জার্মানির পথে

Contents

 

বিসাগের এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে আমরা একটা সামান্য উদাহরণ তৈরি করছি। আমাদের উদ্দেশ্য দেশের জন্য কিছু একটা করা, দেশ মানে আমাদের কাছে সবার প্রথমে দেশের মানুষ। আমরা বিশ্বাস করি জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা, চাকরি, পিএইচডি ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে আমরাই বাংলাদেশের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য সঠিকতর পথপ্রদর্শক। আমাদের হেঁটে আসা পথের ভুলত্রুটি যেন নতুন প্রজন্মের পথ চলার অন্তরায় না হয়, সেই লক্ষ্যে আমাদের উদ্দেশ্য। অনেক তথ্যের মাঝে সঠিক ইনফরমেশনটি আমরা খুঁজে দেব তোমাদেরকে। জার্মানিতে শুধু একটা ভিসা নিয়ে আসা নয়, এখানে যেন তোমরা প্রত্যেকে নিজেকে সফল করে প্রতিষ্ঠিত করতে পার, তার জন্য প্রতিটি পদে পদে থাকবে আমাদের গাইডলাইন।  সফল হবার ফর্মুলা আমাদের জানা আছে, আমাদেরকে বিশ্বাস করে সেই পথে যদি তোমরা চলতে পার, তবে সাফল্য তোমাদের হাতে ধরা দেবেই।

এই সিরিজে থাকছে জার্মানিতে আসার আগের প্রস্তুতি থেকে শুরু করে এখানে আসার পর জীবনযাত্রায় আবশ্যক প্রতিটি পদের ব্যাখ্যা। আমাদের ওয়েব সাইট এবং গ্রুপে দেওয়া আছে প্রায় প্রতিটি খুঁটিনাটি ইনফরমেশন, যদিও এই সবকিছু একদিনে প্ল্যান করে করা হয়নি। এই কারণে অনেক তথ্যই একাধিকবার আছে, অনেক তথ্য সাজানো হয়নি সময়ানুক্রমে। চেষ্টা থাকবে এই সিরিজের আওতায় সবকিছুকে ঢেলে সাজানোর জন্য, যেন এই একটি সিরিজের থেকেই প্রয়োজনীয় সব ধাপ খুঁজে নেয়া যায়।

জার্মানির পথে-১: বিসাগের হাত ধরে

জার্মানিতে আসা নিয়ে এমন কাজ এর আগে হয়েছে এমন জানা নেই। কোন সন্দেহ নেই যে, খুব সহজ হবে না এই মহাযজ্ঞ শেষ করা। তবে ভরসা আছে এই ভেবে যে, আমরা যখন দুই বছর আগে বিসাগ শুরু করেছিলাম, তার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের ছাত্র ছাত্রীদেরকে এই দেশে পথ প্রদর্শন করার কথা কেউ ভাবেনি। এবং আমরা সেটাতে এখনো পর্যন্ত সফল। কাউকে না কাউকে শুরু করতেই হয়, আপাতত না হয় আমরাই এই গুরু দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলাম। আমাদের অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্য থাকল বিসাগের ২০ হাজার সদস্য আর শতাধিক ভলান্টিয়ার, বাংলাদেশে এবং জার্মানিতে।

জার্মানির পথে-২: বিদেশে প্রথম দিনগুলি

প্রথম বিদেশ যাত্রা আমাদের জীবনের খুব বড় একটা ঘটনা। বিশেষ করে আমাদের দেশ ও সংস্কৃতির সাথে জার্মানির পার্থক্য এত বেশি যে এই সামান্য ভ্রমণটুকু বদলে দেয় আমাদের সমগ্র চেনা জগত। এই পার্থক্যের সবটুকুই যে খারাপ তা নয়, তবে ভালটাও এত বেশি ভাল যে সেটা বিশ্বাস হতে হতে সবাই একটু নাড়া খেয়ে যায়। জার্মানিতে এসে প্রথমে সবাই এক বড় ধরণের অনিশ্চয়তায় ভুগে, এই অনিশ্চয়তার মূল কারণ শুধুমাত্র এই দেশের কালচার আর জীবন ধারণের অনেক সহজাত বিষয়ে অজ্ঞতা কিংবা ভ্রান্ত ধারণা। এই লেখার মাধ্যমে প্রচেষ্টা থাকবে জার্মানিতে আসার পর প্রথম দিনগুলোতে নতুনদের জন্য সহজ করে তোলা যায় কিনা।

জার্মানির পথে-৩: জার্মানিতে ব্যাচেলর- প্রতিকূলতা বনাম সম্ভাবনা

আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, বেশীরভাগ ছেলেপেলেই পূর্বপ্রস্তুতি না নিয়ে শুধুমাত্র একটা ভিসা নিয়ে ইউরোপে পাড়ি দেবার আশায় এখানে আসতে চায়। এদের জন্য অপেক্ষা করছে চরম দুর্ভোগ। একদিকে ভাষা জানা ছাড়া এখানে যেমন বাসা পাওয়া থেকে শুরু করে জব পাওয়া পর্যন্ত সব জায়গাতেই এদের স্ট্রাগল করতে হবে, অন্যদিকে জব খোঁজা, ভিসার মেয়াদ শেষ হবার টেনশন ইত্যাদিতে ঠাণ্ডা মাথায় পড়ার টেবিলে বসার সময়ও এদের হয়ে ওঠে না। এরা যেমন নিজেরা এই দেশে এসে সফল হতে পারবে না, তেমনি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও এরা বিফলতার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

জার্মানির পথে-৪: উচ্চশিক্ষা ও জীবনযাত্রার খরচের নমুনাচিত্র

টিউশন ফি না থাকায়, জার্মানিতে পড়ার জন্য যা দরকার তা হল থাকা খাওয়ার খরচ। অন্যান্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশের চেয়ে জার্মানির খরচ তুলনামূলক ভাবে কম, বিশেষ করে স্ক্যান্ডিন্যাভিয়ান দেশগুলোর সাথে তুলনা করলে। জীবনযাত্রার খরচ অবশ্যই প্রত্যেকের লাইফ স্টাইলের উপর নির্ভর করে, তারপরও এখানে একটা ধারণা দেয়া হল।

জার্মানির পথে-৫: কোন ইউনিভার্সিটি আমার জন্য সঠিক

জার্মানিতে ১৭৫টি শহর ও উপ-শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে সব মিলিয়ে ৩৮০ টি স্বীকৃত ইউনিভার্সিটি রয়েছে। এইসব ভার্সিটিতে প্রদান করা হয় প্রায় ১৫,০০০ কোর্স। আমেরিকা বা কানাডার মতন জার্মানিতে ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং খুব জনপ্রিয় কোন বিষয় নয়। এর কারণ মূলত এই যে, জার্মানিতে পড়াশোনা ফ্রি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ফান্ডিং আসে মূলত স্টেট থেকে, যার পরিমাণ বন্টন করা আছে ইউনিভার্সিটির ছাত্র সংখ্যা, রিসার্চ ইত্যাদির উপর। আমেরিকা কানাডার মতন এখানে ভার্সিটিগুলো ফান্ডিং এর উপর বাহিরের দেশের ছাত্রছাত্রীদের উপর নির্ভরশীল নয়। একারণে জার্মানির প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় যেমন খুব উঁচু মান বজায় রাখে, তেমনি ছাত্রছাত্রীদের আকর্ষন করার জন্য এদেরকে র‍্যাঙ্কিং এর উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং জার্মানিতে পড়তে আসলে ইউনিভার্সিটির র‍্যাঙ্কিং নিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজন নেই বললেই চলে।

জার্মানির পথে-৬: এক নজরে জার্মানির সকল ইউনিভার্সিটি

এই পর্বে জার্মানির সব ইউনিভার্সিটির নাম, শহর ও ছাত্রছাত্রী সংখ্যা তালিকাবদ্ধ করা হল। ইউনিভার্সিটির নামের উপর ক্লিক করলে DAAD এর সাইটে প্রতিটি ভার্সিটির সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও সাইটের লিংক পাওয়া যাবে। একই সাথে থাকছে ডাউনলোডের জন্য সব ইউনিভার্সিটির ডাটাবেস নিয়ে করা এক্সেল ফাইল।

জার্মানির পথে-৭: ব্লু-কার্ড, প্রবাসীদের জন্য জার্মানির দরজা 

অর্থনীতি যতই শক্তিশালী হতে থাকুক, একটা ব্যাপারে জার্মানি পিছিয়ে ছিল অনেকদিন থেকেই। আর সেটা হল ঋণাত্মক জন্মহার। এই দেশে কাজ শেষ করার পর সব বুড়োবুড়ি মোটা অঙ্কের পেনশন পায়, সেই টাকার যোগান হয় মূলত যারা কাজ করছে তাদের দেয়া ট্যাক্স থেকে। এই দেশের প্রচলিত সিস্টেমের জন্য আরেকটা খারাপ খবর ছিল চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি। বুড়োবুড়িরা সহজে মরছে না, কিন্তু সরকার বাধ্য থাকছে তাদেরকে মৃত্যু পর্যন্ত পেনশন ও চিকিৎসা ভাতা দিতে। একসময় জার্মানদের উপলব্ধি হল, জন্মহার কম থাকায় কোনভাবেই সব কর্মরত শ্রমিকদের ট্যাক্স দিয়েও একসময় আর পেনশনের ভাতা যোগাড় করা সম্ভব নয়। ধারণা করা হয়, আনুমানিক ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের পর থেকেই পেনশন ভাতা দেয়ার জন্য অন্য পথ খুঁজতে হবে সরকারকে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে ২০১২ সালের আগস্ট মাস থেকে খুলে গেল জার্মানিতে বিদেশীদের কাজ করার পথ। এইবার আগেকার কঠিন অবাস্তব নিয়ম কানুন বাদ দিয়ে ঢেলে সাজানো হল বিদেশী দক্ষ কর্মী নেবার আইন কানুন গুলোকে। চালু হল জার্মানিতে ব্লু-কার্ড।

জার্মানির পথে-৮: উচ্চশিক্ষার যোগ্যতা  (পর্ব-১)

যেহেতু জার্মানিতে টিউশন ফি নেই, পড়াশোনা এখানে কোন পণ্য নয় এবং একই সাথে সকল বিশ্ববিদ্যালয় একটা নির্দিষ্ট মান বজায় রাখে – এই দেশে পড়তে আসতে হলে ছাত্রছাত্রীদেরও একটা বিশেষ যোগ্যতার কথা খেয়াল রাখতে হবে। আর সেটা হল, একটা নির্দিষ্ট মান নিয়ন্ত্রণ! কোনমতে শুধু একটা ডিগ্রী সার্টিফিকেট নিয়ে জার্মানিতে পড়তে আসাও যেমন উচিত হবে না, তেমনি সত্যিকার অর্থে যাদের উচ্চশিক্ষার যোগ্যতা নেই, তারা আসলে জার্মানিতে পড়ার জন্য যোগ্য নয়।

জার্মানির পথে-৮: উচ্চশিক্ষার যোগ্যতা  (পর্ব-২)

জার্মানিতে পড়ার জন্য সাধারণ ন্যুনতম যেসব একাডেমিক যোগ্যতা প্রয়োজন আছে, তাদের একটি তালিকা এখানে দেয়া হল। জার্মানির প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসিত, একারণে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব রিকিউরমেন্ট থাকে যেটা কিনা শুধুমাত্র কোর্সের ওয়েব লিংকে গিয়েই দেখা যাবে। এখানে একটা সাধারণ ধারণা দেওয়া হল, কোন লেভেলে কি কি ন্যূনতম যোগ্যতা থাকা আবশ্যক।

জার্মানির পথে-৯: কোর্স খোঁজা

সঠিক কোর্স বাছাই করা শহর বা বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই করার থেকে বেশী জরুরী। যদি পছন্দের একই বা কাছাকাছি কোর্স দুইটি ইউনিভার্সিটিতে অফার করে, তাহলেই শুধুমাত্র ইউনিভার্সিটি নিয়ে তুলনা করা যাবে, অন্যথায় নয়! একইভাবে, প্রথমে কোর্স এবং ইউনিভার্সিটি বাছাই করতে হবে, তারপর শহর নিয়ে চিন্তা করা যেতে পারে।

জার্মানির পথেঃ১০ কেন জার্মান ভাষা শিখব

জার্মানিতে আসতে চাইলে সবচেয়ে আগে যে উপদেশটি আমি ছাত্রছাত্রীদের দিয়ে থাকি, সেটা হল জার্মান শেখা।  অনেকেই বলে জার্মান শেখা কঠিন, এত সময় কই ইত্যাদি। কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, জার্মান শেখা আসলে একটি নতুন দেশে এসে সফল হবার মূল চাবিকাঠি। জার্মান না শেখার কারণে পড়াশোনা চলাকালীন সময় থেকে শুরু করে পরবর্তিতে চাকরী খোঁজা থেকে সামাজিক জীবনে যে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হয়, তার কাছে আগে থেকেই জার্মান শেখা অনেক বেশী সহজ এবং বুদ্ধিমানের কাজ।

জার্মানির পথে-১১: জার্মানিতে স্বীকৃত সকল বাংলাদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা

বাংলাদেশের সকল সরকারী এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয় যাদের ডিগ্রিকে জার্মানিতে সরাসরি স্বীকৃতি দেয়া হয়, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং প্রতিষ্ঠানের নাম, স্থান এবং স্ট্যাটাসের তালিকা এই পর্বে দেয়া হল। তুমি যদি এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে পড়ে থাক, তাহলে জার্মানিতে তোমার ডিগ্রী সরাসরি গন্য করা হবে। মনে রাখবে, মাস্টার্সে ভর্তির জন্য বাংলাদেশ থেকে করা ৪ বছরের ব্যাচেলর গন্য করা হয়। একইসাথে এইসব ইউনিভার্সিটিগুলো থেকে ২ বছর সফলভাবে পড়া সম্পন্ন করা থাকলে জার্মানিতে ব্যাচেলরে সরাসরি ভর্তি হওয়া সম্ভব, স্টুডেন্টকলিগ করা ছাড়াই।

জার্মানির পথেঃ১২ জার্মানিতে কোন স্টেটে কেমন টিউশন ফি, কবে পরবর্তি সিদ্ধান্ত

জার্মানিতে শিক্ষানীতি বিশেষত টিউশন ফি থাকবে কি থাকবে না, থাকলেও কত টাকা ইত্যাদি এই জাতীয় সিদ্ধান্ত গুলো আসে জার্মানির ১৬টি রাজ্যের স্থানীয় সরকার থেকে। প্রতিটি রাজ্য এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ স্বাধীন ভাবে নিতে পারে। অন্য রাজ্যের সিদ্ধান্ত এখানে কোন ধরণের প্রভাব ফেলে না। এই সিদ্ধান্ত প্রতি চার বছরে রাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধির অদল বদলের কারনে নতুন করে নির্ধারন করা হতে পারে। যেহেতু সব রাজ্যের নির্বাচন একই সময়ে হয় না। সুতরাং যেই রাজ্যে আমি পড়তে যেতে আগ্রহী, তাদের পরবর্তি সাধারণ  নির্বাচনের দিকে নজর রাখতে হবে।

জার্মানির পথেঃ১৩ জার্মানিতে স্পন্সরশীপের বিস্তারিত নিয়মাবলী

জার্মানি যেতে সবচেয়ে বড় বাঁধাগুলোর একটি ব্লক একাউন্ট দিয়ে ৮ হাজার ইউরো দেখানো। অনেকের জন্যই একটা বিশাল দেয়ালের মতন, আবার টাকা দেখানোর পরেও টাকা পাঠানো নিয়ে অনেক ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়। অনেককে আবার জার্মানিতে আসার পরে ব্লক একাউন্ট দেখাতে হয়, কোন কোন ক্ষেত্রে সেটা দ্বিতীয় বছরেও চাওয়া হয়। এই বাঁধা পাশ কাটানোর সবচেয়ে কার্যকরী উপায়টির নাম স্পন্সরশীপ।

জার্মানির পথেঃ১৪ জার্মানিতে স্কলারশীপ (পর্ব-১)

অনেকেই বুঝতে পারে না কেন বিদেশী ইউনিভার্সিটিগুলো আদৌ স্কলারশীপ দেয়। আমি নিজেও একসময় ভাবতাম মেধাবী ছাত্র হলে, ফলাফল ভাল হলে কিংবা টোফেলের ভাল স্কোর হলে বিদেশ থেকে আদর করে প্লেনের ভাড়া দিয়ে নিয়ে যায়। অনেক বছরের অভিজ্ঞতায় এখন বুঝতে পারি যে, স্কলারশীপ বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর জন্য এক ধরণের বিজ্ঞাপন বৈ আর কিছুই নয়। বাজারে পণ্য বিক্রি করলে যেমন প্রথম দশটা লটারি করে বিনা পয়সায় দেয়া হয়, আর সেই লোভে অনেকেই সেই পণ্য কেনে, তেমনি স্কলারশীপ বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর জন্য ছাত্র ছাত্রী আকর্ষণ করার একটি উপায় মাত্র। দশজনকে বিনামূল্যে পড়িয়ে সেই বিজ্ঞাপন দিয়ে বাকি কয়েক হাজার বিদেশী ছাত্রছাত্রীর থেকে মোটা অংকের টিউশন ফি হাতিয়ে নেয়ার একটি চমৎকার মোড়ক হল স্কলারশীপ।

আদনান সাদেক, ২০১৩-২০১৫

লেখকের কথা

Print Friendly
Adnan Sadeque
Follow me

Adnan Sadeque

লেখকের কথাঃ
http://bsaagweb.de/germany-diary-adnan-sadeque

লেখক পরিচয়ঃ
http://bsaagweb.de/adnan-sadeque
Adnan Sadeque
Follow me