রাতের অন্ধকারে বার্লিনের সৌন্দর্য

 

শুধু দিন নয়, রাতের বেলায়ও বার্লিন শহরের রূপ ভোলার নয়৷ শীতের রাতে শহরের কিছু প্রান্তের আকর্ষণীয় দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে৷

নলেনডর্ফপ্লাৎস এলাকায় ‘গোয়া’ হল

বার্লিনের শ্যোনেব্যার্গ পাড়া বিংশ শতাব্দীর শুরুতেই সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছিল৷ গত কয়েক দশকেও এই এলাকায় কয়েকটি কনসার্ট হল ও নাচের ক্লাব গড়ে উঠেছে৷ আছে বেশ কিছু পানশালাও, যেখানে সমকামীদের ভিড় হয়৷

ওয়াটারগেট

স্প্রে নদীর ধারে নতুন এই ভবনটির নাম ‘ওয়াটারগেট’ রাখা হয়েছে৷ ইলেকট্রনিক মিউজিক যাঁরা পছন্দ করেন, তাঁদের একটি ক্লাব এখানে রয়েছে৷ ভবন থেকে চোখে পড়ে বাইরের এই মনোরম দৃশ্য৷ সারারাত হইচই করে ভোর পর্যন্ত থাকলে সূর্যোদয়ও দেখা যায়৷

প্যারিস বার

১৯৫০ সালে তৎকালীন পশ্চিম বার্লিনে খোলা হয়েছিল এই রেস্তোরাঁ৷ ফরাসি বাহিনীর এক পাচক এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন৷ অনেক শিল্পী ও প্রখ্যাত ব্যক্তিরা এটিকে নিজেদের বসার ঘর বলে গণ্য করতেন৷ তবে ভিতরের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে অনেকেরই অসুবিধা হয়েছিল৷

থিয়েটার, সিনেমা, জ্যাজ ক্লাব

পাশাপাশি মনোরঞ্জনের তিন বিখ্যাত গন্তব্য৷ থিয়েটার অফ দ্য ওয়েস্ট, যেখানে মিউজিক্যাল-এর নাচগান উপভোগ করা যায়৷ পাশেই ডেলফি সিনেমা হল, যেখানে বিকল্প ধারার ছবি দেখানো হয়৷ সিনেমার ঠিক নিচে মাটির তলায় ‘কোয়াসিমোদো’-তে জ্যাজ সংগীতের আসর বসে৷

অ্যাডমিরাল প্রাসাদ

গত শতাব্দীর বিশের দশকে তৈরি হয়েছিল ফ্রিডরিশস্ট্রাসে বা ফ্রিডরিশ স্ট্রিটে অবস্থিত মনোরঞ্জনের এই ভবনটি৷ এখনো প্রায় অক্ষত রয়েছে এটি৷ তবে কিছু সংস্কার চালিয়ে ২০০৬ সালে সেখানে কনসার্ট, থিয়েটার ও অন্যান্য শো দেখানো হয়৷

লেনিনার প্লাৎস-এর মঞ্চ

শহরের প্রাণকেন্দ্র কুডাম-এ গোলাকার এই ভবনটিতে রয়েছে বিশাল থিয়েটার হল৷ ১৯২৮ সালে অবশ্য সেটি সিনেমা হল হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন বিখ্যাত স্থপতি এরিশ মেন্ডেলসোন৷ সঙ্গে রয়েছে একটি কাফে ও বার৷

আউগুস্টস্ট্রাসে সড়কে গ্যালারি

যারা শিল্পকলা পছন্দ করেন, তাদের জন্য আউগুস্টস্ট্রাসে সড়কটির আকর্ষণ কম নয়৷ নাৎসি আমলের আগে এটি ছিল ইহুদিদের পাড়া৷ ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীর পতনের পর অনেক শিল্পী এই সড়কের অনেক বাড়ি দখল করে ফেলেন৷ আজ এখানে অসংখ্য গ্যালারি রয়েছে৷ রাতে সেগুলি আলোকিত থাকে৷

জানদার্মেনমার্ক্ট

অপূর্ব সুন্দর এই দৃশ্য দেখা যায় জানদার্মেনমার্ক্ট এলাকায়৷ জার্মান ক্যাথিড্রাল গির্জা ও কনসার্ট ভবন এলাকায় শহরের এলিট শ্রেণির বেশ যাতায়াত আছে৷ নিউটন বার ও অ্যাসফাল্ট ক্লাব বেশ জনপ্রিয়৷

সূত্র~ ডয়েচে ভেলে বাংলা

#BSAAG_Miscellaneous

#BSAAG_DW_Articles

Print Friendly, PDF & Email