জার্মানির পথেঃ১৬ জার্মানিতে মাইগ্রেশন, আসছে চমকপ্রদ নতুন আইন, ২০১৮

Featured

 

বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে যখন আমরা জার্মানিতে আসি, তখন অবস্থাটা একেবারেই বিরূপ ছিল। পড়া শেষ করে চাকরি পাওয়া ছিল কঠিন। কাজ পাওয়ার চেয়ে বেশি কঠিন ছিল কাজের অনুমতি পাওয়া। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যেত, যারা পড়াশোনা শেষ করে সাথে সাথে কাজ পায়নি, তাদেরকে কাজ খুঁজে পাবার আগে দেশ ত্যাগ করতে হয়েছে। অনেকেই শুধুমাত্র ভিসা পাওয়ার জন্য ইচ্ছে করে পড়া সমাপ্ত করত না, যতদিন না যুতসই একটা কাজ খুঁজে পাচ্ছে। আমার মনে আছে, ২০০৪ সালে জার্মানি থেকে সিংহভাগ ছেলেমেয়ে পড়া শেষ করে দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছিল। সেই অবস্থা অবশ্য এখন রূপকথার গল্পের মতন ইতিহাস। Continue reading

Print Friendly, PDF & Email

পুমাঃ জার্মানিতে শুরু হয়েছে পয়েন্ট ভিত্তিক মাইগ্রেশন

 

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাইরে থেকে যেকোনো ধরণের চাকরি নিয়ে (শুধু আইটি বা ইঞ্জিনিয়ারিং নয়!) আসা যাবে জার্মানিতে, সম্ভব স্থায়ী আবাসনের। ব্লু কার্ডের পর পহেলা অক্টোবর, ২০১৬ থেকে শুরু হচ্ছে জার্মানির এই নতুন মাইগ্রেশন প্রজেক্টের। নাম দেয়া হয়েছে “পুমা”। চলবে তিন বছর ধরে, সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত। পয়েন্ট ভিত্তিক অভিবাসন জার্মানিতে এই প্রথম!

Continue reading

Print Friendly, PDF & Email

অভিবাসী ছাড়া জার্মানির অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভব নয়

 

ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তিশালী দেশ জার্মানি৷ এ দেশের ‘ওয়ার্কিং এজ পপুলেশন’ (কর্মজীবী জনসংখ্যা) ২০৩০ সালের মধ্যে ৬৩ লাখ কমে যাবে৷ বর্তমানে দেশটির জনসংখ্যা ৮ কোটি ২০ লাখ, ২০৬০ সালে যেটা কমে হবে সাড়ে ছয় বা ৭ কোটি৷ Continue reading

Print Friendly, PDF & Email

জার্মানির পথেঃ১৩ জার্মানিতে স্পন্সরশীপের বিস্তারিত নিয়মাবলী

 

জার্মানি যেতে সবচেয়ে বড় বাঁধাগুলোর একটি ব্লক একাউন্ট দিয়ে ৮ হাজার ইউরো দেখানো। অনেকের জন্যই একটা বিশাল দেয়ালের মতন, আবার টাকা দেখানোর পরেও টাকা পাঠানো নিয়ে অনেক ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়। অনেককে আবার জার্মানিতে আসার পরে ব্লক একাউন্ট দেখাতে হয়, কোন কোন ক্ষেত্রে সেটা দ্বিতীয় বছরেও চাওয়া হয়। এই বাঁধা পাশ কাটানোর সবচেয়ে কার্যকরী উপায়টির নাম স্পন্সরশীপ। Continue reading

Print Friendly, PDF & Email

জার্মানির পথেঃ৭ ব্লু-কার্ড, প্রবাসীদের জন্য জার্মানির দরজা

 

২০০০ সালের আগে জার্মানিতে বাইরে থেকে কেউ এসে কাজ করবে- এটা ছিল চিন্তার বাইরে। এই দেশের মানুষ ছিল রক্ষণশীল, আমেরিকা কানাডার মতন মাইগ্রেশন বলে কিছুতে এখানে কেউ বিশ্বাস করত না। আর দেশের অর্থনীতি আত্মনির্ভরতা থেকে এরকম কিছুর প্রয়োজনীয়তাও কেউ অনুভব করেনি। একারণে এখানে ছিল না বিদেশীদের কাউকে কাজের অনুমতি দেবার মতন কোন আইনও। এখানে বড়জোর পড়াশোনা শেষ করা যেত, কিন্তু পড়া শেষ করে আবার সবাই যে যার দেশে ফিরে যাবে এইটাই ধরে নেওয়া হত। আশি বা নব্বইয়ের দশকে জার্মানিতে পাড়ি দিয়েছিল অনেক বাংলাদেশী, যাদের অনেকেই পরবর্তীতে এখানে থেকে গিয়েছিলেন। তবে এদের সিংহভাগ থেকে গিয়েছেন রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে বা কোন জার্মান নাগরিককে বিয়ে করে। কাজের অনুমতি না থাকায় উচ্চশিক্ষা নিয়ে জার্মানিতে এসে ভদ্র চাকুরী করে বসত গড়েছেন, এদের সংখ্যা ছিল হাতে গণা দুই একজন। Continue reading

Print Friendly, PDF & Email