ফার্মেসিই হোক আপনার ভিত্তি!

 

জানুন, জানান, করুন!

উচ্চ শিক্ষার জন্য জার্মানিকে বেছে নেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি কি ফার্মেসি থেকে ব্যাচেলর শেষ করেছেন? অথবা ফার্মেসি নিয়ে বাংলাদেশে পড়তে চাচ্ছেন? আমার এই পোস্ট আপনাদের জন্য, শুধু মাত্র তাদের জন্যই নয় কিছু জিনিষ এখানে আছে যা সবার জন্যই এক। যেমন, কিভাবে আবেদন করবেন কোথায় করবেন। আমার এই প্রচেষ্টা একটু উপকার হলেও আপনাদের, আমিই বেশি খুশি হব। দয়া করে পড়বেন।

ফার্মেসি.

এইচএসসি করার পর যখন মেডিকেল-এ পড়বো বলে খুব আঁটসাঁট বেধে নেমেছিলাম সেখান থেকেই কিন্তু আজকের আমি স্বপ্নে বিভোর। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কার কাছে কি মনে হয় আমি জানি না তবু আমার কাছে  ফার্মেসি মানে অন্য রকম এক অনুভূতির নাম। ৪ বছর ৬ মাস পর যখন পাস করে বের হলাম বাহিরে উচ্চ শিক্ষার ভূত মাথা চারা দিয়ে উঠল।  কিন্তু তখন অবধি মাথায় কিছু ছিলনা, মগজের কথা না আমি পথের খোঁজের কথা বলছি। কোথায় M.Sc. করবো এই চিন্তায় প্রথম দুটো দেশের নাম ইংল্যান্ড আর তার পরেরটা অস্ট্রেলিয়া। পরে শুধু জার্মানি ঘিরে নিলো সমস্ত চিন্তা।

কেন জার্মানি?

১। এই একটি কারণ কিন্তু আপনার সমস্ত চিন্তা গ্রাস করে নিতে সম্ভব……

 

জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় গুলতে পড়ার খরচ নেই। যেমন ধরেন ২ বৎসরের পড়ার খরচ ২ লক্ষ সব চাইতে বেশি হলে। কি, ফ্রি মনে হচ্ছে না?? NSU , EWU etc তে M.Sc. খরচ ২ লক্ষ+ সেখানে আপনি

 

TUM (In the Times Higher Education World University Rankings 2013-14 (“THE Rankings”), TUM stands at 87th place worldwide and 5th among all German universities. In the subject area “Engineering and Technology,” TUM is ranked 26th worldwide.)

 

এই ক্ষুদ্র বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন ৬ মাসে ৫০০ ইউরো এর বিনিময়ে। আমার কাছে এটা ফ্রি নয়, বরঞ্চ ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এর সাথে তুলনা করলে এটা রীতিমত অপরাধ।

 

২। জার্মান রা হিটলারের বংশধর। এই কথা কতটুকু সত্য তা আমি জানি না, শুধু জানি যে জাতি পরপর দুটো বিশ্বকাপে (যুদ্ধ বললে কেমন যেন শোনায়) পরাস্থ হয়েও এখন বিশ্ব অর্থনীতিতে ৩য় অবস্থানে। আর কিছু হোক বা না হোক তাদের থেকে মাথা উঁচু করার মন্ত্র কিন্তু শেখা সম্ভব।

 

৩। আপনি পড়তে যাবেন সুতরাং আপনার মাথায় সব সময় থাকবে একটা ভাল বিশ্ববিদ্যালয় এর চিন্তা। পড়ার মান, বিশ্ববিদ্যালয় এর সুনাম সাথে পড়ালেখা শেষে নিজ দেশেই হোক বা অন্য দেশেই হোক একটা আরামের, মানে ভাল বেতনের চাকরির নিশ্চয়তা এই সমস্ত সহজ বেপার গুলো কিন্তু খুব দরকার নিশ্চিত ভাবে জানা। এই সব দিক বিবেচনা করে আমার কাছে কিন্তু জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় বিদ্যা অর্জনের তীর্থস্থান। আপনি নিজেও একটু খুঁজুন তাহলেই বুঝবেন।

 

৪। প্রযুক্তি এমন একটা জিনিস যার বাস্তব প্রয়োগ এর কথা মাথায় আসলেই প্রথম নাম আপনি বলবেন জাপান আর তার ঠিক পরেরটা কিন্তু জার্মানি। তবে আমি কিন্তু আগে জার্মানি বলি। আর জার্মান রাই কিন্তু শেখায় “জীবনের জন্য প্রযুক্তি, প্রযুক্তির জন্য জীবন নয়” । আমি প্রযুক্তি পাগল, তাই জার্মানিই আমার কাছে সর্বোৎকৃষ্ট।

 

৫। আমার অনার্স এর বিষয় ছিল ফার্মেসি। প্রযুক্তি আর প্রতিষেধক এর এক অন্যতম মিশ্রণের নাম জার্মানি। আমার ব্যক্তি গত মতামত, ভাই বাংলাদেশের তথা পৃথিবীর এমন কোন দেশ নেই যেখানে জার্মান প্রযুক্তির ছোঁওয়া নেই, এই ক্ষেত্রে জাপান আমার কাছে পৃথিবীর বাহিরের দেশ। তাই ভাই প্রযুক্তিতে সর্বোত্তম দেশটি কিন্তু প্রতিষেধক শিল্পেও এর শৈল্পিক স্বাক্ষর খুব আগে থেকেই রেখে আসছে, অন্যতম প্রমাণ ৩ কিমি পতাকা।

 

উপরের বিষয় গুলো কিন্তু কোন দ্বিমত ছাড়াই জার্মানিকে বিদ্যা অর্জনের তীর্থস্থান বলে স্বীকৃতি দেয়। অন্তত আমার কাছে এটুকুই যথেষ্ট লেগেছে, আপনি চাইলে আর কারণ খুঁজতে পারেন।

কি পড়বেন?

তথ্যপ্রযুক্তির এই ভয়াবহ কঠিন যুগে দয়া করে এই ধারনা পোষণ করবেন না যে, ফার্মেসি পরেছি বলে আমাকে ফার্মেসি পেশায় নিজের জীবনের প্রতিটা ক্ষণ কাটাতে হবে। ব্যাচেলর হল আপনার শিক্ষা জীবনের শুরু। বাংলাদেশে যেমন আপনি ফার্মেসি পরেছেন বলে Food and Nutrition এ M.Sc. করতে পারবেন না ঠিক একই কারণে অন্য দেশে আপনি আপনার ব্যাচেলর এ এই ভিন্নতা এর জন্যে অনেক দিকেই নিজের career কে পথ দেখাতে পারেন। টুকরো কয়েকটা উদাহরণ দেই,

 

Master of Science in Molecular Life Science

 

Master in Molecular Medicine

 

Master’s Programme in Molecular Bioengineering

 

Master of Biomedical Engineering (BME)

 

এগুলো হল কয়েকটি উদাহরণ। এখানে একটা কথা সত্য, ফার্মেসি পড়ার পর অনেকের জন্যই এই সকল প্রযুক্তি নির্ভর বিষয়ে পড়ালেখা কষ্ট হয়ে দাঁড়াবে। আমি কাওকে ছোট করার উদ্দেশ্য নিয়ে বলছি না বরং এটাই স্বাভাবিক। অপর দিকে অনেকের কাছেই এই নাম গুলোই ভীতিকর। কারণ আমাদের দেশের কাজ হল, “আগে দর্শন ধারি পরে গুণ বিচারী”। আমি বলব ভয় পাবেন না, একটু চিন্তা করুন। উপরের বিষয় গুলর মধ্যেও মোটামুটি সকল কিছুর সাথেই সামঞ্জস্য পূর্ণ কিছু না কিছু আপনি ব্যাচেলর এ পরেছেন। এটাই হল ফলিত বিষয়ে পড়ার মজা। ব্যাপারটা একটু বলি,

1

উপরের যে ছক দেখছেন এটা আমারই পূরণ করা। আমি ফার্মেসি এর ছাত্র তবু দেখুন আমরা কিন্তু সবই পড়েছি। ফার্মেসী এর মূল উদ্দেশ্যই কিন্তু এটা সকল তত্ত্বীয় বিষয়াবলী এর সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিষেধক এর মান উন্নয়ন ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করন।

 

“Pharmacy is the science and technique of preparing as well as dispensing drugs and medicines. It is a health profession that linkshealth sciences with chemical sciences and aims to ensure the safe and effective use of pharmaceutical drugs.”

 

এখন প্রশ্ন হল আমি কিভাবে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, বাইও- কেমিস্ট্রি পড়েছি?? একটু কষ্ট করে নিচের অণুচ্ছেদ পড়ুন, অবশ্য এটা অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এর ফর্ম পূরণ করতেও কাজে দিবে তাই দিলাম।

2

3

4

5

7

6

এই হল মোটামুটি অবস্থা।

 

এখানে একটা কথা বলেরাখি আমি ফার্মেসি ভিন্ন অন্য বিষয়ে  M.Sc. করতে আপনাকে উদ্বুদ্ধ করছিনা। শুধু জানাতে চাইছি আসলে আপনি কত পথে নিজের জীবনকে তৈরি করতে পারেন। ওহ! আপনি দয়া করে ভাববেন না যে জার্মানি তে M.Pharm করায় না। সেটাও করায় কিন্তু আমি ভাই অন্য বিষয়েই আগ্রহী বেশি, কেন সেটাও একটু পরেই বলি?

 

কিছু M.Pharm এর উদাহরণ,

 

Master of Science in Bio- and Pharmaceutical Analysis

 

@ Fresenius University of Applied Sciences

 

Master of Science in International Pharmacoeconomics and Health Economics (MSc)

 

@ Fresenius University of Applied Sciences

 

Pharmaceutical Biotechnology

 

@ Hamburg University of Applied Sciences

 

বুঝতেই পারছেন, সমুদ্র আপনার সামনে আর কোথা থেকে জল গ্রহণ করবেন সেই চিন্তা আপনার। আমার কাজ সমুদ্রের সন্ধান প্রদান, আমি সেহেতুই সচেষ্ট। এখানে কথা হল আপনার প্রয়োজন সাথে ইচ্ছার সংমিশ্রণ।

বিষয় নির্বাচন

ইহা প্রত্যহ সকালে সূর্যের মতই দরকারি। সূর্যের অনিয়ম যেমন গোটা পৃথিবীকে অন্ধকার সাথে অসস্থিতে ফেলতে পারে ঠিক তেমনই সঠিক বিষয় নির্বাচনে হেলা-ফেলা আপনাকে কাঁদাতে পারে অথবা কেঁড়ে নিতে পারে মূল্যবান সময়।

 

আমার বরাবর প্রযুক্তি পছন্দের তাই আমি বেছে নিয়েছি প্রযুক্তি নির্ভর একটা বিষয়। এখানে আপনার পছন্দের বিষয় নির্বাচিত করাই কিন্তু ভালো।

 

বিষয় নির্বাচনের প্রথম ধাপ হল একটু খোঁজ খবর নেওয়া,

 

এই যেমন এই বিষয়ে কি পড়ানো হবে, কোন ভাষায় পড়ানো হবে, বিষয়টি পড়ে পরবর্তীতে আপনি কি ধরণের পেশায় যেতে পারবেন, বাংলাদেশে এর চাহিদা সাথে বিশ্ব বাজারে এর কদর ইত্যাদি ইত্যাদি।

কি ভাবে খুঁজবেন?

আমার কাছে খুব সহজ উত্তর daad এর ওয়েব পেজ। তো চলুন ঘুরে আসি কিভাবে কি,

 

ওয়েব ঠিকানা,

 

https://www.daad.de/deutschland/studienangebote/en/

8

https://www.daad.de/deutschland/studienangebote/international-programs/en/

9

যেভাবে খুঁজবেন,

১। 10

 

বক্স টিতে আপনার পছন্দের বিষয়ের আংশিক বা পূর্ণ লিখুন।

 

পরবর্তী অংশে  “Degree/Level” এই অংশে কি দিবেন মাথা খাটান! মানে আপনি যে ডিগ্রী করতে যাবেন সেটা মার্ক করুন।

২। 11

“Field of study” এখনে আপনার কাঙ্ক্ষিত বিভাগটি নির্বাচন করুন। আপনি এক এর অধিক ও নির্বাচন করতে পারেন, যেমন

12

“Subject” এর স্থলে অবশ্যই আপনার পছন্দের বিষয় নির্বাচন করুন। আবার কিছু না ঠিক করলেও চলে।

৩। 13

“Course Language” এখানে আপনি যে ভাষায় পড়তে চান সেই ভাষা নির্বাচন করুন। কিন্তু যে কোন একটি। আর যদি যে কোন ভাষায় হলেই আপনার চলবে এমন হয় তাহলে ফাঁকা রাখুন।

 

“Location” এই স্থানে আপনার পছন্দের শহর থাকলে দিতে পারেন। এর পরের গুলর জন্যও একই কথা প্রযোজ্য। তবে আমি ভাই ডাল-ভাত প্রজাতি তাই একটা হলেই হল।

 

“Search” এ ক্লিক করুন।

14

আমি উপরের মত সেট করতে বলব যারা নতুন আর অন্য সব বক্স অপরিবর্তিত রাখুন। আর Advance ব্যবহার কারিরা  নিজের মন মত খুঁজুন।

বিষয়ে পড়ার যোগ্যতা অনুসন্ধান ও তথ্য জানা,

15

উপরে যেভাবে দেখছেন এমন আসলে যেটায় পড়তে চান সেটায় ক্লিক করুন। আমি ৩ নাম্বার টায় করেছি।

16

ক্লিক করার পর এমন আসবে। লাল রঙের বক্স তাই প্রধান।

 

বিষয় সম্পর্কে ধারণা,

17

এইখানে গেলে আপনি বিষয় সম্পর্কে ধারণা পাবেন। সাথে বিশ্ববিদ্যালয় এর নিয়ম, যোগাযোগের ঠিকানা সবই পাবেন খুব সহজে ও সংক্ষেপে।

18

এখানে আছে বিষয়ে কি পড়ানো হবে সাথে পড়ানোর ধরন।

19

খরচ সম্পর্কে ধারণা পাবেন। সাথে অন্যান্য বিষয় যেমন “part-time job”

20

21

এইটা সবচে’ গুরুত্ব পূর্ণ। আপনি কি এই বিষয়ে পড়ার যজ্ঞ কিনা, ইংরেজি ভাষা জ্ঞান কেমন দরকার, জার্মান ভাষায় কতটা ভালো হতে হবে। কোন বিষয়ে ব্যাচেলর করলে আপনি এই বিষয়ে যজ্ঞ বলে গণ্য হবেন সব এতে পাবেন। তার সাথে কোথায় এবং কিভাবে আপনার আবেদন করতে হবে সবই পাবেন।

22

 

কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনলাইন আবেদন, কিছু ক্ষেত্রে সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কিছু ক্ষেত্রে বলা হয় Uni-Assist এর কথা।

23

যেখানে যেভাবে বলা হবে সেভাবেই আবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে কি কি কাগজ দিতে হবে তার জন্য আপনাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব ভিজিট করতে হবে। আর এক এক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তা এক এক রকম।

24

এখানে “Course website” এ গেলেই মোটামুটি সবই পাওয়া যায়। আর কিছু জানার জন্য  “E-mail” এর সুযোগ তো থাকছেই। তবে অনেক সময় এইখানে দেওয়া “E-mail” সঠিক নাও হতে পারে, তাই “Course website” এ যেয়ে “Course Co-ordinator” অথবা দায়িত্বে থাকা মানুষটিকে ইমেইল দেওয়াই উত্তম।

আবেদনঃ

যে বিশ্ববিদ্যালয় টিতে যেভাবে আবেদন করার কথা বলা হয়েছে সেভাবেই আবেদন করতে হবে। সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয় –এ কাগজ পাঠাতে হলে যে জিনিসটা সবচে’ বেশি পিরা দেয় সেটা হল খরচ। আর এই খরচটা পিলে চমকানোর মত অন্তত যখন আপনি দেখবেন ১০ গ্রাম কাগজ পাঠানোর খরচ আর ৫০০ গ্রামের খরচ একই। “Private mailing service” যেমন T&T, DHL এগুলোর মাধ্যমে কাগজ পাঠানোর খরচ প্রায় একই ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা ওজনের উপর নির্ভর করে, আর কাগজ ৩ থেকে ৪ দিনের ভেতর পৌঁছে যায়। অপর দিকে আমাদের “বাংলাদেশ ডাক” দিয়ে কাগজ পাঠানোর খরচ মাত্র ২০০ থেকে ৫০০ টাকা ওজনের উপর নির্ভর করে, যদিও এই ক্ষেত্রে পৌঁছানোর সময় ২০ দিন থেকে অনন্ত কাল। কিন্তু আমার কাগজ মোটামুটি ৩০ দিনের ভিতর পৌঁছে যায় সব গুলোই। তাই এই ব্যাপারে আমার কথা, যেই সকল বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে  “Deadline” মানে ২ মাসের মত সময় পাবেন সেই গুলোতে “বাংলাদেশ ডাক” দিয়ে পাঠালেই কিন্তু টাকা বাঁচবে। তবুও আবার বলবো, আপনার ইচ্ছে যেটা দিয়ে ইচ্ছে পাঠান। ঝুঁকি আপনার।

 

সব যদি ঠিক থাকে আর আপনার কপাল ভালো থাকে ইনশাআল্লাহ্‌  “Deadline” এর ১ মাসের মধ্যে “offer letter/letter of acceptance” ইত্যাদি জাতিও বহুল কাঙ্ক্ষিত জিনিসটা পেয়ে যাবেন।

পরবর্তী করনীয়ঃ

জার্মানি যাওয়ার জন্য একটা জিনিস অবশ্যই আপনার লাগবে আর তা হল ভিসা। এই মহা-অমূল্য বস্তুটির জন্য এম্বাসি এর কাছে আবেদন করুন, “offer letter/letter of acceptance” পাওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয় আপনাকে আগে “E-mail” করে অবশ্যই আপনাকে জানাবে যে আপনাকে তারা ওই চিঠি মানে “offer letter/letter of acceptance” দিবে নাকি। যদি কোন বিশ্ববিদ্যালয় বলে যে আপনাকে দিবে তাহলে অবশ্যই তার কাছের থেকে একটা “Scan copy” চেয়ে নিবেন “E-mail” এই। আর এই “Scan copy” আপনার সব রকম প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম।  শুধু শুধু “Hard copy” এর জন্য অপেক্ষায় থাকবেন না। আপনি ওই “Scan copy” দিয়েই এম্বাসি এর “interview” এর মোকাবেলা করতে পারবেন। এম্বাসিতে “E-mail” করার পর তারা ৫ থেকে ২০ দিনের মত সময় নিবে আপনাকে তারিখ দিতে। এই তারিখ তারা দিবে আপনার ক্লাস শুরুর তারিখের উপর ভিত্তি করে। তাই দুশ্চিন্তা করে ওজন কমাবেন না। অপেক্ষা করুন। সবুরে মেওয়া সহ সকল ফলই ফলে।

লিঙ্কঃ http://www.dhaka.diplo.de/visa

 

25

26

 

ইমেইল এ যা লিখবেন,

আপনার প্রয়োজন যা তাই লিখবেন, প্রয়োজনের থেকে একটা কথাও বেশি লিখবেন না। ভিসা বিভাগের লোকজন আপনার আত্মীয় কিনা জানি না কিন্তু আমার ছিল না তাই আমি যা লিখেছিলাম তা মোটামুটি হল,

27

 

এর পর পাঠিয়ে দিন আর অপেক্ষা করুন। ইনশাআল্লাহ্‌ উত্তর পেয়ে যাবেন কিছু দিন পরেই। অবশ্যই ফোন নাম্বার সঠিক এবং সবসময় খোলা থাকে এমন টা দিবেন।

28

তারিখ পাওয়ার পর সবার আগে যা করবেন তা হল সব কাগজ পত্র ঠিক করা। যেমন,

 

ফর্ম পূরণ করবেন এবং প্রিন্ট দিবেন ৩ কপি। ৩ কপিতেই ছবি লাগাবেন।

ফর্ম লিঙ্কঃ

http://www.dhaka.diplo.de/contentblob/494300/Daten/55423/Antrag_Familienzusammenfuehrung_Download.pdf

আমার পূরণ করা ফর্ম সাহায্য লিঙ্কঃ

https://drive.google.com/file/d/0B-V5Ohwkf1EXSUtrUlZWZVdybU0/edit?usp=sharing

 

29

 

30

31

32

 

ফর্মের একদম শেষ অংশে আপনার সচল, কখনো বন্ধ করবেন না এমন ফোন নম্বর দিন।

 

কারণ, আমার ইন্টার্ভিউ এর ৫-৭ দিনের মাঝে ফোন দিয়েছিল। তাই তাদের কিছু জানার থাকলে ফোন করে জিজ্ঞাস করবে। এই জন্য ফোন নম্বরটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর কোন ঠিকানা বা অন্য কিছু যদি ফর্মে লিখার জায়গা না হয়, তবে প্রিন্ট দিয়ে হাতে লিখুন ইংরেজিতে।

 

১। আপনার “Block Account” ৭৯০৮ ইউরো। আমি “City Bank” বনানী শাখা থেকে করেছি। ১১ নং রাস্তা। আপনি ব্লক আকাউন্ট করার আগে একটু খোঁজ নিবেন যে, এখন কোন কোন ব্যাংক তাদের সাদা তালিকায় আছে অথবা গ্রুপ থেকে দেখবেন সম্প্রতি কোন ব্যাংক এর অ্যাকাউন্ট এর ভিসায় ঝামেলা করছে না।

 

২। “Health Insurance” এটা এম্বাসি এর পছন্দের যে কোন একটার থেকে করতে পারেন।

http://www.dhaka.diplo.de/contentblob/1808788/Daten/3820833/Merkblaetter_Krankenversicherung_Download.pdf

33

৩।  নিচের মত সব কাগজ ঠিক ঠাক করুন

34

এখন ভালো একটা কথা মনে পরছে সেটা হল, লেমিনেটিং  এর জন্যে কোন সমস্যা নেই। শুধু আপনার সকল সনদ-পত্র আসল আর ঠিক ঠাক হলেই চলে।

 

ফটো কপি এর একটা বেপার আছে, দয়া করে সব কাগজ ২ সেট করে ফটো কপি করবেন। খেয়াল রাখবেন ফটো কপি এর মান যেন ভালো হয়। ৩ কপি করে করাই ভালো। ওহ! পাসপোর্ট এর ফটো কপি এর কথা ভুলবেন না। ভ্রমণ বীমা টাও করবেন সম্পূর্ণ।

 

সব কাগজের পর রইলো বাকি ছবি। ছবি এর জন্যেও ওয়েব এ খুব ভালো করে লিখা আছে। ছবির গুনগত মান অবশ্যই ভালো হতে হবে সাথে মাপ টাও ঠিক রাখতে হবে। আর ছবি অবশ্যই  ৪ কপি নিবেন।

http://www.dhaka.diplo.de/contentblob/1857956/Daten/149684/Passbild_Fotomustertafel_Download.pdf

35

 

এখন ছবি কি নতুন করে তুলবেন নাকি আগের ছবি কাটা কাটি করবেন সেটা আপনার ব্যাপার।

 

এখন এক নজরে দেখে নেই কি কি কাগজ পত্র ফটোকপি করতে হবে এবং সাথে নিতে হবে এম্বাসি এর ইন্টার্ভিউ এর দিন।

  • পাসপোর্ট
  • যে বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে বলেছে আপনাকে ভর্তি করাবে তার কাগজ।
  • স্বাস্থ্য বীমা এর কাগজ।
  • ব্যাংক এর কাগজ। এই মর্মে যে আপনার পর্যাপ্ত (৭৯০৮ ইউরো) ব্লক আছে।
  • ভিসা ফর্ম।
  • ছবি।
  • চাকুরীর সনদ পত্র অথবা অভিজ্ঞতা পত্র।
  • ভাষা গত দক্ষতা সনদ পত্র। (English)
  • ভাষা গত দক্ষতা সনদ পত্র। (German)
  • S.C. এর কাগজ পত্র। যেমন, Admit card + Registration card + Academic Transcript + S.S.C. Certificate
  • S.C. এর কাগজ পত্র। যেমন, Admit card + Registration card + Academic Transcript + H.S.C. Certificate
  • Bachelor এর কাগজ পত্র। যেমন, Admit card (যদি থাকে)+ Registration card (যদি থাকে)+ Academic Transcript + Bachelor Certificate
  • Masters এর কাগজ পত্র। যেমন, Admit card (যদি থাকে)+ Registration card (যদি থাকে)+ Academic Transcript + Masters Certificate
  • Accommodation এর কাগজ পত্র। মানে জার্মানিতে যেখানে থাকবেন তার কাগজ।

এই হল মোটামুটি সব কাগজ। এই কাগজ গুলর সব কয়টার ৩ টি করে ফটোকপি করবেন। শুধু ছবি নিবেন ৪ কপি।

 

বিঃদ্রঃ ফটোকপি ২ কপি সাথে অরিজিনাল ১ কপি যথেষ্ট। তবুও আমি ৩ কপি ফটোকপি করার পক্ষে। আর ছবি অবশ্যই ৪ কপি লাগবে। ৩ কপি ফর্মে আর এক কপি আপনার পাসপোর্ট এর ভিতর দিয়ে দিবেন।

 

কাগজ পত্র গুলো স্টাপ্লার করার চেয়ে জেমস ক্লিপ দিয়ে আটকিয়ে দিলে ভালো হয়। আর সম্পূর্ণ সেট গুলো বড় পেপার ক্লিপ দিয়ে আটকিয়ে দিন।

ভিসা ইন্টার্ভিউ প্রস্তুতিঃ

ভিসা ইন্টার্ভিউ আর দশটা – পাঁচটা ইন্টার্ভিউ এর মত নয়। এই জিনিস এর স্বাদ ভুলার মত নয়। একবার ভেবে দেখুন আপনার কাগজ ঠিক থাকলে আপনি কিন্তু ভিসা পাওয়ার যোগ্য। আগে বলি কেমন করে আপনার প্রস্তুতি নেওয়া উচিৎ, মানে কোন কোন ব্যাপার গুলো জানা প্রয়োজন,

  • আপনার বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে
  • আপনার সদ্য শেষ করা Academic Degree সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা। যেমন, Bachelor বাS.C এর বিষয় গুলো
  • জার্মানিতে কেন পড়তে যাবেন?
  • আপনার বিষয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দের পিছনের কারন
  • যে বিষয়ে পড়তে যাবেন তার সম্পর্কে যে টুকু সম্ভব জানুন
  • যে অঞ্চলে আপনার বিশ্ববিদ্যালয় সেই অঞ্চল সম্পর্কে জানুন

নিজেকে যথা সম্ভব শান্ত রাখুন। স্নায়বিক চাপ থাকবেই কিন্তু স্রস্টায় ভরসা রাখুন। আপনাকে যে সময় যেতে বলা হবে চেষ্টা করবেন তার অন্তত ৩০ মিনিট আগে এম্বাসিতে উপস্থিত হওয়ার। সেখানে যাওয়ার পর আপনাকে যেভাবে যা করতে বলা হবে সেই নিয়ম মেনে চলুন। সঙ্গে প্রয়োজনের (৬৫৫৫+ টাকা) তুলনায় একটু বেশি টাকা রাখবেন এটাও কিন্তু আপনাকে মানুষিক ভাবে একটু শান্ত হতে সাহায্য করবে। আপনার সাথে যারা ভিসা ইন্টার্ভিউ দিতে আসবে মানে এম্বাসি যেয়ে যাদেরকে অপেক্ষা করতে দেখবেন তাদের সাথে পরিচিত হন। পরিবেশের সাথে মানাতে বন্ধুত্ব করুন, পারস্পরিক সমস্যা বা ভিসা ভীতি আদানপ্রদান করুন। একটু হলেও মানুষিক প্রশান্তি পাবেন। নিজেদের মতামত বিনিময় করুন হোক তার বিশ্ববিদ্যালয়, তার কোর্স এর বিষয় আপনার থেকে আলাদা।

 

নিচে আমার দেওয়া ইন্টার্ভিউ এর অভিজ্ঞতা টা তুলে ধরলাম, ইংরেজিতে দেওয়ার কারণ আপনাকে তারা ইংরেজিতেই প্রশ্ন করবে আর আপনাকে ইংরেজিতেই উত্তর দিতে হবে।

***Interview***

*What is your name?

# My name is Mohammad Oli Al Islam

*What is your university name?

# Hochschule Furtwangen University

*What is the subject?

# Biomedical Engineering specialized in Biomedicine.

*I see, you are from Pharmacy how you will be able to cope up with this engineering course?

# Well, I think I can. It’s for sure Biomedical Engineering is a engineering subject and our background is medicine. But I can cause the university’s 1st semester is to make us a good B.Eng. in the 1st sem. There will be a lot of math to do, engineering staffs. And my university coordinator said this 1st sem is enough to be cope up with this subject. So I will be able to cope up with it I believe.

*What is your study module of 1st semester?

# Well the 1st semester is full of math. Those are,

Introduction to Biomedicine.

Introduction to Medical Eng.

System Biology

Artificial Organ

Computer technology

Sensors, etc.

*What is the 2nd semester’s module?

# Well these are my favorite.

Research Intern in a company

Research Intern Practical

And some other like Imaging system and simulation.

*In which city your university is?

# it’s in Villingen-Swchaingen beside Furtwangen.

*Tell me something about your university.

# well this university is a good one. It’s ranked 81 among the German Universities. It’s a technical university. It is in a nice city. It has 5800 students almost and 13% of them are international.

*Tell me about the city.

# This city is so nice. There are so many things to see. Black forest is so close to it. The most said river of Europe Danube, some say that Danube has started from black forest. In here the world’s largest co-co clock is. And clock museum as well. There were clock maker who is an enlisted clock maker of Europe that’s what I came to know from Wikipedia.

*When did you finished your B.Sc.?

# Its 2013. Last year.

*What have you done after that?

# Well, I have finished in last semester but got my certificate in this feb-2014. So it’s a big gap. And I can’t get job without my certificate. So in this time I take preparation for IELTS and took my A1 course of German language from Goethe.

*O I see, you have done German language?

# Yah. The A1

*Where?

# from Goethe Institute Bangladesh.

*Tell me what you have done about the language in Duetsch.

(He asked me what I have done in this course, I need to say in Duetsch. I won’t give the answer cause am not that much good at it and you will surely laugh at me 😛 but I have answered it don’t know how  )

*How old are you? (in Duetsch)

# 24 years.

**After answering in German he said you didn’t practiced the Duetsch well!

**Then he find out my Language certificate and marked A1. Then again asked….

*Wo wohnnen Sie?

(That one is easy and in A1 this question was common)

# Ich wohne im Dhaka.

**He asked me the last question after finding out my A1 certificate and marked there A1.

 

প্রশ্ন দেখেই বুঝতে পারছেন কি ধরণের প্রশ্ন হতে পারে। আসলে প্রশ্ন গুলো খুব কঠিন না। আপনার যদি সত্যি জার্মানিতে পড়ার ইচ্ছে থাকে তবে অবশ্যই আপনি পারবেন। শুধু জার্মানি কেন আপনি যদি বাংলাদেশের কোন প্রাইমারিতেও ভর্তি হতে চান সেক্ষেত্রেও আপনি নিশ্চয়ই বিষয় গুলো জানতে চাইবেন ভর্তি হওয়ার আগেই। আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এই সব আপনি জানবেন কিভাবে? সেই জন্য বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন দেখুন, বিশেষ করে গ্রামীণ ফোনের “ইন্টারনেট আছে তো দুনিয়া হাতে”। জি ভাই জান! কষ্ট করে একটু ইন্টারনেট ব্যবহার করুন, খুঁজুন। “খাইট্টা খান” । আর যদি বলেন ইন্টারনেট এর ব্যাবহার করতে না পারেন, খুঁজতে না পারেন সেটা মিথ্যা। আমার লেখা কিন্তু ইন্টারনেট এই পরছেন। ওহ! বলাই হয়নি, এটাই ইন্টারনেট।

 

পুরো ইন্টার্ভিউ এ সবচে’ গুরুত্ব পূর্ণ আপনার বলার মধুরতা। কিভাবে আপনি উত্তর দিচ্ছেন, কেমন করে উত্তর দিচ্ছেন আর সব চাইতে বড় কথা আপনার কথার পিছনে যুক্তি কতটুকু। আমি বলছি না মাস্টার্স করতে যাওয়ার আগেই ইন্টারনেট থেকে মাস্টার্স এর সম্পূর্ণ কোর্স মুখস্থ করে ফেলুন বরঞ্চ যেটুকু আগ্রহ জাগবে ততটুকু চেষ্টা করুন। নিচের দিকে হয়ত একটা প্রশ্ন দেখেছেন ২০১৩ তে পাস করার পর আমি কি করেছি? আমার উত্তর লক্ষ করুন। আমি কিন্তু যা বলেছি সত্য বলেছি। আপনি ও আপনার যে সকল জায়গায় ফাঁকা আছে মানে একটু দুর্বলতা সেই প্রশ্নের জন্যে প্রস্তুত থাকুন। সম্ভব হলে সমস্ত অসামঞ্জস্য পূর্ণ প্রশ্নের উত্তর মনে মনে ঠিক করুন। কারো সাহায্যের প্রয়োজনে সাহায্য চান। কিন্তু উত্তর দয়া করে নিজেই ঠিক করুন। প্রশ্নের উত্তর নিজেকে তৃপ্ত করতে দিন। যথাসম্ভব নিজের আগ্রহ প্রকাশ করুন। মনে করুন প্রশ্ন গুলো যতই বিদঘুটে হোক আপনার চেহারায় ভাব রাখুন যে আপনার পড়ার ইচ্ছে আছে, আর সেটা যেভাবে করবেন সেটার সূত্র জানতে দয়া করে “Motivation Letter” এর কথা মনে করুন। আপনার আগ্রহ প্রকাশের সব চাইতে সহজ উপায় প্রশ্নের সাথে সাথে যতটা সম্ভব ইনফরমেশন দিন। আপনার আগ্রহের মান দণ্ড আপনার জ্ঞানের প্রতি আসক্তি। যতটা সম্ভব ইংরেজি এর দক্ষতা বাড়ান, জার্মান ভাষা রপ্ত করার চেষ্টা করুন।

“কঠোর পরিশ্রম যুদ্ধকে সহজ করে দেয়”।

এরপর যা করবেনঃ

তাহার অতঃপর কেবলই অপেক্ষা। অবশ্য অপেক্ষা বলা ভুল, স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা বলাটাই উত্তম। কোন দিন কিভাবে আপনাকে জানাবে যে আপনার ভিসা হয়েছে কিনা তা জানতে জার্মান ওয়েবে লক্ষ্য  রাখুন।

লিঙ্কঃ

http://www.dhaka.diplo.de/Vertretung/dhaka/en/02/Visa__Complete.html

36

এই ওয়েব এই পাবেন আপনার ভিসা এর খবর। আপনার যে আইডি নম্বর দেওয়া হবে সেই নম্বর এই ওয়েবে আসা মানে ভালো বা মন্দ যে কোন একটা ফলাফল এসেছে। পরবর্তী কার্যদিবসে যেয়ে আপনার পাসপোর্টটি নিয়ে আসুন। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।

 

একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা সবসময় মাথায় রাখবেন, “স্রস্টা যা করবেন তা আপনার ভালোর জন্যই”।

ভিসা পাওয়ার শর্তাবলীঃ

জার্মান এম্বাসি কর্তৃক ঘোষিত শর্ত:

ইংরেজিতে,

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/GermanEmbassyDhaka/posts/546440508796045

37

বাংলায়,

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/GermanEmbassyDhaka/posts/546439548796141

38

সুতরাং এই শর্ত অথবা উপদেশ থেকে যে বিষয় গুলো সুস্পষ্ট তা হল,

* ইংরেজিতে ভালো জ্ঞান ।

* ভিসা সাক্ষাৎকারে সকল প্রশ্নের যথাযথ উত্তর প্রদান।

* যেসকল প্রশ্ন করা হবে তার উত্তর সেই ছাত্র ভালো পারবে যে আবেদন এর সম্পূর্ণ কাজ নিজে নিজে করেছে।

* মেধাবী ছাত্রদের উৎসাহী করা হচ্ছে। তাই মেধাবী হন।

আমার কাছে একমাত্র উপদেশঃ

সনদের পিছনে না ছুটে জ্ঞানের পিছনে ছুটুন। আপনার দাম বাড়বে বৈ কমবে না।

“আল্লাহ্‌ যা করবেন তাতেই আমার মঙ্গল”

চলবে…………।

লেখকঃ মোহাম্মাদ অলি আল ইসলাম

Print Friendly, PDF & Email