোই ভালো।

আপনার অফার লেটার যদি ইংরেজীতে হয়, তাহলে আপনার ভাগ্য খুব ভালো এবং আপনি নিচের প্যারায় চলে যেতে পারেন। অন্যদিকে যদি প্রধান অফার লেটারটা জার্মান ভাষায় হয়, তাহলে সাধারনত আলাদা করে একটা ইংরেজিতে অনুবাদ করা কপিও থাকে অফার লেটারের সাথে। এই ইংরেজি অনুবাদ করা কপিটা খুব কাজে লেগেছে আমার। কারণ বেশিরভাগ ব্যাংকেই জার্মান অফার লেটার গ্রহন করেনা। স্টুডেন্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ওপেন করার জন্য তাই তাদের একটা ইংরেজি কপি কপি দরকার হয়। যদি আপনার ভাগ্য খারাপ হয়ে শুধু জার্মান ভাষায় অফার লেটার পান, তাহলে ভার্সিটিকে একটা ইংরেজী ট্রান্সলেটেড কপির জন্যে যোগাযোগ করে অনুরোধ করুন, ভার্সিটিই তখন সেটা আপনাকে দেবে। ভার্সিটি যদি বলে যে ইংরেজী কপি দিতে পারবে না, তখন যে ব্যাংক জার্মান অফার লেটার একসেপ্ট করে, ওই ব্যাংকেই সকল ব্যাংক সম্পর্কিত কাজ সেরে নিন। নিম্নোক্ত ব্যাংক থেকে ব্লক একাউন্ট এর টাকা ট্রান্সফার করা যায়:

  1. এন সি সি ব্যাংক
  2. ঢাকা ব্যাংক
  3. ট্রাস্ট ব্যাংক

নিচে ব্লক একাউন্ট খোলার এবং টাকা পাঠানোর বিস্তারিত দেওয়া হল:

এম্ব্যাসী অ্যাপয়েন্টমেন্ট: 

আপনি যে দেশেই যান না কেন আপনার প্রথম কাজ এম্ব্যাসীতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া। জার্মানীতে যারা পড়াশোনার জন্য যেতে চান, তাদের জন্য ২০১৫-জানুয়ারি পর্যন্ত ক্লিয়ারকাট ইনস্ট্রাকশনটা এরকম:

আপনাকে student-visa@dhaka.diplo.de অ্যাড্রেসে মেইল করতে হবে এবং মেইল করার সময় আপনার অফার লেটারের একটা স্ক্যানড কপি অ্যাটাচ করতে হবে (জার্মান/ইংরেজী এই জায়গায় ব্যাপার না, তবে জার্মান অফার লেটারটাই মূল)।

মেইল করার সময় আপনাকে আপনার পাসপোর্ট নাম্বার এবং মোবাইল নাম্বার দিতে হবে। মেইলের সাবজেক্ট দিনঃ “Seeking Visa appointment BSc/MSc, Deadline: (enrollment date mentioned in the offer letter)” এবং মেইলের বডিতে খুব বেশি কিছু লিখার দরকার নাই, নিচের টেমপ্লেটটুকুই যথেষ্ট:

Dear Sir,

I have got my offer letter from “University of XXXX” on “YYYY subject” and I have attached the offer letter. Please give me a suitable date for interview.

My passport no: XXXXXX

My mobile no: XXXXXX

Thanks,

-Name of the applicant

এখন স্টুডেন্টদের প্রেশার কম। তাই ডেট চাওয়ার ১ সপ্তাহের ভেতরই ডেট দিয়ে দেয়। অনেক সময় ২-১ দিনের ভেতরই দিয়ে দেয়। আমার রিপ্লাই পাওয়ার ডেট ও ইন্টারভিউ ডেটের মাঝে পার্থক্য ছিল ৩ দিন কিন্তু তখনও আমার প্রিপারেশন ছিল শুন্য (আমি বুধবার রিপ্লাই পাই যে আমাকে রবিবার ভিসা ইন্টারভিউয়ের জন্যে আসতে হবে। তাই আপনাদের বলব যে সব কিছু রেডি হলেই তারপর ডেট চাইবেন।

ভিসা অ্যাপ্লিকেশনের ছবি+হেলথ ইনস্যুরেন্স

ছবিঃ ভিসা অ্যাপ্লিকেশনের ছবি নিয়ে অনেকেই অনেক চিন্তিত এবং মোটামুটি ধরেই রেখেছেন গুলশানের কোন একটা ফটো স্টুডিও থেকে ছবি না তুললে অ্যাম্বাসী তা একসেপ্ট করবে না। আসলে এটি ভুল ধারণা। আপনারা যখন ভিসা অ্যাপ্লাই করছেন তখন এই সাইটে ছবি রিলেটেড ডকুমেন্টটা একবার পড়েন এবং সেভাবে ইনস্ট্রাকশন দিয়ে বাংলাদেশের যেকোন ফটো স্টুডিও থেকেই ছবি প্রিন্ট করিয়ে নেন, কোন সমস্যা নেই। প্রিন্ট করার সময় শুধু বলবেন যে শেনজেন ভিসার সাইজ। নিচের ছবিটা দেখলে সহজেই বুঝতে পারবেন ।

.
হেলথ ইনস্যুরেন্স: এখন ভিসা অ্যাপ্লিকেশনে নতুন একটা ডকুমেন্ট দেখলাম চেয়েছে হেলথ ইনস্যুরেন্স নিয়ে। এটা নিয়ে টেনশন করার কিছু নেই এবং এটা করা একটা দিক দিয়ে ভালো কারণ এই দেশে অসুখ হলে এবং হেলথ ইনস্যুরেন্স না থাকলে সেটা খুবই ভয়াবহ ব্যাপার। আপনারা হেলথ ইনস্যুরেন্স বাংলাদেশ থেকেই করবেন এবং এই রিলেটেড কিছু সাজেশন: 
  • এলেবেলে কোন ইনস্যুরেন্স থেকে এটা করবেন না। আপনারা এই লিংকে যেয়ে একটা লিস্ট পাবেন যেখানে দেওয়া আছে কোন কোন ইনস্যুরেন্স কোম্পানী একসেপ্টেড। ওগুলোর যেকোন একটা থেকে করলেই হবে (খরচের ব্যাপারটা আপনার উপর, অ্যাম্বাসীর কাছে এই লিস্টের সবগুলোই চলবে)
  • এই লিস্টে দেখবেন সবগুলো ইনস্যুরেন্স কোম্পানীর ফোন নাম্বার আছে। তাদের ফোন করে “শেনজেন ভিসায় ট্রাভেল করতে জার্মানী যাবেন তাই হেলথ ইনস্যুরেন্স লাগবে” এই বাক্যটা বলবেন, বাকিটা ওরাই বলে দিবে। কত টাকা লাগবে, কতদিন সময় লাগবে ইত্যাদি
  • ইনস্যুরেন্স কোম্পানীকে বলবেন যে মাস থেকে আপনার ক্লাস শুরু সেই মাস থেকে আপনাকে ৩ মাসের ইনস্যুরেন্স দিতে। কোনভাবেই ভিসা অ্যাপ্লাই করার ডেট থেকে না কারণ ভিসা অ্যাপ্লাই করার ৩ মাস পরেও অনেকেই ভিসা নাও পেতে পারে (বিশেষ করে ল্যাংগুয়েজ কোর্সের যারা)
  • ইনস্যুরেন্স জার্মানী আসার সময় পাসপোর্টের মতই গুরুত্বপূর্ন ডকুমেন্টগুলোর সাথেই রাখবেন 🙂
  • জার্মানীতে এসে আপনাকে জার্মান কোন প্রভাইডার থেকে নতুন করে ইনস্যুরেন্স করতেই হবে। তার আগ পর্য়ন্ত বাংলাদেশ থেকে আনা হেলথ ইনস্যুরেন্স ভ্যালিড

ডকুমেন্ট তৈরী করাঃ

জার্মানীতে অ্যাপ্লাই করার সময় আপনার নিচের প্রতিটা ডকুমেন্টের ২কপি ফটোকপি লাগবে- (১) অফার লেটার (২) বিএসসি সার্টিফিকেট (৩) বিএসসি ট্রান্সক্রিপ্ট (৪) এইচএসসি সার্টিফিকেট (৫) এইচএসসি গ্রেডশীট (৬) এসএসসি সার্টিফিকেট (৭) এসএসসি গ্রেডশীট (৮) এসএসসি অ্যাডমিট কার্ড (৯) এইচএসসি অ্যাডমিট কার্ড (১০) এসএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ড (১১) এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ড (১২) আপনার ল্যাংগুয়েজ কোর্সের রেজাল্টশীট (আই.ই.এল.টি.এস বা টোফেল স্কোর) (১৩) ব্লক অ্যাকাউন্ট সার্টিফিকেট (১৪) অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম (এই লিংকে পাওয়া যাবে সেটা) (১৫) পাসপোর্ট

আপনাকে অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ৩ কপি দিতে হবেঃ এক কপি অরিজিনাল এবং বাকি ২ কপি ফটোকপি। আপনি যেটা করবেন তা হলোঃ অ্যাপ্লিকেশন ফর্মটা এডিটেবল পিডিএফ, তাই ওটা পূরন করে ৩ কপি প্রিন্ট নিবেন, কাজ শেষ।

আপনার ২কপি ছবি প্রয়োজন এবং ছবির জন্যে আলাদা ইনস্ট্রাকশন রয়েছে এই লিংকে

ব্লক অ্যাকাউন্টঃ

জার্মান ভিসার জন্যে অ্যাপ্লাই করার সময় আপনাকে একটা ব্লক অ্যাকাউন্টে ৮০৪০ ইউরো দেখাতে হবে। আমার এই ব্লক অ্যাকাউন্ট নিয়ে ভালোই ঝামেলা পড়তে হয়েছে। আমি প্রথমে গ্রুপ থেকে যা বুঝলাম এন সি সি ব্যাংক , ঢাকা ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক ব্লক একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে থাকে। আপনারা উপরোক্ত ৩টি ব্যাংকের যেকোন AD ব্রাঞ্চে যোগাযোগ করবেন। ব্যাংকে আপনাকে ৪ টা ডকুমেন্ট দেখাতে হবে। যাওয়ার সময় এই ডকুমেন্টগুলো প্রস্তুত করে সাথে নিয়ে যাবেন ।

১। এম্ব্যাসি স্টুডেন্ট ভিসার রিকোয়ারমেন্ট লিস্ট পেজ (ব্লক একাউন্টের ব্যাপারে যে লাইন আছে, ওই লেখাটা মার্কার দিয়ে দাগ দিয়ে নিয়ে যাবেন পারলে)
২। Deutsche Bank-এর একাউন্ট খোলার ফর্মের প্রথম দুই পেজ ( ২য় পেজে রিফান্ড পলিসিটা মার্কার দিয়ে দাগ দিয়ে নিয়ে যাবেন পারলে)
৩। Deutsche Bank-এর একাউন্টের বিস্তারিত।
৪। আপনি যে ইউনিভার্সিটি থেকে অফার লেটার পেয়েছেন, সেই ভার্সিটির অফার লেটারটা প্রিন্ট করে করে সাথে নিয়ে যাবেন।

প্রথমে আপনার সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে হবে। তারপর স্টুডেন্ট ফাইল খুলতে হবে। স্টুডেন্ট ফাইল ওপেন করার চার্জ সাধারনত ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকার ভিতর হয়ে থাকে। স্টুডেন্ট ফাইল খোলা হলে আপনার টাকা পাঠানোর সব রেডি। এখন শুধু টাকা জমা করবেন, বাকিটা ব্যাংক সব ট্রান্সফার কমপ্লিট করে একটা সুইফট ট্রানজেকশনের পেপার দিবে আপনাকে।

ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম: 

ব্লক একাউন্ট খোলার পরের কাজ হল ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফরম ফিলআপ। সকল তথ্য ঠিকমত দিয়ে ফরম ফিলআপ করুন। এখানে কোন তথ্য ভুল থাকলে আপনাকে ঝামেলায় পড়তে হবে। আমি আপনাদের সুবিধার জন্য বর্তমান ফরমটা ডামি ডাটা দিয়ে পূরণ করে দিচ্ছি।

ভিসা এপ্লিকেশন ফরম: https://copy.com/6f9vZ27ICkz0cqdw

ভিসা ইন্টারভিউ: 

আপনার ১৫টা ডকুমেন্টের সবকটাই রেডি করে নির্ধারিত দিনে সকাল ৮:৩০ এর মাঝেই এম্ব্যাসীতে চলে যান (যদিও ৯টা বলা থাকে কিন্তু রাস্তার অনাকাঙ্খিত জ্যামটাও আপনার মাথায় রাখতে হবে)। এম্ব্যাসীতে ভিতরে প্রথমে একজন সব ডকুমেন্ট জমা নিবে এবং মিলিয়ে দেখে বলবে তার আরও কোন ডকুমেন্ট দরকার আছে কিনা। এরপর আপনার ডকুমেন্টগুলো দেখে সে আপনাকে ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার স্লিপ দিবে এবং আপনাকে বলবে ইন্টারভিউয়ের জন্যে যেতে। ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া ও ভিসা-ইন্টারভিউ দেওয়া ২টা আলাদা জিনিস এবং একেকজনকে একেকটা কাজ আগে করতে বলবে। আপনাকে যা বলবে সেভাবেই করবেন।

ভিসা ইন্টারভিউ যিনি নেন তিনি একজন জার্মান এবং তিনি আপনাকে আপনার স্টাডি, ব্যাকগ্রাউন্ড, ফ্যামিলি, জার্মানীতে যেয়ে কি করবেন, পাস করে কি করবেন এসব নিয়ে প্রশ্ন করবেন। সুন্দরমত সব উত্তর দিন এবং আপনি কত তারিখে যেতে চাচ্ছেন জার্মানীতে সেটা তাকে জানান যাতে তিনি আপনার জন্যে সেভাবে রিকমেন্ড দিয়ে রাখতে পারেন।

আমাকে মাত্র ৪টা প্রশ্ন করেছিল। আপনাদের সুবিধার জন্য সেগুলো দিয়ে দিলাম।

  1. আমার ভার্সিটির নাম।
  2. আমার প্রোগ্রামের নাম।
  3. কোর্স মডিউল-এর বিস্তারিত।
  4. জব এক্সপেরিয়েন্স-এর বিস্তারিত।

আপনারা কোর্স মডিউলটা ভাল করে দেখে যাবেন। আর এখন প্রতি মডিউলে IELTS এ পৃথকভাবে 6.0 না পেলে ইন্টার্ভিউ নেয় না। তাই আপনাদের IELTS এ কোন মডিউলে ৬ এর কম থাকলে আবার IELTS দিয়ে এম্ব্যাসিতে যান।

শেষকথা: 

এই মোটামুটি পুরো ব্যাপারটা। মেইল করা, ব্লক অ্যাকাউন্ট খোলা, ডকুমেন্ট ম্যানেজ, অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ফিলআপ সব নিজেই করেছিলাম এবং বিশ্বাস করুন আপনার কোন রকমের কোন ধরনের কোন প্রকারের দরকার নাই কোন ভিসা প্রসেসিং এজেন্সীকে টাকা দেওয়ার। প্লিজ আপনার মূল্যবান অর্থ এরকম অপচয় করবেন না। আপনার যেকোন সমস্যায় ফেসবুকে গ্রুপে  জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন, সাহায্য করতে পারলে আমরা খুশীই হবো। শুভকামনা সবসময় :-).

লেখকঃ আল কাফি খান

তথ্য সূত্র ঃ http://bsaagweb.de/student-visa-experience-germany

#BSAAG_VISA_Interview

 

Print Friendly, PDF & Email