জার্মানির পথেঃ১৬ জার্মানিতে মাইগ্রেশন, আসছে চমকপ্রদ নতুন আইন, ২০১৮

Featured

 

বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে যখন আমরা জার্মানিতে আসি, তখন অবস্থাটা একেবারেই বিরূপ ছিল। পড়া শেষ করে চাকরি পাওয়া ছিল কঠিন। কাজ পাওয়ার চেয়ে বেশি কঠিন ছিল কাজের অনুমতি পাওয়া। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যেত, যারা পড়াশোনা শেষ করে সাথে সাথে কাজ পায়নি, তাদেরকে কাজ খুঁজে পাবার আগে দেশ ত্যাগ করতে হয়েছে। অনেকেই শুধুমাত্র ভিসা পাওয়ার জন্য ইচ্ছে করে পড়া সমাপ্ত করত না, যতদিন না যুতসই একটা কাজ খুঁজে পাচ্ছে। আমার মনে আছে, ২০০৪ সালে জার্মানি থেকে সিংহভাগ ছেলেমেয়ে পড়া শেষ করে দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছিল। সেই অবস্থা অবশ্য এখন রূপকথার গল্পের মতন ইতিহাস। Continue reading

জার্মানিঃ “Das Beste, oder nichts”

Featured

 

জার্মানির কোন শহরে যাব!? কিভাবে ভাল শহর খুঁজে পাব। কিভাবে বুঝব কোনটা বেশী ভাল ইউনিভার্সিটি!

বাংলাদেশের সবকিছু ঢাকা কেন্দ্রিক। রাজধানী মানেই সব ধরণের নাগরিক সুযোগ সুবিধা। ঢাকা বাদ দিলে বড় জোড় বিভাগীয় শহরগুলো তাও কিছুটা চলে। এইসব বাদ দিলে, বাকি সব মফঃস্বল শহরকে গ্রামের কাছাকাছি গন্য করা যায়। ঢাকাতে জ্যামে জীবনের অর্ধেক সময় চলে যায়। তারপরেও দেশের বেশীরভাগ মানুষ শিক্ষা হোক বা চিকিৎসা হোক, ঢাকামুখী। আমাদের চিন্তা ভাবনাও অনেকটা বড় শহরমুখী হয়ে গেছে।

Continue reading

জার্মানির পথে-১৫ঃ এক বছর দেশে ব্যাচেলর করে সরাসরি জার্মানিতে এডমিশন!

Featured

 

আপডেটঃ সেপ্টেম্বর, ২০১৭। 

মোটামুটি ব্রেকিং নিউজ বলা যায়। বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের জন্য জার্মানিতে ব্যাচেলর করতে আসার পথে সবচেয়ে বড় বাঁধা ছিল এখন পর্যন্ত স্টুডেন্টকলিগ করা। এর জন্য অনেক সময় এবং এনার্জি ব্যয় করতে হয়। অথবা আরেকটি উপায় ছিল, দেশে ২ বছরের জন্য ব্যাচেলর ডিগ্রী শেষ করা। এতে করেও অনেকটা সময় ব্যয় হয়ে যাচ্ছিল। এই বছর ব্যাচেলরে আগ্রহীদের জন্য দারুণ খবর আছে। ডাড এবং আনাবিন সাইটের তথ্য অনুসারে, এখন থেকে বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদেরকে জার্মানিতে সরাসরি ব্যাচেলর করার জন্য শুধুমাত্র দেশে ১ বছর বা ২ সেমিস্টার পড়াশোনা করলেই যথেষ্ট। বলাই যায়, এতে করে ব্যাচেলরে সরাসরি পড়তে আসাটা অনেক সহজ হয়ে গেল।   Continue reading

বিসাগ থেকে নিজের প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে নেওয়া

Featured

 

সবাইকে স্বাগতম জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা এবং ক্যারিয়ার সংক্রান্ত একমাত্র নির্ভরযোগ্য বিসাগ গ্রুপ এবং ওয়েবসাইটে। নতুন সদস্য, যারা এখনও জানে না কোথায় শুরু করবে, বিশেষ করে তাদের জন্য এই পোষ্ট।

 

#নতুন_সদস্য_কোথা_থেকে_শুরু_করব?

সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব দশটি ধাপে জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত লেখা গুলো পড়ে দেখতে। এখনও কিছুই জানিনা থেকে শুরু করে ভিসা ইন্টারভিউ দেবার প্রস্তুতি পর্যন্ত সকল ধাপের জন্য প্রয়োজনীয় লেখাগুলো এখানে পাওয়া যাবে। সকল প্রশ্নের উত্তর এখানে পাওয়া যাবে। ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং, কোর্স খোঁজা, কোন লেভেলে পড়তে কেমন যোগ্যতা লাগে, কিভাবে আবেদন করতে হয়, টাকা পয়সা কত লাগে, স্কলারশিপ পাওয়া যায় কিনা, ছাত্রাবস্থায় চাকরি করে খরচ চালানো সম্ভব কিনা, ভিসার জন্য কি কি প্রস্তুতি নিতে হয়, ভিসা ইন্টারভিউতে যেসব কাগজ লাগে, ইন্টারভিউতে কি কি প্রশ্ন আসে, ব্লক একাউন্ট, জার্মান ভাষা কতটুকু জানতে হয় ইত্যাদি সকল প্রশ্নের প্রাথমিক এবং বিস্তারিত উত্তর এখানে পাওয়া যাবে। Continue reading

কিভাবে বাংলায় লিখবেনঃ মোবাইল ফোন বা পিসিতে

Featured

 

জার্মানিতে আসতে চায় যারা, এদের জন্য জার্মান এমব্যাসি নিয়ম করে বলল, জার্মান শেখ নইলে ভিসা দেব না। কিংবা বলা হল, জার্মান শেখ, নাহলে স্পাউস ভিসা দেব না! ফলাফল, সবাই খেয়ে না খেয়ে জার্মান শিখতে শুরু করেছে!

বাংলা শিখলে, প্রতিদিনের কাজে ব্যবহার করলে কেউ বাহবা দেয় না – এটা বুঝতে পারি খুব। গ্রুপে খুব প্রয়োজনীয় প্রশ্নটা একটু কষ্ট করে অভ্র দিয়ে বাংলায় লিখতে হবে – সেই কারনে দেখি ছেলেপেলে প্রশ্ন করতেই ভয় পাচ্ছে। এদিকে ভুলে ভরা ইংরেজি দিয়ে প্রশ্ন করে ওয়াল ভর্তি। মোবাইলেও চাইলে বাংলা লেখা যায়, এবং পড়াও যায়। এমনিতে দামি মোবাইলের (বিশেষ করে সামনে “আই” শব্দটা থাকলে) পেছনে সবাই দেদারে টাকা খরচ করে। ইচ্ছে থাকলে বাংলা লেখার জন্য প্রয়োজনীয় হার্ডওয়ার যোগার করে নিতে সমস্যা হবার কথা নয়। Continue reading

দশটি ধাপে জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা

Featured

 

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষায় আসতে চাই, জানি না কোথায় শুরু করব!

এই পোষ্টটিতে আমরা চেষ্টা করেছি, মাত্র দশটি ধাপের মাধ্যমে জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার্থে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদেরকে একটি সম্পূর্ণ গাইডলাইন উপহার দেবার। তোমরা চাইলে মাঝখান থেকেও যেকোনো একটি ধাপ থেকে শুরু করতে পার। এই ধাপগুলো ব্যাচেলর, মাস্টার্স বা পিএইচডি সকল লেভেলের ছাত্রছাত্রীদেরকে সাহায্য করতে পারবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

যেকোন প্রশ্নের জন্য বিসাগ তো থাকছেই পাশে।

Continue reading

জব নিয়ে জার্মানি যাওয়া – জব কিভাবে খুঁজবো?

 

জব নিয়ে জার্মানি যাওয়ার জন্য সবথেকে জরুরি বিষয়টা হল জব পাওয়া। আপনি যোগ্য হলে এই পোষ্টটি আপনার জন্য। এখানে আমি জার্মানিতে কিভাবে IT সম্পর্কিত চাকুরি পেতে পারেন তার সম্পর্কে একটা ধারনা এবং কিছু গাইডলাইন দেবার চেষ্টা করবো।

IT সম্পর্কিত চাকুরি পাওয়ার জন্য বেশকিছু স্বনামধন্য জব সাইট আছে যেখানে থেকে আপনি এপ্লাই করতে পারবেন। নিচে এগুলোর একটা তালিকা দিচ্ছি।

Stackoverflow Jobs

Stackoverflow Jobs IT জবের জন্য খুবই ভাল পোর্টাল, সারা বিশ্বেই এমনকি বাংলাদেশের ভাল ভাল জব পোষ্ট এখানে আসে। এখানে সব জব Visa Sponsored না। নীচের স্ক্রীনশটটায় দেখা যাচ্ছে এখানে Visa Sponsorউল্লেখ করা আছে। এরকম জবে মুলত আপনাকে এপ্লাই করতে হবে।

Linkedin Jobs

Linkedin Jobsখুব ভাল একটি মাধ্যম জব খোজার জন্য, প্রতিনিয়ত এখানে প্রচুর জব পোষ্ট হয়, এখানে নোটিফিকেশন তৈরি করে রাখা যায় যেন জব পোষ্ট হওয়া মাত্রই মেইলে নোটিফিকেশন আসে। আমি সার্চ ক্রাইটেরিয়াগুলো দিয়ে নোটিফিকেশন তৈরি করে রাখতে পছন্দ করি। ভিসা স্পন্সর লেখা থাকা উচিত এখানেও। যদি না থাকে তারপরও মাঝারি/বড় কম্পানিগুলোতে এপ্লাই করার পরামর্শ দিবো কারন জার্মানিতে ভিসা স্পন্সর করার হার অনেক ভাল।

Relocate.me

Relocate.me মুলত রিলোকেশন জব এর জন্য। এখানেও জব আছে মোটামুটি ভালই। নিয়মিত এখানেও নজর রাখা যেতে পারে।

Recruiter

জার্মানিতে IT রিক্রুটমেন্টের একটা বড় অংশ হয়ে থাকে রিক্রুটারদের মাধ্যমে। বেশিরভাগই ব্রিটিশ রিক্রুটার। তারা ফোনে কথা বলে প্রথমে যোগ্যতা সম্পর্কে কিছুটা নিশ্চিত হয়ে তারপর কম্পানির সাথে ইন্টার্ভিউ এর ব্যাবস্থা করে থাকে। আপনি যখন একবার জার্মানিতে চলে আসবেন তখন তুলনামুলক প্রচুর রিক্রুটার আপনার লিংকডইনে নক করবে বা কানেকশন রিকোয়েস্ট পাঠাবে। বাংলাদেশে থাকলে তার পরিমান আসলে অনেক কম হবে। আপনাকে যা করতে হবে খুজে খুজে রিক্রুটারদেরকেই কানেকশন রিকোয়েস্ট পাঠাতে হবে যারা জার্মানিতে রিক্রুটমেন্টের কাজ করে থাকে। এসব রিক্রুটাররা জব পোষ্ট করে থাকে সেগুলো থেকে বা সরাসরি তাদের সাথে যোগাযোগ করেও আপনি এপ্লাই করতে পারবেন। মনে রাখতে হবে মেসেজগুলো যেন খুবই ফর্মাল এবং প্রফেশনাল হয়। এ ধরনের মেসেজের টেমপ্লেট অনলাইনে প্রচুর পাওয়া যায়। কিভাবে লিংকডইনে রিক্রুটার খুঁজে পাবেন এর উপরে গুগল করলে অনেক টিপস পাবেন।

অফিসের টিম লিডদের সাথে যোগাযোগ করে

যেসব অফিসে আপনি জয়েন করতে চান সেগুলোর লিড ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে লিংকডইনে কানেক্ট হোন এবং তাদেরকে মেসেজ করতে পারেন আপনার আগ্রহ জানিয়ে। মনে রাখতে হবে মেসেজগুলো যেন খুবই ফর্মাল এবং প্রফেশনাল হয়। এ ধরনের মেসেজের টেমপ্লেট অনলাইনে প্রচুর পাওয়া যায়।

জব খোঁজার কিছু টিপস

পুরো জার্মানিই অনেক সুন্দর এবং বসবাস উপযোগী বলা যায় তবে আমার পরামর্শ থাকবে একজন ইংরেজী ভাষাভাষী হিসেবে প্রথমে কোন ভাল সিটিতে যাবার। আবার ওদিকেও কিছু সমস্যা আছে বড় কিছু সিটিতে আবাসন সমস্যা খুবই প্রকট যেমন মিউনিখ। বার্লিনে বসবাস তুলনামুলক খরচ কম তবে আবাসন সমস্যা এখন প্রকট হয়ে উঠছে। আশার বানী হল এখানে তুলনামুলক বেশি ভাড়া দিয়ে ফার্নিশড বাসা পাওয়া যায়। এই তুলনামুলক বেশি ভাড়া মিউনিখের সাধারন ভাড়ার মতই। ভাল সিটির মধ্যে ফ্রাঙ্কফুর্ট, হামবুর্গ, ড্রেসডেনসহ আরও অনেক শহর আছে। এগুলো শহর সম্পর্কে একটু ভালভাবে জেনে তারপর সেভাবে জব এপ্লাই করতে পারেন।

বাংলাদেশ থেকে ভিসা প্রসেস করা তুলনামুলক খুবই সোজা তাই যারা ভিসা স্পন্সর করছে না আপনি তাদেরও কনভিন্স করে লিখতে পারেন। আপনি যদি সত্যিই খুব আগ্রহী এবং যোগ্য হন অনেকেই মত পরিবর্তন করতে পারে।

কখনোই স্প্যামিং করবেন না, নিজের যোগ্যতা বুঝে যদি নিশ্চিত হন আপনি যোগ্য শুধু সেক্ষেত্রেই আবেদন করবেন। দেশের বাইরে থেকে কাউকে একজন সহযে হায়ার করে না যতক্ষন না তারা খুবই সন্তুষ্ট হয়। আপনার স্প্যামিং এর কারনে যেমন আরও বাংলাদেশির স্ক্রীনিং বাতিল হয়ে যেতে পারে তেমনি একবার ভুল করার জন্য আপনিও কালোতালিকায় স্থান পেতে পারেন।

খুব প্রফেশনালি আবেন করবেন, কিভাবে IT জবের আবেদন করতে হয় তা গুগল করে আর্টিকেল পরে পরে শিখে নিন। কাভার লেটার, সিভি ইত্যাদি যেন খুবই প্রফেশনাল হয়।

এখানে আমি খেয়াল করেছি দেশে যারা সিনিওর পজিশনে জব করেন সাধারনত এখানে তাদের পদবী সাধারনই হয়। এখানে সিনিওর হতে ৫-৬ বছর লেগে যাওয়াটা একটা সাধারন ঘটনা। তাই আবেদন করার সময় একটু বুঝে শুনে।

প্রগ্রামার হিসেবে আবেদন করলে এ্যালগরিদম, ডাটা স্ট্রাকচার বিষয়ক প্রশ্ন আসবে এটাতে কোন সন্দেহ নাই তাই সুযোগ থাকতে এগুলো শিখে নিয়ে তারপর আবেদন করাই শ্রেয় কারন একবার কোথাও ডিসকোয়ালিফাই হয়েছেন তো মিনিমাম ৬ মাস আর আবেদন করতে পারছেন না।

টার্গেট করে কম্পানির তালিকা বানাতে পারেন যেগুলোতে আপনি কাজ করতে চান এবং নিয়মিত লক্ষ্য রাখুন তাদের জব পোর্টালগুলোতে।

আমার কাছে বিভিন্ন টপিক নিয়ে লেখার জন্য অনুরোধ করতে পারেন। এজন্য আমাকে মেইল করুন asif.saho{at}gmail.com ঠিকানায়। আর লেখাটি যদি আপনার পছন্দ হয়ে থাকে তাহলে আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করতে পারেন। হয়তো আপনার মত অনেকেরই কাজে লাগতে পারে।

পূর্ববর্তীতে লেখাটি আমার ব্যক্তিগত ব্লগে প্রকাশিত, সূত্র উল্লেখ করে শেয়ার বা ভিন্ন যায়গায় প্রকাশ করা যাবে।

জার্মানির ডায়েরিঃ২৪ “ফিহা এবং কিছু সমীকরণ”

 
প্রথম সমীকরণ

আমাদের বড় মেয়ে এহার মায়ের গর্ভে আসার ঘটনা যখন জানা গেল, সেদিন আমি কি একটি কাজে অন্য শহরে। সন্ধ্যায় হোটেলে ফিরে প্রথম বাবা হতে যাবার খবরটি পেলাম। প্রথম বার বলে বোধকরি, এই খবরটি শুনে কিছুই অনুভব করতে পারলাম না। কোথাও অনেক মানুষের ভিড় ভেঙে যখন সবাই হঠাৎ একসাথে পালাতে চায়, তখন কেউই বের হতে পারে না। হুড়োহুড়িতে জটলা লেগে যায়। বাবা হতে যাবার প্রথমবারের খবরটি অনেকটা এরকম ছিল। কয়েক হাজার অনুভূতি একসাথে মাথার ভেতরে জট পেকে গেল। Continue reading

জার্মানিতে বিভিন্ন অফিসের সার্ভিস অভিজ্ঞতা এবং ভাষাগত সমস্যা

 
জার্মানিতে আসার পরই বিভিন্ন অফিসে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে গেল, ইন্সুরেন্স, ফরেইন অফিস, ফাইন্যান্স অফিস, ব্যাংক ইত্যাদি। পুরোপুরি মিশ্র অভিজ্ঞতা। সবার সাথে অভিজ্ঞতাগুলো না মিললেও আমার অভিজ্ঞতাগুলো একটু গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করলাম আশাকরি আপনাদের কাজে আসবে। Continue reading

বিশ্বকাপ-২০১৮ঃ জার্মান জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নামের সঠিক বাংলা উচ্চারণ

 
জার্মান উচ্চারণ ঠিকমতো না জানার কারণে বাংলাদেশের পত্রপত্রিকায় এবং নেটে জার্মান দলের খেলোয়াড়দের নামে ব্যাপক ভুল ভ্রান্তি লক্ষ্য করা যায়। এখানে বিশ্বকাপ ২০১৮ এর জার্মান দলের জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ছবিসহ নামগুলোর যথাযথ সঠিক বাংলা উচ্চারণ লিখে দেবার চেষ্টা করলাম। কিছু জার্মান নামের উচ্চারণ বাংলায় শতভাগ সঠিক লেখা সম্ভব নয় বলে ক্ষমাপ্রার্থী।

 

নামের শেষে ব্র্যাকেটে বর্তমান বিশ্বকাপের জার্সি নম্বর লিখে দেয়া হল।
Continue reading