• Home »
  • BSAAG »
  • আইইএলটিএস ওভারভিউ ২য় পর্ব-রিডিংঃ

আইইএলটিএস ওভারভিউ ২য় পর্ব-রিডিংঃ

 

আইইএলটিএস ওভারভিউ // ২য় পর্ব-(Reading) রিডিংঃ

অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের মতে IELTS এর সবগুলো পার্টের মধ্যে রিডিং অংশটি সবচেয়ে কঠিন মনে হয়। এখানে তিনটি বিভাগে ৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। সময় এক ঘণ্টা। Reading-এ টেস্ট করা হয় একটা প্যাসেজ পড়ে আপনার বোঝার ক্ষমতা। আপনাকে বিশাল বিশাল তিন-চারটা প্যারাগ্রাফ দেয়া হবে, তার থেকে আপনাকে অত্যন্ত সিম্পল সিম্পল উত্তর দিতে হবে। কিন্তু ঐ সিম্পল সিম্পল উত্তরগুলো আপনি সহজে পারবেন না, যদি না আপনি প্যাসেজটা ঠিকমতো বুঝতে পারেন। প্যাসেজটা আপনি ঠিকমতো বুঝতে হলে আপনাকে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হবে, আর তাহলে বাকি প্যাসেজে সময় কমে আসবে। এভাবেই এই সহজ পরীক্ষাটা সব পরীক্ষার্থীর জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। অর্থাৎ এই পরীক্ষায় আপনি যদি কিছু কৌশল রপ্ত না করে চলে যান, তাহলে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে পারবেন না, সে আপনি যতই কনফিডেন্ট হোন না কেন?

আইইএলটিএস ওভারভিউঃ

Convert your language score from IELTS,TOEFL to CEFR

আইইএলটিএস এর সাত-কাহন

বিসাগের সেমিনার ২৯শে ডিসেম্বর, ২০১৬, ধানমন্ডি, (UIU) ক্যাম্পাস।

BSAAG-info-Session-19 completed (Code_UIU_310317_19)

একঝলকে রিডিং মডিউলঃ

ধাপ-তিনটি (প্রতি ধাপে ১টি প্যাসেজ থাকবে)
প্রশ্ন-৪০ টি
সময়-৬০ মিনিট

এই ৬০ মিনিট বা ১ ঘন্টা সময়ের মধ্যে কোন ধরনের বিরতি থাকবেনা।

প্যাসেজের ধরনঃ

তিনটি প্যাসেজের প্রতিটি কমবেশি ২০০০-২৭৫০ শব্দের মধ্যে হবে।প্যাসেজ গুলো দেওয়া হবে সংবাদপত্র,ম্যাগাজিন, বিভিন্ন বই,জার্নাল ইত্যাদি হতে।প্যাসেজ গুলো ক্রমান্বয়ে কঠিন হবে এবং অন্তত একটি প্যাসেজ পূর্নাঙ্গ যুক্তিতর্ক নির্ভর হবে।

আইইএলটিএস টেস্টের এই অংশে ৩টি আলাদা প্যাসেজ থাকে। আর এই প্যাসেজগুলোর অধীনে বেশ কিছু প্রশ্ন থাকে।তাহলে কেমন হয় প্যাসেজ গুলো?আগেই বলেছি প্যাসেজগুলো ক্রমান্বয়ে কঠিন থেকে কঠিনতর হয়।

প্যাসেজ-১ঃ

রিডিং অংশের এই প্যাসেজটি অপর দুটি প্যাসেজের চেয়ে তুলনামূলকভাবে সহজ হয়ে থাকে। এখানে এই প্যাসেজ এর নিচে কয়েক ধরেনর প্রশ্ন করা হয়। তাই প্যাসেজটি পরে একজন পরীক্ষার্থীকে প্রশ্নের উত্তরগুলো করতে হবে। তবে এই প্যাসেজের জন্য কখনোই ২০ মিনিটের বেশি সময় ব্যয় করা উচিত নয়।

প্যাসেজ-২ঃ

প্রথম প্যাসেজটির তুলনায় এই প্যাসেজটি তুলনামূলক একটু কঠিন হয়ে থাকে। এখানে থেকে বেশ কিছু প্রশ্ন করা হয়। যেগুলো প্যাসেজ থেকে পড়ে তথ্য নিয়ে উত্তর করতে হয়। এই প্যাসেজের জন্যও ২০ মিনিটের অধিক সময় ব্যয় করা উচিত নয়।

প্যাসেজ-৩ঃ

এই প্যাসেজটি রিডিং সেকশনের সব থেকে কঠিন অংশ। যা পার্দশিতার মাপমাঠিতে পার্থক্য এনে দিতে সক্ষম। এই প্যাসেজটি থেকেও বেশ কিছু প্রশ্ন করা হয়। এই প্যাসেজের জন্য ২০ মিনিটের অধিক সময় ব্যয় করা উচিত নয়। তবে এটি যেহেতু অন্য প্যাসেজগুলোর তুলনায় কঠিন তাই চেষ্টা করতে হবে অন্য প্যাসেজগুলো থেকে সময় বাঁচিয়ে এখানে দেয়া।

রিডিং মডিউলের পরীক্ষা পদ্ধতিঃ

এই অংশের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে প্রশ্ন দেয়া হবে। যা পড়ে পড়ে উত্তরপত্রে সঠিক উত্তরগুলো লিখতে হবে।

কয়টি প্রশ্ন হবে? ৪০ টি প্রশ্ন থাকে।

কত নম্বর করে থাকবে? প্রতিটি প্রশ্নের জন্য ১ নাম্বার থাকে। অর্থাৎ ৪০ টি প্রশ্নের জন্য ৪০ নাম্বার থাকে।

ক্রস মার্কিন আছে কি না? না কোন ধরনের ক্রস মার্কিন নেই,তাই চেষ্টা করবেন সবগুলো প্রশ্নোত্তর প্রদান করতে।তবে ভুল উত্তর ও বানান ভুলের জন্য নম্বর কাটা যাবে।

জাদুর কাঠিঃ

আইইএলটিএস পরীক্ষদুারর রিডিং অংশে ভালো করার জন্য একটি জাদুর কাঠি লাগবে।আর সে জাদুর কাঠি অলিক কোন বিষয়বস্তু নয়,এটি হল ইংলিশ ভোকাবুলারী পাওয়ার।জ্বী যার ইংলিশ ভোকাবুলারী পাওয়ার যতবেশি হবে তার জন্য এই অংশটি ততটুকুন সহজ হয়ে যাবে।কারন

 এই অংশটিতে ভোকাবুলারীর ব্যবহার সব থেকে বেশি হয়। অর্থাৎ এই অংশটিতে পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে প্যাসেজ পড়ে তার উত্তর করতে হবে। আর প্যাসেজগুলোর অর্থ বুঝতে হলে ভোকাবুলারী এর ভাণ্ডার সমৃদ্ধ থাকতে হবে। নাহলে ভুল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আইইএলটিএস পরীক্ষায় এই অংশের পরীক্ষা সব থেকে দীর্ঘক্ষণের হয়ে থাকে। আর অংশের মাঝে কোন বিরতিও পাওয়া যায় না। তাই প্যাসেজ পরে তা বুঝে ৪০ টি প্রশ্নের উত্তর করাটা বেশ কঠিন।

প্রশ্নের ধরনঃ

 

রিডিং অংশে প্রদত্ত প্যাসেজগুলো থেকে বিভিন্ন ধরন বা প্যাটার্ন এর প্রশ্ন করা হয়। আর এই ভাবে প্রায় ১১ রকমে প্রশ্ন আসতে পারে আয়েল্টস রিডিং টেস্টে।সাধারনত আইইএলটিএস পরীক্ষায় নিম্নোক্ত ধরনের প্রশ্নগুলো থাকে যেমনঃ

1)Multiple choice
2)Identifying information (True/False/Not given)
3)Identifying writers views/claims (Yes/No/Not given)
4)Matching information/headings/features/ sentence endings
5)Sentence/Summary/Note/Table/Flow-chart/Diagram & label completion
6)Short-answer questions and so on

Multiple choice: যেখানে A, B, C অথবা D থেকে যেকোন ১ টি উত্তর সিলেক্ট করতে হবে। অথবা A, B, C, D অথবা E থেকে ২ টি সঠিক উত্তর কিংবা A, B, C, D, E, F অথবা G থেকে ৩ টি সঠিক উত্তর নিয়ে উত্তরপত্রে লিখতে হবে।

Identifying information: এই ধরনের প্রশ্নে পরীক্ষার্থীকে তথ্য যাচাই করতে হবে। এবং যাচাই করে তথ্যটি ‘true’, ‘false’ অথবা ‘not given’ এর কোনটি তা উত্তর দিতে হবে।

Identifying writer’s views/claims: এই ধরনের প্রশ্নে পরীক্ষার্থীকে তথ্য যাচাই করতে হবে। এবং যাচাই করে তথ্যটি ‘yes’, ‘no’ অথবা ‘not given’ অপশনের মধ্যে উত্তর দিতে হবে।Matching information: প্যাসেজের মধ্যে ‍A, B, C, D, E, F করে বেশ কিছু তথ্য দেয়া থাকে। পরীক্ষার্থীকে প্রশ্নের দেয়া তথ্যটি কোন পয়েন্টের আন্ডারে আছে তা খুঁজে বের করতে হয়।

Matching headings: এই ধরনের প্রশ্নে পরীক্ষার্থীকে i, ii, iii অপশনের অধীনে কিছু পয়েন্ট বা শিরোনাম দেয়া হয়। যেগুলোর মধ্যে কোনটি আর্টিকেলের শিরোনাম হতে পারে জানতে চাওয়া হয়।

Matching features: এমন প্রশ্নে পরীক্ষার্থীকে প্রশ্নের একাধিক তথ্য দিয়ে সঠিক উত্তরটি খুঁজে বের করতে হবে।

Matching sentence endings: এটি অনেকটা শূণ্যস্থান পূরণের মতো প্রশ্ন হয়। এখানে একটি Sentence এর শেষের অংশে ফাঁকা ঘর থাকবে। যা প্যাসেজ পরে সমার্থক শব্দ দিয়ে পূরণ করতে হবে।

Sentence completion: এটাও শূণ্যস্থান পূরণ। এখানে পরীক্ষার্থীকে প্যাসেজ থেকে আইডিয়া নিয়ে Sentence পূরণ করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে প্রশ্নে কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়ে থাকে। যেমন- Write ‘NO MORE THAN THREE WORDS AND/OR A NUMBER from the passage’, ‘ONE WORD ONLY’ অথবা ‘NO MORE THAN TWO WORDS from the passage for each answer.’ এই ধরনের শর্ত দেয়া হয়।

Summary, note, table, flow-chart completion: এখানে প্যাসেজের পাশাপাশি Summary, note, table, flow-chart completion ইত্যাদি দেয়া থাকবে। তবে পরীক্ষার্থীকে সকল সূত্র থেকে উত্তর বের করে নিয়ে আসতে হবে। আর এখানেও Write ‘NO MORE THAN THREE WORDS AND/OR A NUMBER from the passage’, ‘ONE WORD ONLY’ অথবা ‘NO MORE THAN TWO WORDS from the passage for each answer.’ এই ধরনের শর্ত দেয়া হয়।

Diagram label completion: এই ধরনের প্রশ্নে চিত্র দেয়া হয় তবে কি চাওয়া হচ্ছে তা বুঝে পরীক্ষার্থীকে উত্তর করতে হবে। অনেক সময় প্রশ্নে শব্দ বা সংখ্যাও চাইতে পারে। তাই প্রশ্ন বুঝে উত্তর করতে হবে। এখানেও Write ‘NO MORE THAN THREE WORDS AND/OR A NUMBER from the passage’, ‘ONE WORD ONLY’ অথবা ‘NO MORE THAN TWO WORDS from the passage for each answer.’ এই ধরনের শর্ত দেয়া হয়।

Short-answer questions: এখানে প্যাসেজের আলোকে প্রশ্ন করা হবে। পরীক্ষার্থীকে প্রশ্ন বুঝে প্যাসেজ থেকে উত্তর করতে হবে। তবে শব্দের লিমিটেশন কত তা খেয়াল করতে হবে। শর্ত অতিক্রম করলে উত্তর ভুল ধরা হবে।

বিঃদ্রঃ রিডিং অংশের পরীক্ষায় প্রশ্নে বেশ কিছু তথ্য এবং শর্তের উল্লেখ থাকে। যেগুলো অবশ্যই পালনীয়। মানে আপনাকে পুরোটা মেনে তারপর উত্তর করতে হবে। তাই প্রশ্ন এবং উত্তরপত্র পাওয়া মাত্রই উত্তর করার জন্য ঝাপিয়ে পড়বেন না। বরং ইন্সট্রাকটর কি বলছেন তা শুনে এবং প্রশ্ন কি চাইছে সে দিকে মনোযোগী হয়ে বুঝে উত্তর করতে হবে।

https://www.youtube.com/watch?v=DHwrjXED9Vw&list=PLJReqSNkkJTONIOjKB-i8x3OSBpHAup5F

রিডিং অংশে ভালো করার উপায়ঃ

১) প্যাসেজগুলো যতোটা সম্ভব দ্রুত পড়ে যাওয়া।

আইইএলটিএস পরীক্ষার এই অংশটিতে ৩টি প্যাসেজ থাকে। প্যাসেজগুলো প্রায় হাজারের অধিক শব্দের হয়ে থাকে। প্রতিটি প্যাসেজের জন্য গড়ে সময় পাওয়া যায় মাত্র ২০ মিনিট করে। এর মধ্যে পুরো প্যাসেজটি পড়ে উত্তর করতে যাওয়াটা বোকামি হবে। তাই পুরো প্যাসেজের একটি ওভারভিউ নিতে হবে। খুব দ্রুত চোখ বুলিয়ে যেতে হবে। নাহলে পরে উত্তর করার সময় পাওয়া যাবে না। এসময় ছোট ছোট নোট নিয়ে রাখা যেতে পারে।

২) প্যাসেজের ডিফিকাল্টি অনুযায়ী পরীক্ষার শুরুতেই সময় ভাগ করে নেয়া।

রিডিং অংশের পরীক্ষার শুরুতেই প্যাসেজগুলো স্কিমিং অ্যান্ড স্ক্যানিং করার পর প্রতিটি প্যাসেজের জন্য সময় ভাল করে ফেলতে হবে। এরপর সেই সময়ের মধ্যে প্যাসেজের অধীনে থাকা প্রশ্নগুলোর উত্তর করতে হবে। যেমন- প্রথম প্যাসেজটি বরাবরই তুলনামূলক সহজ হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে এই প্যাসেজের জন্য ১৭ মিনিট, ২য় প্যাসেজের জন্য ১৯ মিনিট এবং শেষের প্যাসেজটি সাধারণত সব চেয়ে কঠিন হয় বলে সেটার জন্য ২১ মিনিট। এভাবে টাইম ভাগ করার পরেও হাতে ২-১ মিনিট পাওয়া যাবে। তখন উত্তরগুলো চেক করে নিতে পারবেন।

৩) প্রথমে প্রশ্ন পড়ে নিয়ে পরে প্যাসেজে উত্তরগুলো খোঁজা।

পুরো প্যাসেজটি পড়ে এরপর উত্তর খুঁজতে গেলে শেষে গিয়ে হাতে সময় পাওয়া যায় না। এজন্য প্রথম প্রশ্নগুলো ভালো ভাবে পড়ে তারপর প্যাসেজে গিয়ে উত্তরগুলো খুঁজে বের করা উচিত। এতে করে উদ্দেশ্যহীন ভাবে প্যাসেজ না পড়ে বরং নির্দিষ্ট উত্তরের জন্য প্যাসেজটি পড়া হয় এবং তা মূল্যবান সময় বাঁচিয়ে দিতে পারে।

৪) একটি প্রশ্নে অনেক বেশি সময় না দেয়া।

অনেকেই একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া পর্যন্ত সেটির উত্তর খুঁজতেই থাকেন। এতে অতিরিক্ত অনেক সময় ব্যয় হয়। তবে পুরো প্যাসেজটি বার বার পড়ার পরও হয়তো প্রশ্নটির উত্তর পাওয়াই যায় না। এমন পরিস্থিতে ওই প্রশ্নটি স্কিপ করে যাওয়াই ভাল। যাতে পরে সময় পেলে তার উত্তর করা যায়। অন্যথায় বাদ দিয়ে সামনের প্রশ্নে যাওয়াই ভাল।

৫) আইইএলটিএস পরীক্ষার এই অংশটিতে প্রশ্নে অনেক সময়ই ‘NO MORE THAN THREE WORDS/ LESS’ বলা হয়ে থাকে। এমন তথ্যগুলোতে খেয়াল রাখা।

রিডিং সেকশনে অনেক প্রশ্নেই শব্দের লিমিট দেয়া থাকে। এক্ষেত্রে কখনোই সেই লিমিট অতিক্রম করা ঠিক না। এতে করে উত্তরটি ভুল বলে বিবেচনা করা হয়। তাই লিমিটের বাইরে কোন ভাবেই যেয়ে উত্তর করা যাবে না।

৬) বানান ঠিক আছে কিনা তা আবারও চেক করে নেয়া।

আয়েল্টস টেস্টে বানান ভুলের জন্য নাম্বার কাটা হয়। এই সেকশনে উত্তরগুলো প্যাসেজ থেকে নিতে হলেও অনেকেই দেখে দেখে বানান ভুল করে বসেন। তাই পরীক্ষার শেষে সময় পেলে উত্তরগুলোতে কোন বাানান ভুল আছে কিনা তা চেক করে দেখতে হবে।

৭) উত্তর করার সময় Singular এবং Plural ফর্মের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

কোন প্রশ্নের Singular বা Plural ফর্মে উত্তর করার প্রয়োজন আছে কিনা তা ভাল ভাবে লক্ষ্য করত হবে। প্রশ্নে যদি Plural ফর্ম বোঝানো হয় তবে সেক্ষেত্রে উত্তরটি সেভাবেই লিখতে হবে। অন্যথায় উত্তরটি ভুল ধরা হতে পারে।

৮) প্রশ্নে উল্লেখিত ডাটা/ তথ্য/ ইন্সট্রাকশনগুলো ভাল ভাবে খেয়াল করতে হবে।

রিডিং সেকশনের প্রশ্নে যদি True, False বা Not Given এ উত্তর করতে বলা হয় তবে কখনোই Yes বা No দিয়ে উত্তর করা যাবে না। এমনটা হলে উত্তরটি ভুল ধরা হবে।

৯) উত্তরপত্রে উত্তরগুলো ট্রান্সফার করার জন্য হাতে অবশ্যই অতিরিক্ত কিছু সময় রাখা এবং সবগুলো প্রশ্নের উত্তর করা।

অনেকেই উত্তর করতে করতে সময়ের দিকে খেয়াল রাখে না। খুব দ্রুত প্যাসেজের মধ্যে উত্তরগুলো খুঁজতে গিয়ে পরে দেখা যায় সেগুলো উত্তরপত্রে তুলতে পারে না। তাই ৪০টি প্রশ্নের উত্তর করতে হলে অবশ্যই হাতে কিছু অতিরিক্ত সময় রাখতে হবে।

১০)স্ক্যানিং এবং স্কিমিং পাওয়ার বাড়াতে হবে।অর্থাৎ দ্রুততম সময়ে একবার প্যাসেজটি চোখ বুলাতে হবে এবং পড়তে হবে।কারন পুরো প্যাসেজ খুটিয়ে খুটিয়ে পড়ার সময় পাওয়া যাবে না।
১২) প্যাসেজের মূল আইডিয়াকে আন্ডারলাইন করতে হবে।
১৩) বিস্তারিত জানতে প্রয়োজনে দ্রুত রিডিং পড়তে হবে।
১৪) লেখকের মনোভাব ও মতামত বুঝতে হবে।
১৫) নির্দিষ্ট তথ্য চিহ্নিত করতে হবে।
১৬) সাহায্যকারী তথ্য হতে মূল আইডিয়া আলাদা করতে হবে।
১৭) ডায়াগ্রাম,টেবিল,সেট অব নোট,সামারি সম্পূর্ণ করার জন্য প্যাসেজ হতে তথ্য খুঁজে নিতে হবে।
১৮)রিডিং অংশে প্রচুর সিমিলার ওর্য়াড ব্যাবহার করা হয়।তাই ভালো করার জন্য ভোকাবলারি জানার বিকল্প নাই।যত বেশি শব্দ জানবেন তত বেশি আপনার জন্য ভালো।তার জন্য এই দুটি সফটওয়্যার ব্যবহার করুন।
*Listening English with BBC Learning English Yobimi
*Magoosh Vocabulary builder
১৯)স্পিড রিডিং চর্চা করতে হবে।
২০) প্রশ্ন থেকে কি ওর্য়াড আন্ডারলাইন করতে হবে,তারপর প্যাসেজ স্ক্যান করতে হবে ঐ সকল কি ওর্য়াডের জন্য।উত্তর কি ওর্য়াডের আশেপাশেই থাকবে।
২১)প্যাসেজে উত্তরগুলো প্রশ্নের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী পাওয়া যাবে।
২২)প্রথমে প্রশ্ন ভালো করে পড়ে বুঝতে হবে,তারপর উত্তর খুঁজতে হবে।

ইউটিউব থেকে কিছু রিডিং টিপসের টিউটোরিয়ালঃ

পরিশেষে সময়ব্যবস্থাপনাঃ

সময়ের সাথে ইদুর বিড়াল খেলায় লিপ্তহতে হয় রিডিং পরীক্ষায়।সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে প্যাসেজ থেকে উত্তর খুঁজে উত্তরপত্রে লিখতে হয় আইইএলটিস পরীক্ষার রিডিং অংশে।যা অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর জন্যই বেশ চ্যালেঞ্জিং। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সবগুলো প্রশ্নের উত্তর অনেকেই করতে পারে না।

প্রস্তুতিটা ভালোই, উত্তরও খুঁজে বের করতে পারবেন মনে আত্মবিশ্বাস আছে,কিন্তু সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকলে সবগুলো প্রশ্নের উত্তর করা প্রায় অসম্ভব। এই অংশে তাই প্রস্তুতির সাথে কার্যকরী কিছু স্ট্রাটিজি জানা থাকাটাও জরুরী।

প্রয়োজনীয় সাইটঃ

১)এই সাইট থেকে রিডিং এর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন চর্চা করা যাবে
www.learn english teen.com
২)অনলাইনে রিডিং প্র্যাকটিস করার অসাধারন একটি সাইট।কষ্ট করে স্ক্রল করে নিচে নামতে হবে না।যেকোন লেখা এখানে এনে ছেড়ে দিলে তা ধীরে ধীরে নিচে যাবে।পড়ার গতি,শব্দ কম বেশি করা যাবে।
www.easyprompter.com
৩)এই সাইটেও পড়া ও বিভিন্ন প্রশ্ন চর্চা করা যাবে।এর বিভিন্ন ডিফিকাল্টি লেভেল আছে।প্রয়োজন অনুযায়ী সেট করে নিতে পারবেন।
www.readtheory.org
৪)এটাও কার্যকারী রিডিং চর্চার সাইট।চাইলে দেখতে পারেন।
www.enguid.com
http://idpielts.me/prepare-ielts/free-ielts-practice-tests/

Welcome to IELTS-blog!


https://www.ielts.org/
http://takeielts.britishcouncil.org/prepare-test/free-practice-tests

#BSAAG_Learn_English
#BSAAG_IELTS
#BSAAG_TOEFL_IELTS

লেখকঃ গোলাম সারোয়ার
বিবিএস(অর্নাস),এমবিএস(মার্স্টাস)
ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা,বাংলাদেশ।

Print Friendly, PDF & Email