আইইএলটিএস ওভারভিউঃ

 
  • আইইএলটিএস ওভারভিউ – প্রথম পর্বঃ

  • আইইএলটিএস সর্ম্পকে জানে না বা শুনে নাই এমন মানুষ পাওয়া (যারা পড়াশুনার সাথে জড়িত) আজকের দিনে অসম্ভব।যারা জানেন,শুনেছেন বা ইতিমধ্যে পরীক্ষা দিয়েছেন তাদের তো কেল্লাফতে।যারা জানেন,শুনেছেন কিন্তু এখনও পরীক্ষা দেন নাই আজকে তাদের জন্য পুরানো কাসুন্দি নতুন করে বলছি।আপনি আইইএলটিএস দিবেন এই সাহস যেহেতু করতে পেরেছেন তাহলে আপনি নিশ্চিত পারবেন।শুধু একাগ্রতাটা বাড়াতে হবে।আর আপনার কাঙ্খিত স্কোর না পাওয়া পর্যন্ত ইংরেজির সাথে সক্ষতা বেধে ফেলেন ব্যাস এতে কাজ অনেকটা সহজ হয়ে যাবে।
  • Convert your language score from IELTS,TOEFL to CEFR
  • BSAAG-info-Session-19 completed (Code_UIU_310317_19)
  • আইইএলটিএস এর সাত-কাহন
  • BSAAG-info-Session-19 completed (Code_UIU_310317_19)
  • জার্মান গ্রেড পদ্ধতি

IELTS কিঃ

আইইএলটিএস’ হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা যাচাইয়ের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি পরীক্ষা। IELTS এর পূর্নরুপ হচ্ছে The International English Language Testing System।

কারা দিবে এই পরীক্ষাঃ

যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয় তাদেরকে ইংরেজি ভাষায় নিজ দক্ষতা প্রমানের জন্য এই পরীক্ষা দিতে হয়।

কেনো দিবেঃ

উচ্চ শিক্ষা,চাকুরী,প্রশিক্ষণ,মাইগ্রেশন ইত্যাদি উদ্দেশ্য বিদেশে গমনে ইচ্ছুকদের জন্য এই পরীক্ষা দিতে হবে।আইইএলটিএস পরীক্ষার ভালো স্কোর আপনাকে প্রতিযোগীতায় এগিয়ে রাখবে নিঃসন্দেহে।

গ্রহণযোগ্যতাঃ

আইইএলটিএস এর গ্রহনযোগ্যতা সারা বিশ্বজুড়ে।উচ্চশিক্ষা ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশে ইমিগ্রেশনের ক্ষেত্রে আইইএলটিএস স্কোর থাকা বাধ্যতামূলক। গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে টোফেলের চেয়ে অনেক এগিয়ে আইইএলটিএস।

শর্ত আছে কিনাঃ

কোন শর্ত নেই।যে কেউ এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এর জন্য বয়সের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, শিক্ষাগত যোগ্যতারও কোনো প্রয়োজন নেই।

পরীক্ষা পরিচালনা কর্তৃপক্ষঃ

ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজ, ব্রিটিশ কাউন্সিল ও আইডিপি অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে পরিচালনা করে আইইএলটিএস পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় নীতি নির্ধারক কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় হলেও বিশ্বব্যাপরী পরীক্ষা পরিচালনা ও শিক্ষার্থীদের কাছে তথ্য পৌছে দেওয়ার মূল ভূমিকা পালন করছে বিট্রিশ কাউন্সিল ও আইডিপি অস্ট্রেলিয়া। সারা বিশ্বে একই প্রশ্নপত্র ও অভিন্ন নিয়মে পরীক্ষাটি পরিচালিত হয়।
http://www.britishcouncil.org.bd/en/exam/ielts

https://www.idp.com/bangladesh/ielts

ভ্রান্ত ধারণাঃ

অনেকেই মনে করেন আইইএলটিএস অনেক কঠিন একটি পরীক্ষা। আসলে এটি ভ্রান্ত ধারণা।ইংরেজিতে মোটামুটি দক্ষ হয়েও এ পরীক্ষায় ভালো স্কোর সম্ভব।

পরীক্ষা পদ্ধতিঃ

দুটি মডিউলে আইইএলটিএস পরীক্ষা দেওয়া যায়। একাডেমিক এবং জেনারেল ট্রেনিং। স্নাতক, স্নাতকোত্তর অথবা পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনার জন্য একাডেমিক মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়। কোনো কারিগরি বিষয় বা প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হলে সাধারণত জেনারেল ট্রেনিং মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়। এ ছাড়া সেকেন্ডারি স্কুলে ভর্তি এবং ইমিগ্রেশনের জন্য জেনারেল ট্রেনিং মডিউলে পরীক্ষা দিতে হবে। আইইএলটিএস পরীক্ষায় বসার আগে জেনে নিন কোন মডিউলে আপনাকে পরীক্ষা দিতে হবে। দুটো পদ্ধতিতে পার্থক্য খুব সামান্য। আইইএলটিএস পরীক্ষায় দুই ধরনের মডিউলেই চারটি অংশ থাকে। Listening, Reading, Writing ও Speaking।

লিসেনিং (Listening)


কথোপকথন শুনে বোঝার ক্ষমতা যাচাই করা হয় এ অংশে। চারটি বিভাগে মোট ৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। আপনাকে একটা রেকডিং ইংরেজিতে বাজিয়ে শোনানো হবে, আর সামনে থাকবে প্রশ্নপত্র, ঐ শোনার ভিত্তিতে আপনাকে উত্তর করতে হবে, কী বোঝানো হয়েছে ঐ অডিও টেপে।পরীক্ষা হয় ৩০ মিনিটের।উত্তরপত্রে উত্তর লিখতে দেওয়া হয়১০ মিনিট। একটি বিষয় কেবল একবারই বাজিয়ে শোনানো হয়। কোনো অংশ শুনে না বুঝতে পারলে সেটা নিয়ে আর মাথা না ঘামানোই ভালো। কারণ, এতে পরবর্তী প্রশ্নগুলোর উত্তর বুঝতে না পারার ঝুঁকি থাকে। সঠিক উত্তর বেছে নেওয়া, সংক্ষিপ্ত উত্তর, বাক্য পূরণ ইত্যাদি নানা ধরনের প্রশ্ন থাকতে পারে।

রিডিং (Reading)

অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের মতে IELTS এর সবগুলো পার্টের মধ্যে এটি কঠিন মনে হয়। এখানে তিনটি বিভাগে ৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। সময় এক ঘণ্টা। Reading-এ টেস্ট করা হয় একটা প্যাসেজ পড়ে বোঝার ক্ষমতা। আপনাকে বিশাল বিশাল তিন-চারটা প্যারাগ্রাফ দেয়া হবে, তার থেকে আপনাকে অত্যন্ত সিম্পল সিম্পল উত্তর দিতে হবে। কিন্তু ঐ সিম্পল সিম্পল উত্তরগুলো আপনি সহজে পারবেন না, যদি না আপনি প্যাসেজটা ঠিকমতো বুঝতে পারেন। প্যাসেজটা আপনি ঠিকমতো বুঝতে হলে আপনাকে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হবে, আর তাহলে বাকি প্যাসেজে সময় কমে আসবে। এভাবেই এই সহজ পরীক্ষাটা সব পরীক্ষার্থীর জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। অর্থাৎ এই পরীক্ষায় আপনি যদি কিছু কৌশল রপ্ত না করে চলে যান, তাহলে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে পারবেন না, সে আপনি যতই কনফিডেন্ট হোন না কেন? ইংরেজি মিডিয়ামের শিক্ষার্থীরা এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারেন। এখানেও বাক্য পূরণ, সংক্ষিপ্ত উত্তর, সঠিক উত্তর খুঁজে বের করা ইত্যাদি প্রশ্ন থাকবে। পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোয় দাগ দিয়ে রাখুন। উত্তর খুঁজে পেতে সুবিধা হবে।

রাইটিং (Writing)

এখানে যাচাই করা হয় আপনি কতটুকু কল্পনাশক্তি খাটাতে পারেন এবং একটা বিষয়ের উপরে লিখতে পারেন। এক ঘণ্টায় দুটি প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে। দ্বিতীয় প্রশ্নটিতে প্রথম প্রশ্নের চেয়ে দ্বিগুণ নম্বর থাকে। এজন্য শুরুতেই দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তর ভালোভাবে লিখতে পারেন। প্রথম প্রশ্নটিতে মোটামুটি ২০ মিনিট সময় দিতে পারেন। অন্তত ১৫০ শব্দের উত্তর লিখতে হবে। দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তর দিতে ৪০ মিনিট নিতে পারেন। অন্তত ২৫০ শব্দ লিখতে হবে। শব্দসংখ্যা একটু বেশি হলে ক্ষতি নেই। কিন্তু কম হলে নম্বর কমে যাবে। প্রথম প্রশ্নটিতে সাধারণত কোনো চার্ট, ডায়াগ্রাম থাকে। এ থেকে নিজের কথায় বিশ্লেষণধর্মী উত্তর লিখতে হয়। দ্বিতীয় প্রশ্নটিতে সাধারণত কোনো বিষয়ের পক্ষে, বিপক্ষে মত বা যুক্তি উপস্থাপন করতে হয়।

স্পিকিং (Speaking)

স্পিকিং অংশে পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষকের সামনাসামনি বসে মৌখিক পরীক্ষার ন্যায় পরীক্ষা দিতে হবে।তিনটি অংশে মোটামুটি ১১ থেকে ১৪ মিনিটের পরীক্ষা হয়। প্রথম অংশে পরীক্ষার্থীকে কিছু সাধারণ প্রশ্ন করা হয়, যেমনঃ পরিবার, পড়াশোনা, কাজ, বন্ধু ইত্যাদি। চার থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে উত্তর দিতে হয়। দ্বিতীয় অংশকে বলা হয় কিউ কার্ড অংশ।এখানে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে দুই মিনিট কথা বলতে হয়।এর আগে চিন্তা করা ও নোট নেওয়ার জন্য এক মিনিট সময় দেওয়া হয়। তৃতীয় অংশে কিউ কার্ড রিলেটেড কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়।এপর্বে চার থেকে পাঁচ মিনিটের জন্য পরীক্ষকের সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে কথোপকথন চালাতে হয়।

উদাহরন: Suppose, you have visited a Pharmaceutical company. Now would you please explain what did you see there.

প্রস্তুতিঃ

আইইএলটিএস পরীক্ষা নিয়ে উৎকন্ঠার কিছু নেই। নিয়মিত প্রস্তুতি নিলে যথেষ্ট ভালো স্কোর করা সম্ভব। শুরুতেই আপনার লক্ষ্য ঠিক করে নিন। তবে ইংরেজিতে আপনার এত দিনকার যা দক্ষতা, সে অনুযায়ীই লক্ষ্য ঠিক করবেন। রাতারাতি ভালো স্কোর করা সম্ভব নয়। আবার ইংরেজিতে আপনি যথেষ্ট দক্ষ হলেও কোনো প্রস্তুতি ছাড়া পরীক্ষা দিয়ে আশানুরূপ স্কোর করা সম্ভব নয়। রোজকার কাজের মধ্যেই অন্তত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখুন এ জন্য। কত দিন ধরে প্রস্তুতি নেবেন, এটা আপনার দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। অন্তত তিন মাস সময় হাতে রাখা ভালো। প্রশ্নপত্র সমাধান করাটা প্রস্তুতির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ঘড়ি ধরে প্রশ্নপত্র সমাধান করুন। সম্ভব হলে পরীক্ষার পরিবেশে একসঙ্গে সব অংশের পরীক্ষা দিন।

কেমব্রিজ থেকে প্রকাশিত আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নীলক্ষেতে কিনতে পাওয়া যায়। এগুলো সমাধান করুন। বাজারে অসংখ্য বই পাবেন। তবে সবই নির্ভরযোগ্য এ কথা বলা যায় না। এ পরীক্ষার জন্য কোচিং করবেন কি না এটা সম্পূর্ণ আপনার সিদ্ধান্ত। তবে যা-ই করুন বাড়িতে নিজে পড়াশোনা করতে হবে। আইইএলটিএস নিবন্ধনের সময় প্রস্তুতির জন্য দুটি ছোট বই দেওয়া হয়। এগুলো ভালোমতো পড়ুন ও সমাধান করুন। ব্যাকরণের অনেক খুঁটিনাটি জানতে পারবেন। আবার এমন অনেক বিষয়, যা স্কুল-কলেজে পড়েছেন কিন্তু এখন মনে নেই, তা ঝালিয়ে নিতে পারবেন। এ পরীক্ষা নিয়ে অনেকের কাছ থেকে অনেক রকম কথা শুনতে পাবেন। এতে দ্বিধা বা উৎকন্ঠায় ভুগবেন না। আইইএলটিএস সম্পর্কে যেকোনো তথ্য পেতে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং আইডিপি বাংলাদেশ। ব্রিটিশ কাউন্সিলের লাইব্রেরিতে প্রস্তুতির জন্য প্রচুর ভালো বই পাবেন। তবে এগুলো ব্যবহারের জন্য লাইব্রেরির সদস্য হতে হবে। নীলক্ষেত থেকে যেনতেন বই কিনে অর্থ ও সময় নষ্ট না করাই ভালো। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, আইডিপি অস্ট্রেলিয়া এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের সরাসরি তত্ত্বাবধানেই আইইএলটিএস হয়। তাদের কাছ থেকেই যখন সরাসরি তথ্য পাচ্ছেন, তখন অন্য কোথাও যাওয়াটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

বই পরিচিতিঃ

প্রথমে The Official Cambridge Guide To IELTS শেষ করবেন।এরপর করবেনCambridge series 6-11,Common mistake in IELTS এবং Practice test plus 1-3.এরবেশি কিছু আর লাগবে না।চাইলে ও পারলে অতিরিক্ত করতে পারেন।

স্কোরঃ

এক থেকে নয়-এর স্কেলে আইইএলটিএসের স্কোর দেওয়া হয়। চারটি অংশে আলাদাভাবে ব্যান্ড স্কোর দেওয়া হয়। এগুলোর গড় করে সম্পূর্ণ একটি স্কোরও দেওয়া হয়। এ পরীক্ষায় কৃতকার্য বা অকৃতকার্য হওয়ার কোনো বিষয় নেই। আপনার প্রয়োজনীয় স্কোর করতে পারলেই পরীক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য সফল হবে। ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাইলে সাধারণত সাড়ে ছয় থেকে সাড়ে সাত পেতে হয়। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যান্ড স্কোরও আলাদাভাবে ভালো করতে হয়। সম্পূর্ণ স্কোর যত ভালোই হোক না কেন, একটি বিভাগে স্কোর কমে গেলে ভর্তির সুযোগ না-ও পেতে পারেন। পরীক্ষা দেওয়ার আগেই জেনে নিন ন্যূনতম কত স্কোর প্রয়োজন। আইইএলটিএস স্কোরের মেয়াদ থাকবে দুই (২) বছর।

আইইএলটিএস স্কোর স্কেলঃ

আইইএলটিএস স্কোরসমূহের শুরু ১ থেকে ৯ পর্যন্ত। স্কোরগুলোর স্বীকৃতিস্বরুপ হচ্ছে –

ব্যান্ড ৯ দক্ষ ব্যবহারকারী
ব্যান্ড ৮ খুব ভালো ব্যবহারকারী
ব্যান্ড ৭ ভালো ব্যবহারকারী
ব্যান্ড ৬ পর্যাপ্ত ব্যবহারকারী
ব্যান্ড ৫ পরিমিত ব্যবহারকারী
ব্যান্ড ৪ সীমিত ব্যবহারকারী
ব্যান্ড ৩ অতিরিক্তমাত্রায় সীমিত ব্যবহারকারী
ব্যান্ড ২ ব্যবহারকারী নয়
ব্যান্ড ১ যারা অপ্রাসঙ্গিক উত্তর দিয়েছে বা যারা communicate ব্যর্থ হয়েছেব্যান্ড ০ পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেনি / উত্তর দেয়নি

প্রস্তুতি ও পরীক্ষা সংক্রান্ত আরও কিছু তথ্যঃ

শুরুতেই একটি মডেল টেস্ট দিন এতে নিজের দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা পাবেন।কত নম্বর পেলে স্কোর কেমন হবে, এটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে পারেন।ভুল বানানের জন্য নম্বর কমে যায় তাই বানানে সতর্ক হোন।যে কয় শব্দে উত্তর দিতে বলা হয়, সে কয় শব্দই লিখতে হবে। দুটি শব্দের মধ্যে উত্তর লিখতে বললে আপনি এক বা দুই শব্দ ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু দুইয়ের বেশি শব্দ হলে নম্বর পাবেন না।ভুল উত্তরের জন্য কোনো নম্বর কাটা যায় না। কাজেই সব প্রশ্নের উত্তর দিতে চেষ্টা করুন।স্পিকিংয়ে (speaking) ভালো করতে হলে বন্ধুবান্ধব, পরিচিতদের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলার অভ্যাস করুন। অনেকে খুব ভালো ইংরেজি জানেন। কিন্তু বলতে অসুবিধা বোধ করেন। এ পরীক্ষার জন্যই নিয়মিত প্রস্তুতি নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।প্রশ্নপত্র সমাধান করে আপনি নিজেই অনেকখানি মূল্যায়ন করতে পারবেন। তবে আরও নির্ভরযোগ্যতার জন্য মক টেস্ট (Mock Tast) দিতে পারেন। ব্রিটিশ কাউন্সিল,আইডিপিসহ বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে নির্দিষ্ট ফী দিয়ে মক দিতে পারবেন।

কোচিং করবো কিনা???

আপনার ইচ্ছা।চাইলে করতে পারেন তেমন লাভ হবে না।কোচিং না করলেও বিশেষ ক্ষতি নেই।কোচিং সেন্টার আপনাকে কিছু শেখাবে না।তারা আপনার ব্যাসিক দূর্বলতা গুলো নিয়ে কোন কাজ করবে না।কোচিং সেন্টারে জাস্ট প্র্যাকটিস করাবে,সেটাতো আপনে বাসায় বসেও করতে পারেন তাইনা??তাহলে কি কোচিং যাবো না??ঐ যে বললাম আপনার ইচ্ছা।তবে কোচিং এ গেলে আপনে একটা রুটিন ও ক্লাস ইনভারমেন্ট পাবেন।চর্চার একটা পরিবেশ থাকে যা অনেকের কাজে লাগে।অনেক নতুন মুখ পাবেন যাদের সাথে গ্রুপ স্টাডি করে নিজের দূর্বলতা কাটাতে পারবেন।বিশেষত স্পিকিং এর জন্য পার্টনার পেয়ে যাবেন।

রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াঃ


পরীক্ষার আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ঢাকা, চট্টগ্রাম অথবা সিলেট শাখায়। তাদের অনুমোদিত ‘রেজিস্ট্রেশন পয়েন্ট’ সাইফুর’স, গেটওয়ে ও মেনটরস থেকেও রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। পরীক্ষার তিন থেকে চার সপ্তাহ আগেই রেজিস্ট্রেশন করা ভালো।পরীক্ষার্থীরা অনলাইনেও রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। ফি পরিশোধ-সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা অনলাইনেই পাওয়া যাবে।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের অফিশিয়াল সাইটের ‘রেজিস্ট্রার ফর আইইএলটিএস’ থেকে ‘রেজিস্ট্রার অনলাইন’ ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য এন্ট্রির মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা সহজেই রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর পাসপোর্ট থাকা আবশ্যক। রেজিস্ট্রেশনের সময় পাসপোর্টের ১ম ৪ পৃষ্ঠার ফটোকপি জমা দিতে হবে।৩ কপি সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট আকারের ছবি ( ছয় মাসের অধিক পুরানো নয় এমন ছবি) এবং রেজিস্ট্রেশন ফরমে চশমা পরিহিত ছবি গ্রহণযোগ্য নয়।আপনার নিবন্ধন ফর্ম কাছের কোন ব্রিটিশ কাউন্সিল অফিস অথবা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ব্রাঞ্চে অথবা রেজিস্ট্রেশন পয়েন্টে জমা দিন।আপনি আপনার পরীক্ষা খরচ ব্যাংক ড্রাফট অথবা নগদ অর্থের মাধ্যমে ব্রিটিশ কাউন্সিলে অথবা রেজিস্ট্রেশন পয়েন্ট অথবা ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডিপোজিট স্লিপ পূরন করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের শাখাগুলোতে জমা দিতে পারেন।বিস্তারিত তথ্য জানতে ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং আইডিপি তে যোগাযোগ করুন।

পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ

ব্রিটিশ কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে প্রতি মাসে তিনবার করে বছরে ৩৬ বার আইইএলটিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আগে, কোনো পরীক্ষার্থী আশানুরূপ না পেলে পরে পরীক্ষা দিতে হতো প্রথম পরীক্ষার অন্তত তিন মাস পর। এখন নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত স্কোর পাওয়ার আগ পর্যন্ত যতবার খুশি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

সাধারণত আইইএলটিএস ফল প্রকাশিত হয় পরীক্ষার ১৩ দিন পর। ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া ব্রিটিশ কাউন্সিল এর ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার্থীর নম্বর, পাসপোর্ট নম্বর, জন্মতারিখ, পরীক্ষা প্রদানের তারিখ এন্ট্রি করে সহজেই জেনে নিতে পারবেন আইইএলটিএস পরীক্ষার ফলাফল। যদি আপনার পরীক্ষার ফলের ওপর কোন সন্দেহ থাকে তবে ছয় সপ্তাহের মধ্যে ‘এনকুয়ারি অন রেজাল্ট’-এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে নির্দিষ্ট ফি প্রদান করতে হবে, ফলাফলে ভুল ধরা পড়লে অবশ্যই আপনি ওই টাকা ফেরত পাবেন। ছয় থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যেই ব্রিটিশ কাউন্সিল আপনার পুনঃনম্বরকৃত ফলাফল ফিরে পাবে এবং তখন ব্রিটিশ কাউন্সিল আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

পরীক্ষা কেন্দ্রে কি কি নেওয়া যাবেঃ

মেয়াদ আছে এমন একটি আসল পাসপোর্ট,পেন্সিল এবং রাবার। কোন ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস নেওয়া যাবে না।এমনকি হাত ঘড়িও নয়।

আইইএলটিএসের প্রস্তুতি অনলাইনে

অনলাইনে আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং ভালো স্কোর পেতে সহায়ক এমনসব তথ্য দিয়ে সাজানো হয়েছে বেশ কিছু ওয়েবসাইট। রাইটিং, রিডিং, স্পিকিংয়ের ওপর বিশদ ধারণা, লেসন, অডিও টিউটোরিয়ালসহ প্রয়োজনীয় সব কিছুই যুক্ত করা হয়েছে এসব সাইটগুলোতে। আইইএলটিএস প্রস্তুতিতে সহায়ক এমন কিছু ওয়েবসাইটের ঠিকানা।

www.britishcouncil.org/professionals-exams-ielts-intro.htm

www.ielts-exam.net

www.ielts.studyau.com

www.candidates.cambridgeesol.org/cs

www.cross-link.com/ielts-tutor.html

www.uefap.co.uk

Welcome to IELTS-blog!

http://learnenglish.britishcouncil.org/en/?_ga=1.121284616.1287860924.1451887354

http://www.cambridge.org/

http://takeielts.britishcouncil.org/prepare-test/free-practice-tests

http://ielts-english.info/blog/

বিঃদ্রঃ সর্ম্পূন লেখাটি আমার মৌলিক লেখা নয়,কিছু কিছু অংশ সংগ্রহীত। ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি।সংগ্রহীত তথ্যর উৎস সংযুক্ত করা হলো।

তথ্য সূত্রঃ
http://www.online-dhaka.com/105_511_17436_0-ielts.html

IELTS দিতে আগ্রহী? জেনে নিন আইইএলটিএস এর পরিপূর্ণ বৃত্তান্ত

http://genesisblogs.com/education/16945

IELTS পরীক্ষার প্রস্তুতি

http://www.ielts4bd.com/2016/04/ielts.html?m=1

http://m.prothom-alo.com/education/article/265843/আইইএলটিএস-কী-ও-কেন

আইইএলটিএস নিয়ে সবকিছু (All about IELTS)

http://www.amiopari.com/12604/

#BSAAG_Learn_English
#BSAAG_IELTS
#BSAAG_TOEFL_IELTS

লেখকঃ গোলাম সারোয়ার
বিবিএস(অর্নাস),এমবিএস(মার্স্টাস)
ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা,বাংলাদেশ।

 

Print Friendly, PDF & Email