• Home »
  • Featured »
  • জার্মানির ডায়েরিঃ২১ “উপলব্ধি”

জার্মানির ডায়েরিঃ২১ “উপলব্ধি”

 

সাধারণ কর্মব্যস্ত দিনের সাধারণ দুইটি ঘটনা। কখনো কখনো সামান্য এবং সাধারণ ঘটনাগুলো নিয়ে পরে ভেবে দেখলে অসামান্য এবং অসাধারণ মনে হয়। এই ঘটনাগুলোও এমন।

ঘটনা-১

সকালে অফিস যাচ্ছি। এই সময়টায় সাধারণত গাড়িতে গানের ভলিউম উঁচু থাকে। অফিসে প্রায় পৌঁছে গেছি, আর বোধহয় দুই তিন মিনিটের পথ বাকি। এই সময় একবার মনে হল পাশের গাড়ির ড্রাইভার যেন আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছে। গানের ভলিউম এমন কিছু বেশি না যে পাশের গাড়ি পর্যন্ত শোনা যাবে। আমি প্রথমবার তাকে অগ্রাহ্য করলাম। একটু পরে মনে হল সে আমাকে লক্ষ্য করে হালকা করে হর্ন বাজাচ্ছে। এই দেশে কেউ রাস্তায় হর্ন বাজায় না। ব্যাটার সমস্যাটা কি? এইবার গানটা বন্ধ করলাম। এবং কিছুটা বিরক্তি ভঙ্গিতে পাশের গাড়ির দিকে তাকালাম। গাড়ি চলছে, এই অবস্থায় পাশের লেন থেকে সে আমাকে হাত নেড়ে কি যেন বলার চেষ্টা করছে। চলন্ত অবস্থায় কিছু বুঝলাম না।

ইদানীং জার্মানিতে অনেক শরণার্থী এসেছে। এদের নিয়ে নানাবিধ সমস্যা চলছে। প্রচুর মানুষ এদের বিরুদ্ধে। একটা অজনপ্রিয় ডানপন্থী রাজনৈতিক দল যারা কখনই জার্মানিতে নির্বাচনে পাত্তা পায় নি, তারা এইবার নির্বাচনে বেশ কিছু আসন পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর একমাত্র কারণ এই দলটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ক্ষমতায় আসলে দেশ থেকে শরনার্থীদের ফেরত পাঠাবে। এবং সত্যি কথা হল শরণার্থীদের যতজনের সাথে আমার পরিচয় হয়েছে, তাদেরকে আমার ব্যাক্তিগতভাবে খুব বেশি পছন্দ হয় নি। এদের বেশিরভাগই প্রচুর মিথ্যে কথা বলে। অনেকেই অন্য দেশ থেকে এসেছে, কিন্তু নিজেদের সিরিয়ান বলে দাবী করে। জার্মানিতে এরা নিয়মিত মাসিক ভাতা, চিকিৎসা এবং থাকার জায়গা থেকে শুরু করে অনেককিছু ফ্রি পেলেও এদের ধারণা তাদেরকে জার্মান সরকার যথেষ্ট যত্ন করছে না। আমার মনে হয় এই ধারণার ঠিক উল্টোটাই সত্যি। জার্মানি এদের জন্য যা করছে, পৃথিবীর আর সবগুলো দেশ মিলেও তার কাছাকাছি করছে না। জার্মানরা ভদ্র জানি। কিন্ত কেন তারা এতো বেশি ভদ্র এবং মানবতাবাদী, এই নিয়ে আমি অনেকদিন ধরে ভাবছি।Related image

বড় সমস্যা হল, চামড়ার রঙের কারণে আমি নিজেও জার্মানদের চোখে এই দলের মধ্যে পড়ে যাই। আমার স্ত্রীর ধারণা দোকানপাটে আমাদের চামড়ার মানুষদের প্রতি জার্মানদের ব্যবহারে সম্প্রতি কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। আগের মতন বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যাপারটা কিছুটা কমে গেছে। আমাদের শহরের একমাত্র শপিং মলে কিছুদিন আগে দিনে দুপুরে একটা স্বর্ণের দোকানের কাঁচ ভেঙ্গে একটা রিফিউজি ছেলে হিরার লকেট নিয়ে পালিয়েছে। তারপর থেকে দোকানে অনেকক্ষণ ধরে একটা জিনিস দেখলে সেলস গার্লরা কেমন যেন চোখে তাকায়। আমি নিজে এমনকিছু এখনো টের পাইনি। তারপরেও গাড়ির পাশের ভদ্রলোকের আচরণে এমন কিছুই প্রথমে মনে আসল। আরে বেটা, আমি রিফিউজি না। সরকারি টাকায় খাই না। বরং বছরে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ট্যাক্স দেই, সেই টাকা দিয়ে শরনার্থীদের খোরাক যোগানো হয়!

অফিসে প্রায় চলে এসেছি। শেষ সিগনাল। সেখানে আমাদের দুইজনের গাড়ি পাশাপাশি লেনে থামল। সিগনালটা ঠিক ৩০ সেকেন্ড থামে। সিগনাল পড়তেই ভদ্রলোক চট করে গাড়ি থেকে নামলেন। আমি বুঝলাম কিছু একটা ঝামেলা হতে যাচ্ছে। উনি আমার গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে জানালায় হাত দিলেন। আমি অগত্যা জানালার কাঁচ নামালাম। এরপরে যে ঘটনাটা ঘটল, সেটা আমার ভাবনার বাইরে ছিল।

ঘটনা-২

অফিস থেকে বাসায় ফিরছি। শীতকালে বিকেল ৫টার আগেই সন্ধ্যে হয়ে আসে। আমাদের বাসার পাশের গলিতে এসে গাড়ি থামিয়েছি। স্টার্ট বন্ধ করতেই একটা ফোন এলো। বাইরে মাইনাস তাপমাত্রা, গাড়ির ভেতরের উষ্ণতায় ফেলে তখনই বের হলাম না। ফোনে কথা বলছি, এমন মুহূর্তে আমার গাড়ির পাশে এক ভদ্রমহিলা এসে দাঁড়ালেন। বয়স সত্তরের বেশি হবে। আমাদেরই পাশের গলিতে থাকেন। পরিচয় নেই, তবে রাস্তায় দেখা হলে হাই হ্যালো হয়।

ভদ্রমহিলা গাড়ির সামনে দিকে তাকিয়ে কি যেন খেয়াল করে দেখছেন। উনার হাতে গ্লাভস পরা। উনি সেটা খুলে হাতের ব্যাগ থেকে কাঁপা হাতে কাগজ কলম বের করলেন। এবং গাড়ির সামনের দিকের নম্বর প্লেট খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে কাগজে কি যেন লিখলেন। এইবার আমার কিছুটা বিরক্ত হবার পালা।

এই দেশে কেউ ভুল জায়গায় পার্কিং করে রাখলে অধিবাসীরা নিজ দায়িত্বে তাদের গাড়ির নম্বর প্লেট টুকে পুলিশে ফোন করে দেয়। এই ধরনের সামান্য ঘটনা পুলিশ যথেষ্ট সিরিয়াস হিসেবে নেয়। তারা মুহূর্তের মধ্যে এসে গাড়ি তুলে নিয়ে চলে যায়। ভদ্রমহিলার নম্বর টুকা দেখে ঠিক সেটাই মনে হল। পার্কিং ভুল করি নি। আমাদের গলিটা সংরক্ষিত রাস্তা। শুধুমাত্র যারা এই গলিতে থাকেন, তারাই এখানে গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করতে পারে। আমার গাড়ি সাধারণত গ্যারেজের ভেতরে থাকে। আজকে রাস্তায় রেখেছি বলে হয়তো উনি চিনতে পারেন নি যে গাড়িটা এই রাস্তারই কোন অধিবাসীর। এই ঠাণ্ডার মধ্যে ফোন পকেট থেকে বের করতে হবে বলে গাড়িতে বসে কথা বলছি। আর উনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমার গাড়ির নম্বর প্লেট টুকছেন। কি যন্ত্রণা!

একবার ডর্টমুন্ডে দশ বছর আগে এমন ঘটনা ঘটেছিল। মাত্র প্রথম গাড়ি কিনেছি। নিয়ম কানুন তেমন সব রপ্ত হয় নি। কোথাও গাড়ি রাখলে দশবার এদিক ওদিক দেখে নিতাম ঠিকমতন রেখেছি কিনা। রাস্তার সাইনগুলো সাধারণত রাস্তার এক মাথায় থাকে। পার্ক করে আবার হেঁটে গিয়ে সব সাইন পড়ে আসতাম। নতুন সাইন দেখলে রাস্তায় দাঁড়িয়েই গোগোল সার্চ চলতো। পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে গাড়ি রাখতাম না।

আমরা থাকতাম বোরোসিয়া ডর্টমুন্ডের বিখ্যাত ভেস্টফালিয়া স্টেডিয়ামের ঠিক পাশেই। বিকেলে হাঁটতে যাওয়া মানে ছিল তখন এই বিখ্যাত স্টেডিয়ামের চারদিকে একবার ঘুরে আসা। বিখ্যাত জায়গায় থাকার মজা আছে, আবার যন্ত্রণাও আছে। নিজেদের আলাদা পার্কিং নেই। সবাই সাধারণত বাসার সামনের রাস্তায় গাড়ি রাখে। অফিস থেকে ফিরে বাসার সামনে আর কোন পার্কিং খালি পাওয়া যেতো না। অফিস থেকে বের হয় দশ কিলোমিটার গাড়ি চালিয়ে বাসা পর্যন্ত আসতে লাগে ২০ মিনিট। আর বাসায় ফিরে আশেপাশে পার্কিং খুঁজতে লাগে আরও ২০ মিনিট। মহা যন্ত্রণা।

একদিন অনেক খুঁজেও কোন পার্কিং পাচ্ছি না। তখন আমার প্রথম মেয়েটার বয়স ১০-১১ মাস হবে।  সে মাত্র হাঁটতে শিখছে এবং অফিস থেকে ফেরার সময়টা সে অপেক্ষা করে থাকে কখন বাবা ফিরবে। সদ্য বাবা হওয়া মানুষটাও এই সময়টা বাসায় ফেরার জন্য অধীর হয়ে থাকে। বাসায় ফিরে আমরা সামনের পার্কে যাই। সেখানে এহা বালি দিয়ে খেলে। দোলনায় চড়ে। একটু হাঁটতে গিয়ে পড়ে যায়। আমি সাথে সাথে ছুটে যাই না (এই অংশটা জার্মান বাবা-মা দের থেকে দেখে শেখা)। দূর থেকে দেখেও না দেখার ভান করি। এবং মেয়েকে নিজে নিজে উঠে দাঁড়াতে দেই। এহার বয়স ১ বছর ছুঁই ছুঁই করছে। এই সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত সোনায় মোড়ানো। আমি পাশে বসে চোখে অসীম বিস্ময় নিয়ে এহার বড় হওয়া দেখি। এইসব চমৎকার সময় পার্কিং খোঁজার কাজে নষ্ট করার কোন মানেই হয় না।

সেদিন বাসার সামনেই গাড়ি রেখে দিলাম। সাইনবোর্ড অনুসারে এখানে জরুরী দরকারে দুই মিনিট পর্যন্ত গাড়ি দাঁড় করানো যাবে, তবে পার্কিং নিষিদ্ধ। আমাদের খেলার পার্কটা সেখান থেকে দেখা যায়। এহাকে নিয়ে খেলছি, আর মাঝে মাঝে গাড়ির দিকে খেয়াল রাখছি। নাহ, কেউ কোন ঝামেলা করছে না। গাড়ি ঠিক আছে। খেলা শেষ করে আবার পার্কিং খুঁজতে বের হব।

এহাকে নিয়ে খেলা শেষে বাসায় ফিরেছি। বাসার সামনে গাড়ি আছে। এহার সারা শরীরে বালিতে ভর্তি। ঘরে গিয়ে ওকে ভালমতো পরিষ্কার করতে একটু সময় লাগল। সব কাজ শেষ নিচে নামলাম দশ পনের মিনিট পরে। নিচে নেমে দেখি রাস্তায় কোন গাড়ি নেই। আমি মোটামুটি দিশেহারার মতন হয়ে গেলাম। মাত্র কয়েকদিন হল জীবনের প্রথম গাড়ি কিনেছি, সেই জিনিস দশ মিনিটে হাওয়া!

পুলিশের হট লাইনে ফোন দিলাম। বললাম, আমার গাড়ি চুরি হয়ে গেছে। দশ মিনিট আগেও বাসার সামনে ছিল, এখন নাই। কিভাবে সম্ভব।

পুলিশের ভদ্রমহিলাকে মোটেই উত্তেজিত মনে হল না। তিনি শান্ত স্বরে বললেন, জার্মানিতে রাস্তা থেকে গাড়ি চুরি হয় না। তুমি কি ভুলে চাবি রেখে গিয়েছিলে গাড়িতে।

আমি চাবির শব্দ শুনিয়ে বললাম, সব চাবি আমার কাছে। গাড়ি লক করা ছিল।

অন্যপাশে কিছুক্ষণ নীরবতার পর ভদ্রমহিলা আগের চেয়েও শান্ত স্বরে বললেন, তোমার গাড়ি চুরি হয় নি। আমরা কিছুক্ষণ আগে রঙ পার্কিং অফেন্সের জন্য একটা কল পেয়েছি। তোমার গাড়ি তুলে আনা হয়েছে। তোমার কাছে কাগজ কলম আছে? একটা ঠিকানা দিচ্ছি, এখানে এসে গাড়ি নিয়ে যাও।

আমি কিছুটা আশ্বস্ত হয়ে বললাম, অনেক ধন্যবাদ, ঠিকানাটা দাও।

-ও হ্যাঁ, আরেকটা ভাল কথা। আসার সময় ২১১ ইউরো সাথে করে নিয়ে এসো। এটা রঙ পার্কিং এর ফাইন, প্লাস গাড়ি তুলে আনার খরচ। ক্যাশ হলে ভাল হয়, আমাদের কার্ড রিডারটা ঠিকমতন কাজ করছে না।

ডর্টমুন্ডের ঘটনার পরে প্রায় ১০ বছর পার হয়েছে। এখন এদেশের নিয়ম কানুন মোটামুটি ভালই জানি। কেউ আমার গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে কিছু টুকছে জাতীয় ঘটনায় তেমন কোন ভয় বা উৎকণ্ঠা হয় না। ভদ্রমহিলা আমার গাড়ীর সামনে দাঁড়িয়ে নম্বর প্লেটের নম্বর টুকুক। সাথে গাড়ির রঙ, মডেল এবং জানালা ভেতরে রাখা পতাকার রঙও নোট করুক। যেখানে গাড়ি আছে সেখানে পার্কিং এ কোন ভুল নেই। আমি ফোনের কথা চালিয়ে গেলাম।

একটু পরে দেখি ভদ্রমহিলার জামাই ঘর থেকে বের হলেন। উনারা দুইজন আমার গাড়ির থেকে হাত দেখিয়ে কি যেন আলোচনা করছিলেন। ফোনের কথা শেষ। বিরক্তিটা ভেতরে চেপে গাড়ি থেকে বের হলাম। সমস্যাটা কি জানার জন্য উনাদের দিকে ফিরলাম। এবং কেন উনারা আমার গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন জেনে একইদিনে দ্বিতীয়বারের মতন হতবাক হলাম।

লজ্জাঃ

প্রথম ঘটনাটা এইরকম। গাড়ির জানালার কাঁচ ঠিকমতন ধরে রাখা এবং স্লাইড করে উপরে নিচে ওঠানামার সময় সাপোর্ট দেবার জন্য একটা প্ল্যাস্টিকের সরু পরত থাকে। এই অংশটা গাড়ির কাঁচের নিচে বাইরে থেকে বডিতে শক্ত করে ঢোকানো থাকে। সম্ভবত একটু আঠালো কিছু দিয়ে ফিক্স করা থাকারও কথা। আমার গাড়ির পেছনের জানালার নিচের এই প্লাস্টিকের আদলটা কিছুটা আলগা হয়ে এসেছিল। চোখে পড়ার মতন কিছু না। আর পেছনের কাঁচ সাধারণত নামানো হয় না, সুতরাং খেয়াল করার কোন কারণ নেই। ভদ্রলোক সিগনালে নেমে বাইরে থেকে প্লাস্টিকের অংশটা চট আবার ভেতরে চাপ দিয়ে ঢুকিয়ে দিলেন। এটা না হলে যেকোনো সময় পথে খুলে পড়ে যেতে পারত।

দ্বিতীয় ঘটনায় আমি গাড়িতে বসে ছিলাম। স্টার্ট বন্ধ থাকলেও যতক্ষণ না গাড়ির দরজা খুলছে ততক্ষণ সামনের হেডলাইট বন্ধ হবে না। ভদ্রমহিলা অন্ধকারে আমাকে গাড়ির ভেতরে খেয়াল করেন নি। গাড়ির হেডলাইট জ্বলছে, উনি ভেবেছেন চালক নেভাতে ভুলে গেছে। এই দেশে শীতের সময়ে এমনিতেই দ্রুত গাড়ির ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে আসে। হেডলাইট জ্বলতে থাকলে তো কথাই নেই। পরদিন গাড়ি আর স্টার্ট নেবে না। আমি গাড়ি থেকে বের হয়ে আসাতে তারা দুইজন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে হাসলেন। অন্যথায় হয়তো বাড়ি বাড়ি গিয়ে রিং বাজিয়ে খবর নিতেন, এই নম্বরের গাড়িটা কার!Image result for refugee germany

এই দেশের মানুষজন অসম্ভব রকমের ভদ্র। এই ভদ্রতার সাথে অনেক বছর ধরে পরিচয়। চেনা হোক অচেনা হোক, এবং চামড়ার রঙ সাদা হোক কালো হোক, এদের বেশিরভাগের মধ্যে ভদ্রতার মাত্রাটা বাড়ে কমে না। এতো বছর এদেরকে কাছ থেকে চেনার পরেও এখনো এদের সীমাহীন ভদ্রতা দেখে অবাক হয়ে যাই। নিজের ভাবনার জন্য নিজেকে ছোট মনে হয়। একধরণের লজ্জায় মাথাটা নত হয়ে আসে। আবার এই লজ্জার মধ্যে এক ধরণের ভালোলাগার আনন্দ টের পাই। ইচ্ছে করে এই সামান্য জীবনে এই ধরণের লজ্জাগুলো যেন বারবার ফিরে আসে।

আদনান সাদেক, ২রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭।

জার্মানির ডায়রির সবগুলো পর্ব এখানে

#BSAAG_Articles

#BSAAG_Diary_of_Germany

‪#‎আদনান_সাদেক‬

Print Friendly, PDF & Email