• Home »
  • Bachelors »
  • ছোটবেলা থেকেই যে স্বপ্ন ছিল- একদিন বিদেশ যাব

ছোটবেলা থেকেই যে স্বপ্ন ছিল- একদিন বিদেশ যাব

 

ছোটবেলা থেকেই যে স্বপ্ন ছিল- একদিন বিদেশ যাব , এটা বললে একটু বেশি বেশি হয়ে যায় । তবে সত্যি কথা বলতে ভাবতাম আহা যদি একবার যাওয়া যেত। বোধ করি আমাদের ইন্দো এশিয়ার সকলেই জীবনে কখনো না কখনো এই অনুভূতির শিকার হয়েছেন। যাকে আমার এক বান্ধবী নাম দিয়েছিল অনুভূতির বুলডুজার। তো সেই বুলডুজার এর শিকার হোক বা নিজস্ব উদ্যোগেই হোক ২০১৩ এর সেপ্টেম্বর মাসে জার্মানি তে আমার আগমন ঘটে।

University of Bonn এবং RWTH Aachen University এর যৌথ উদ্যোগে ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় Bonn-Aachen International Center for Information Technology (B-IT) ,সহজে সবাই যাকে বলে বি আই টি । হোম পেজ এর লিঙ্কটা দেয়া হল,ঘুরে দেখতে পারেন http://www.b-it-center.de/Wob/en/view/class211_id4.html

এবার একটু এর ভেতরের খবর বলি। বি আই টি এমন একটা ইন্সিটিউট যেখানে মোটামুটি সব ব্যাকগ্রাউন্ড এর স্টুডেন্টরাই অ্যাপ্লাই করতে পারে। physics,chemistry,pharmacy,pure biology (botany,zoology),computer science,IT,mathematics,Medical এর স্টুডেন্টদের আমি জানি (ভিনদেশীও) যারা এখানে পড়ছে,আমি নিজে বোটানির স্টুডেন্ট ছিলাম ব্যাচেলর এ। কারন হল বি আই টি এর কোর্স গুলো computer science এবং biology এর কম্বিনেশন। মোটামুটি হাল্কা বায়োলজি ব্যাকগ্রাউন্ড থাকলেই এখানে এডমিশন পাওয়া যায়। কিন্তু এমন না যে কম্পিউটার সায়েন্স এর খুব ভাল ব্যাকগ্রাউন্ড থাকতে হবে।কারন ওরা জানে ওটা শিখিয়ে নিতে হবে আর সেইভাবেই course গুলো করা।

এখন কথা হচ্ছে যেই ইন্সিটিউট এর কথা কেও হেন কালে শোনেনি তার কথা কেন বলছি। কারন হচ্ছে ফান্ড। বি আই টি তে Fraunhofer-SCAI (http://www.scai.fraunhofer.de/ ), নামে এক রিসার্চ ইন্সিটিউট স্পন্সর করে,যারা প্রত্যেক সেশনে এডমিশন এর সময় কিছু স্টুডেন্ট নেয় student assistantship cotract এ। সেখানে যেমন monthly funding দিচ্ছে ওরা তেমনি কাজ ও শিখিয়ে নিচ্ছে ,যেখানে পরে চাইলে ওই স্টুডেন্টরা masters thesis (paid)করতে পারে। আরেকটা অপশন হচ্ছে বি আই টি তেই chemoinformatics এর research কাজ হয়, সেখানেও একই ভাবে স্টুডেন্ট নেয়া হয়। এছাড়াও Max planck research institute (http://www.mpg.de/151260/pflanzenzuechtungsforschung?section=pf ), বি আই টি এর স্টুডেন্টদের কাজের জন্য preference দেয়(এটা অবশ্য admission এর সময় না,এখানে অ্যাপ্লাই করতে হয়)।
আর প্রায় সব স্টুডেন্ট ই এরপর পি এইচ ডি(paid) continue করে নিজ নিজ জায়গায়।

শুনে হয়ত মনে হচ্ছে ,হ্যাঁ সবাই তো বি আই টি স্টুডেন্ট নেবার জন্য খুব বসে আছে!আর কোন কাজ নাই! না ভাই। আসল ঘটনা হচ্ছে ,জার্মানিতে biology based research institute গুলোতে biological data নিয়েই সব কাজ। ওরা এমন লোক চায় যাদের biological কিছু knowledge আছে এবং সেগুলো software, programming দিয়ে হ্যান্ডল করতে পারে। আর বি আই টি তে সেটাই শেখানো হয়।

পোস্ট টা দেবার কারন হল বি আই টি তে প্রথম বাংলাদেশী ভাই , ২০১২ winter এ এডমিশন নেন । এর পর আমি। খুব সম্ভবনার একটা institute হওয়ার পরও শুধু না জানার কারনে বাংলাদেশী স্টুডেন্ট রা অ্যাপ্লাই করতে পারছে না এখানে । যেই সুযোগটা কাজে লাগাচ্ছে ইন্ডিয়ানরা । প্রতি সেশান এ বেশ কজন ইন্ডিয়ান স্টুডেন্ট এডমিশন নেয় এখানে। থাকে ইউরোপিয়ানরাও। শুধু আমার দেশ থেকে যখন দেখি কেও আসছে না এবং সেটা শুধু এর সম্বন্ধে জানে না বলে, তখনই ভাবা একবার জানান যাক সবাইকে। সিদ্ধান্ত তো পরের ব্যাপার ..
বি.দ্র. আমার লেখনীর হাত তেমন একটা ভাল নয়। একটু কষ্ট হবে পড়তে,তবে আশা করি আসল মেসেজটা পাবেন! কোনও ইনফর্মেশন দরকার হলে জিজ্ঞেস করতে পারেন।

বি.দ্র . দুঃখিত । একটা জরুরি কথাই বলা হয় নি । বি আই টি তে শুধু একটাই প্রোগ্রাম ,সেটা হল Life Science Informatics, অর্থাৎ এই একটা প্রোগ্রাম নিয়েই এই ইন্সিটিউট যেখানে বিভিন্ন ফিল্ড এর স্টুডেন্ট অ্যাপ্লাই করতে পারে(Science fields),আর তার জন্যই কেয়ার খুব বেশি।

 

লিখেছেন : Afroza Irin

‪#‎BSAAG_Higher_Study_in_Germany‬ ‪#‎BSAAG_News‬‪#‎BSAAG_Scholarships‬ ‪#‎BSAAG_Application‬
‪#‎BSAAG_Finding_the_Right_University‬ ‪#‎BSAAG_Masters‬

 

 

Print Friendly, PDF & Email