• Home »
  • Block-Account »
  • ডয়েচ ব্যাংকে ব্লক একাউন্ট খোলা, ডকুমেন্ট পাঠানোর নিয়মাবলী এবং এম্ব্যাসির সহযোগীতা। আপডেটঃ ১৭ আগস্ট, ২০১৬

ডয়েচ ব্যাংকে ব্লক একাউন্ট খোলা, ডকুমেন্ট পাঠানোর নিয়মাবলী এবং এম্ব্যাসির সহযোগীতা। আপডেটঃ ১৭ আগস্ট, ২০১৬

 

আজ ১৭ই আগস্ট, ২০১৬ জার্মান এম্ব্যাসি বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইটে এই নোটিশটি আপডেট দিয়েছে।

নোটিশে- কেবল ডয়েচ ব্যাংকে একাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে ডকুমেন্টস পাঠানোর নিয়ম নীতি এবং এম্ব্যাসির কার্যক্রম সম্মন্ধে বলা হয়েছে।

নোটিশটি ইংরেজিতে প্রকাশ হয়েছে, পাঠকদের সুবিধার্থে এখানে বাংলায় অনুবাদ করা হল-

ইংরেজি নোটিশটি এম্ব্যাসির ওয়েবসাইটে- Notice: about Blocked Account opening in Deutsche Bank এখানে পাবলিশ হয়েছে।

নোটিশের অনুরুপ

:: নোটিশে বলা হয়েছে- যেহেতু কোনো ধরনের ভুল-ভ্রান্তি বা অসম্পূর্ন আবেদন যাচাই বাছাই সময় সাপেক্ষ কাজ বা এই কারনে অনেক সময় প্রসেসিং দেরীতে হয়! তাই  ছাত্র-ছাত্রীদের স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনের পূর্বে অফার লেটার হাতে পাবার সাথে সাথে যত দ্রুত সম্ভব ডয়েচ ব্যাংকে ব্লক একাউন্ট খোলার কাজ শুরু করে দিতে হবে। 

এখানে কিছু ডকুমেন্ট এর তালিকা দেয়া হয়েছে যেগুলো এই প্রসেসিং এ দরকার পরবে-

প্রথমে ১)  ডয়েচ / Deutsche Bank ব্যাংকের সাইট থেকে একাউন্ট ওপেনিং ফর্ম/ব্লকড একাউন্ট ফর ফরেন স্টুডেন্টস” ফর্মটি ডাউনলোড করে পুরন করতে হবে। ফর্মের ডাউনলোড লিঙ্কঃ Open-A-Bank-Account

২) সঠিক ভাবে পুরন করা  ফর্মটির দুই কপি সাদা-কালো কপি প্রিন্ট করতে হবে।

৩) এম্ব্যাসিতে ব্লক একাউন্টের জন্য কাগজপত্র জমা দিতে এপয়নমেন্ট নিতে হবেনা। সরাসরি প্রতি রবি থেকে বুধবার দুপুর ১.৩০টায় (দুপুর-দেড়টা) এম্ব্যাসিতে যেতে হবে।

এবং এম্ব্যাসি ডকুমেন্ট প্রসেসিং ফি বাবদ ২০ ইউরো সমপরিমান টাকা চার্জ করবে।

যে যে ডকুমেন্ট এম্বাসিতে নিয়ে গিয়ে সত্যায়িত করাতে হবে-

  • সঠিক ভাবে পূরন করা আবেদন পত্রটি/ব্যাংকের ফর্মটি,
  • পাসপোর্ট,
  • এডমিশন লেটার এর একটি কপি।

আবেদন পত্র ছাড়াও আরো কিছু ডকুমেন্টস জমা দিতে হবে, সেগুলো-

  • পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি,
  • এডমিশন লেটার এর ফটোকপি,
  • ব্লক একাউন্টের অর্থের উৎসের প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র, (যেমন- ব্যাংক স্টেটমেন্ট)
  • প্রি-পেইড এনভেলাপ। (এই সার্ভিসটি বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কেবল মাত্র FedEx ই দিচ্ছে)

:: এই সমস্ত কিছু সম্পন্ন করে সাথে করে নিয়ে যেয়ে এম্ব্যাসির ফি পরিশোধ করলে এম্ব্যাসিই ডকুমেন্ট পাঠিয়ে দিবে। আবেদন কারীকে আলাদা করে পাঠানোর দরকার নাই।

কিছু নির্দেশনা/অবশ্য পালনীয়ঃ

  •  প্রিন্ট বা ফটোকপি শুধুমাত্র সাদা-কালো করে নিয়ে যেতে হবে, রঙিন হলে জমা নিবেনা।
  • আবেদন পত্র ও পাসপোর্টের কপিতে আবেদনকারীর স্বাক্ষর ও ঠিকানা স্পষ্ট ভাবে বুঝা যেতে হবে।

৪) ডয়েচ ব্যাংকে একাউন্ট খোলা হয়ে গেলে কমপক্ষে ৮৬৪০ ইউরো সমপরিমান টাকা এবং সার্ভিস চার্জ সহ ডয়েচ ব্যাংকে স্থানান্তর করতে হবে।

  • ডয়েচ ব্যাংকে একাউন্ট ওপেন হয়ে গেলে, একাউন্ট হোল্ডারের ই-মেইলে বা চিঠি দিয়ে পোস্টাল এড্রেসে IBAN এবং BIC নাম্বার জানিয়ে দিবে,
  • অন্যান্য যে কোনো ধরনের চার্জ বা ট্রান্সফার ফি সম্পর্কে লোকাল ব্যাংক থেকে সব সমাধান করে নিতে হবে,
  • ডয়েচ ব্যাংক কোনো ধরনের চেক গ্রহন করবেনা এক্ষেত্রে।
  • একাউন্টে টাকা/ইউরো ট্রান্সফার হওয়ার সাথে যত দ্রুত সম্ভব ব্যাংক গ্রাহকের মেইলে বা ঠিকানায় চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিবে।

 

pre-paid envelope/ প্রি-পেইড এনভেলপ এর সার্ভিস এর সাথে জার্মান এম্ব্যাসি ঢাকা অফিসের কোনো অফিসিয়াল কন্টাক্ট নেই। কেবলমাত্র আবেদনকারীদের পুরো প্রসেসটা আরো স্মুথ করার জন্য তারা এই সার্ভিসটি দিচ্ছে।

তবে এই প্রিপেইড-এনভেলপ সার্ভিসের মাধ্যমে ডকুমেন্ট পাঠানোর সময়ে ডকুমেন্টের কোনো প্রকার ক্ষতি সাধন হলে এম্ব্যাসি কোনো দায়ভার নেবেনা। কেবলমাত্র আবেদনকারী এই সার্ভিস প্রদানকারী কম্পানীর কাছে (FedEx) ক্লেইম করতে পারবে।

এম্ব্যাসি এই ডকুমেন্ট সহ খামটি কেবলমাত্র ডয়েচ ব্যাঙ্কের এই ঠিকানায় পাঠাবে-Screenshot_3

 

তথ্য সুত্রঃ জার্মান এম্ব্যাসি ঢাকা’র ওয়েবসাইট

ট্যাগঃ #BSAAG_Block_Account

অনুবাদঃ শফিকুর রহমান, বিসাগ স্বেচ্ছাসেবী।

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা বা ক্যারিয়ার সংক্রান্ত তথ্যের জন্য বিসাগের ফেসবুক ফোরামঃ BSAAG_Facebook_Forum

Print Friendly, PDF & Email